Inspiring Success Story: বাবার মাসিক আয় ছিল মেরেকেটে ৪০০০ টাকা, IIT থেকে পড়ে ১.৫ কোটি টাকা বেতন ছেলের
Inspiring Success Story: আইআইটি বম্বে থেকে পড়াশোনা করে বড় অঙ্কের বেতনের চাকরি পেয়েছেন শশাঙ্ক আগরওয়াল। তাঁর বাবার আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল না। তবে লড়াই ছাড়েননি শশাঙ্ক। জেইই অ্যাভডান্সড দিয়ে আইআইটি বম্বে থেকে পড়াশোনা করে চাকরি করছেন।
Inspiring Success Story: কঠোর পরিশ্রমে ভাগ্য যে পুরোপুরি বদলে দেওয়া সম্ভব, তার এক অনন্য ও বাস্তব উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন ২৪ বছরের শশাঙ্ক আগরওয়াল। আর্থিক অনটন, সীমাহীন সীমাবদ্ধতা এবং প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে বড় হয়ে ওঠা যুবক আজ দেশের হাজার-হাজার শিক্ষার্থীর কাছে এক অনুপ্রেরণার নাম। যাঁর বাবার একসময় মাসিক আয় ছিল মাত্র ৩,০০০ থেকে ৪,০০০ টাকার মধ্যে, তিনি আজ নিজের যোগ্যতায় বছরে উপার্জন করছেন প্রায় ১.৫ কোটি টাকা।
বাবার আয় ছিল কম, তবে তাতে আটকায়নি শশাঙ্কের পড়াশোনা
আইআইটি বম্বে থেকে পড়াশোনা করে বড় অঙ্কের বেতনের চাকরি পেয়েছেন শশাঙ্ক আগরওয়াল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে ন্যানো ব্যানানা দিয়ে তৈরি)
{{^htLoading}} {{/htLoading}}
ছোটোবেলায় শশাঙ্কের পরিবারিক অবস্থা একেবারেই সচ্ছল ছিল না। তাঁর বাবা একটি ছোটো দোকান চালাতেন, যেখান থেকে মাসে আয় হত মাত্র কয়েক হাজার টাকা। কিন্তু সংসারের এই চরম অভাব-অনটনের মাঝেও তিনি কখনও সন্তানের লেখাপড়ায় কোনও খামতি রাখেননি। সন্তানের পড়ালেখার খরচ চালাতে ঋণ নিতেও পিছপা হননি।
শশাঙ্কও ছোটোবেলা থেকেই বাবার এই কঠোর ত্যাগ ও পরিশ্রম খুব কাছ থেকে অনুধাবন করেছিলেন। সেটাই যেন তাঁর জেদ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সেই রেশ ধরে সর্বভারতীয় জয়েন্ট প্রবেশিকা বা জেইই দেন। JEE Advanced পরীক্ষায় সর্বভারতীয় স্তরে ২০ তম স্থান অর্জন করেন। ভরতি হন আইআইটি বম্বেতে। সেখানে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন।
আইআইটি বম্বে থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করার পর শশাঙ্কের সামনে খুলে যায় সাফল্যের একাধিক দিগন্ত। মাত্র ২৪ বছরেই তিনি কর্পোরেট জগতে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করে নেন। বর্তমানে একটি বড় সংস্থায় অ্যানালিস্ট হিসেবে কাজ করছেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, শশাঙ্কের বর্তমান বার্ষিক সিটিসি (CTC) বা প্যাকেজ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১.৫ কোটি টাকা।
অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা:
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা:
নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা:
অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।
Home/News/Inspiring Success Story: বাবার মাসিক আয় ছিল মেরেকেটে ৪০০০ টাকা, IIT থেকে পড়ে ১.৫ কোটি টাকা বেতন ছেলের
{{^htLoading}}
Advertisement
{{/htLoading}}
SHARE THIS ARTICLE ON
{{#usCountry}}{{/usCountry}}
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe