Dinesh Trivedi Bangladesh Meet Update: বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগিরের সঙ্গে দেখা করলেন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিস্ফোরক মন্তব্যের মধ্যেই তাঁরা দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করলেন। তবে তাঁদের বৈঠকে হাসিনা নিয়ে কোনও আলোচনা হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। ভারতীয় হাইকমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন ইতিহাস, সাংস্কৃতিক বন্ধন নিয়ে আলোচনা

ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনের তরফে বলা হয়েছে, ‘হাইকমিশনার (বাংলাদেশের) রাষ্ট্রপতিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান এবং বাংলাদেশের জনগণের সেবায় তাঁর অব্যাহত দায়িত্ব পালনে সাফল্য কামনা করেন। এই আলোচনায় ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন ইতিহাস, ঘনিষ্ঠ সাংস্কৃতিক বন্ধন এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা গভীর বন্ধনের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরা হয়। তাঁরা এই দুই সার্বভৌম রাষ্ট্রের জনগণের পারস্পরিক কল্যাণের জন্য দ্বিপাক্ষিক অংশীদারত্বকে আরও সুদৃঢ় করার তাৎপর্যের ওপর বিশেষ জোর দেন।’
হাসিনার অভিযোগ বাংলাদেশের জঙ্গিবাদের উত্থান নিয়ে
আর বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাতের আগেই ঢাকার বিরুদ্ধে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন হাসিনা। সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হাসিনা উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে বাংলাদেশে ক্রমশ উত্থান হচ্ছে জঙ্গিবাদী গোষ্ঠী এবং শক্তির। আর সেটার প্রভাব সীমিত থাকবে না শুধুমাত্র বাংলাদেশেই। বরং পড়শি দেশ হিসেবে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ এবং মৌলবাদী শক্তির উত্থানের ফল ভুগতে হবে ভারতকেও। বড় খেসারত দিতে হবে বলেও সতর্ক করেছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে হাইকমিশনার
{{/usCountry}}বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে হাইকমিশনার
{{/usCountry}}এমনিতে এই হাসিনারই ভার্চুয়াল সাংবাদিক বৈঠক ঘিরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর ঘিরে জট তৈরি হয়। সোমবার পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে সাক্ষাতের পরে ভারতীয় হাইকমিশনার জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী নয়াদিল্লি। তাঁকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখা হয়েছে। যে বিষয়টা জানেন খোদ তারেকও।
সেইসঙ্গে তিনি জানান, ভারত এবং বাংলাদেশের ইচ্ছা এবং আকাঙ্খা একই - সত্যি-সত্যি ভালো প্রতিবেশী হিসেবে অবস্থান করা। ভারত এবং বাংলাদেশ কোনও সীমান্ত 'শেয়ার' করে না, 'শেয়ার' একই স্বপ্ন। ভারত এবং বাংলাদেশ স্বাধীন এবং সার্বভৌম। দু'দেশই প্রাণবন্ত গণতন্ত্রের ভিত্তির উপরে দাঁড়িয়ে আছে বলে জানান ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার।