Indian Navy Submarine Project Update: ভারতের সঙ্গে সাবমেরিন চুক্তি স্বাক্ষর করতে মুখিয়ে আছে জার্মানি। অপেক্ষা করা হচ্ছে নয়াদিল্লির চূড়ান্ত সবুজ সংকেতের। বুধবার ভারতে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত জ্যাসপার উইক জানিয়েছেন, যে চুক্তি হতে চলেছে, তা শুধুমাত্র ক্রেতা এবং বিক্রেতার সমঝোতা হবে না। ব্যাপারটা এরকম হবে না যে ভারতের জন্য সাবমেরিন তৈরি করে দিচ্ছে জার্মান সংস্থা থিসেনক্রুপ মেরিন সিস্টেমস। বরং এই চুক্তির হাত ধরে প্রযুক্তি হস্তান্তর হবে। আর ভারতেই সেই সাবমেরিন তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন জার্মান রাষ্ট্রদূত। সেইসঙ্গে ড্রোনের ক্ষেত্রেও ভারত এবং জার্মানির মধ্যে সহযোগিতারও বার্তা দিয়েছেন।
সাবমেরিন চুক্তি করতে তৈরি জার্মানি, বার্তা রাষ্ট্রদূতের

সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত বলেছেন, ‘ভারত যখনই চাইবে, তখনই এই (সাবমেরিন) চুক্তি স্বাক্ষর করতে তৈরি আছে জার্মানি। আমরা ভারতের বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের থেকে চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় আছি। তারপর খুব গুরুত্বপূর্ণ এই অংশীদারিত্বের পথচলা শুরু করব।’
৬ সাবমেরিনের জন্য ৭০,০০০ কোটি টাকার চুক্তি
আর সাবমেরিন চুক্তির কথা বলেছেন জার্মান রাষ্ট্রদূত, তা ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। সাবমেরিনের দৌড়ে যখন চিন এগিয়ে যাচ্ছে, সেইসময় ভারতীয় নৌসেনার জন্য ছ'টি অত্যাধুনিক ডুবোজাহাজ তৈরির প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। খরচ হবে প্রায় ৭০,০০০ কোটি টাকা।
আসলে দীর্ঘদিন ধরে সেই সাবমেরিন প্রকল্প ঝুলে ছিল। অনেকদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলেছে। কিন্তু শেষপর্যন্ত সেটা দিনের আলোর দেখতে পায়নি। গত মে'তে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের অনুমোদন পাওয়ার পরে ভারতীয় নৌসেনা কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। এবার নিরাপত্তা বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটির অনুমোদন পেলেই চুক্তি স্বাক্ষর হয়ে যাবে।
কবে প্রথম প্রস্তাবিত সাবমেরিন পাবে ভারতীয় নৌসেনা?
{{/usCountry}}কবে প্রথম প্রস্তাবিত সাবমেরিন পাবে ভারতীয় নৌসেনা?
{{/usCountry}}বিষয়টির সঙ্গে অবহিত আধিকারিকরা জানিয়েছেন, জার্মান সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে মুম্বইয়ে সাবমেরিন তৈরি করবে মাজগাঁও ডক শিপবিল্ডার্স লিমিটেড। চুক্তি স্বাক্ষরের সাত বছরের পরে ভারতীয় নৌসেনার হাতে প্রথম সাবমেরিন তুলে দেওয়া হবে। বাকি পাঁচটি সাবমেরিন দেওয়া হবে পরবর্তী পাঁচ বছর ধরে। প্রতিটি বছর একটি সাবমেরিন পাবে নৌসেনা।
জলের তলায় ক্ষমতা বাড়বে, কার্যত ধরা যাবে না রেডারে
সেই অত্যাধুনিক সাবমেরিন আদতে HDW ক্লাস ২১৪ ভেসেলের ভ্যারিয়েন্ট। তাতে এয়ার-ইন্ডিপেন্ডেট সিস্টেমস থাকবে। যে সিস্টেমস জলের তলায় সাবমেরিনের ক্ষমতা অনেকগুণ বাড়িয়ে দেয়। অনেকটা কমে যায় শত্রুপক্ষের রেডারে ধরা পড়ার আশঙ্কা। চু্ক্তি অনুযায়ী, সাবমেরিনের ডিজাইন এবং প্রযুক্তি ভারতের হাতে হস্তান্তর করবে থিসেনক্রুপ মেরিন সিস্টেমস।