Indian navy: অপারেশন সিঁদুরে পাক নৌসেনার হাল কী হয়েছিল? মুখ খুলল ভারতীয় নেভি, ওদিকে পাকিস্তানে PAF কণ্ঠে এখনও রাফাল
Op সিঁদুরে পাক নৌসেনা ভয়ে সিঁটিয়ে কোন প্রান্তে ছিল? মুখ খুললেন ভারতের নৌসেনা প্রধান।
পহেলগাঁতে পাকিস্তান মদতপুষ্ট জঙ্গিদের হানার পর পাল্টা পাকিস্তানের বুকে পর পর জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছিল ভারত। সেই ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ কার্যত কুপোকাত হয়েছিল পাকিস্তান। অভিযানের সময় মে মাসের সেই রাতে ভারতীয় বায়ুসেনার বিমান যখন একের পর এক পাকিস্তানি জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিচ্ছিল, তখন ভারতীয় নৌসেনার আগ্রাসী অবস্থানে কার্যত নিজেদের উপকূল প্রান্ত বাঁচাতে মরিয়া ছিল পাকিস্তান। একথাই এদিন এক অনুষ্ঠানে জানালেন ভারতের নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল দীনেশ কে ত্রিপাঠী।

এক অনুষ্ঠানে অ্যাডমিরাল দীনেশ কে ত্রিপাঠী বলেন,' অপারেশন সিঁদুরের সময় কেরিয়ার ব্যাটেল গ্রুপের মোতায়েনের আক্রমণাত্মক ভঙ্গি এবং তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ পাকিস্তান নৌবাহিনীকে তাদের বন্দরের কাছাকাছি বা মাকরান উপকূলের কাছাকাছি থাকতে বাধ্য করেছিল।' একইসঙ্গে তিনি মনে করিয়ে দেন, ‘অপারেশন সিঁদুর’, এখনও শেষ হয়নি। তিনি সাফ বলেন,'এই অপারেশন এখনও চলছে।'
এদিকে, পাকিস্তানের বায়ুসেনা এখনও রাফাল ঘিরে তাদের নানান দাবি পেশ করে যাচ্ছে। সদ্য পাকিস্তানের রিসালপুরে ‘অপারেশন বানিয়ান উম মারুস'র প্রশংসা করতে গিয়ে ফের একবার রাফাল নিয়ে লম্বা চওড়া দাবি করেছেন পাকিস্তানের বায়ুসেনার চিফ জাহির আহমেদ বাবর সিধু। তাঁর কণ্ঠে এদিন আসিম মুনিরের প্রবল স্তূতি শোনা যায়।
( Good Luck Tips: গোপনে মন্দিরে এই ৩ জিনিস দান করলে মিলতে পারে সমৃদ্ধি! রইল টিপস)
( Rahu and Shukra in Kumbh: ১৮ বছর পর কুম্ভে রাহু-শুক্র ঘোরাবেন খেলা! ভাগ্য খুলবে একগুচ্ছ রাশির)
( 2026 Lucky Zodiacs: ২০২৬ সালে দণ্ডনায়ক শনিদেবের রাশিতে ৩ গ্রহ, কপাল খুলবে বহু রাশির)
এদিকে, ভারতের নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল ত্রিপাঠী বলেন,'অপারেশন সিঁদুর' পাকিস্তানের উপর আর্থিক চাপ সৃষ্টি করেছে কারণ যুদ্ধের পর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাণিজ্যিক জাহাজ পাকিস্তানে ভ্রমণ এড়িয়ে গিয়েছে। পাকিস্তানগামী জাহাজের বীমা খরচও বেড়ে গিয়েছিল।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরে ৭ মে রাতে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী অপারেশন সিঁদুর পরিচালনা করে। এদিকে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং শনিবার বলেছেন যে অপারেশন সিঁদুর ছিল অসামরিক-সামরিক সংমিশ্রণের একটি অসাধারণ উদাহরণ, যেখানে প্রশাসনিক ক্ষেত্র গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ভাগ করে নেওয়ার এবং জনসাধারণের আস্থা তৈরির জন্য সশস্ত্র বাহিনীর সাথে নির্বিঘ্নে অভিযানকে এগিয়ে নিয়ে যায়।












