Pakistan-Saudi-Turkey Defence Pact: যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করল পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং তুরস্ক। শুক্রবার মক্কায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মহম্মদ বিন সলমন এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান সেই 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর' করেছেন। তারপর একটি যৌথ বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় ওই তিনটি দেশের মধ্যে যে কোনও একটিতে সশস্ত্র আক্রমণ করা হলেও সেটাকে সব দেশের উপরই আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
চুক্তির বিষয়ে বিশেষ কিছু জানানো হয়নি

তবে ওই চুক্তির আওতায় কোন দেশ কী ধরনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বা কোন দেশের দায়বদ্ধতা কী, তা নিয়ে নির্দিষ্টভাবে কিছু জানানো হয়নি। শুধু যৌথ বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, তিন দেশের সুরক্ষা এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতেই এই চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে।
এমন এক সময়ে এই ঘটনাটি ঘটল যখন লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালী-সহ বিভিন্ন দিকে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে, যার ফলে উপসাগরীয় দেশগুলো আঞ্চলিক নিরাপত্তা সমন্বয় জোরদার করতে উদ্যোগী হয়েছে। প্রাথমিকভাবে সৌদির সঙ্গেও প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল পাকিস্তান। তবে এই ত্রিপাক্ষিক চুক্তি সেটার থেকে আলাদা।
ওই চুক্তি নিয়ে কী বলল ভারত?
আর সেই আবহে সেই চুক্তির বিষয়ে বিশেষ কোনও মন্তব্য করেনি ভারত। শুক্রবার ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের সাপ্তাহিক সাংবাদিক বৈঠকে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘এটি এমন একটি ঘটনা যা আমরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি এবং আমরা আপনাদের এ বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য জানাতে থাকব।’
{{/usCountry}}আর সেই আবহে সেই চুক্তির বিষয়ে বিশেষ কোনও মন্তব্য করেনি ভারত। শুক্রবার ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের সাপ্তাহিক সাংবাদিক বৈঠকে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘এটি এমন একটি ঘটনা যা আমরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি এবং আমরা আপনাদের এ বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য জানাতে থাকব।’
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: প্রশ্ন মুখস্থ করা, চিরকুট ব্যবহার! নিট-ইউজি প্রশ্নফাঁসের চার্জশিটে চাঞ্চল্যকর দাবি CBI-র
পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ভারত সরকারের মন্তব্য
তারইমধ্যে পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে মুখ খুলেছে ভারত সরকার। সমাজবাদী পার্টির সাংসদ ধর্মেন্দ্র যাদবের প্রশ্নের জবাবে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর বলেন, ‘সরকারের দৃঢ় অবস্থান হল, সন্ত্রাস, শত্রুতা ও হিংসাত্মক পরিবেশেই কেবল ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কের অগ্রগতি সম্ভব। অথচ পাকিস্তান ক্রমাগত আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ এবং ভারতের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় নীতির হাতিয়ার হিসেবে সন্ত্রাসবাদকে ব্যবহারের নীতি অনুসরণ করে চলেছে।’