Indian Diplomat on Pakistan Army Burial: সাতাশ বছর আগের ঘটনার মনে করিয়ে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিল ভারত। ধর্ম, ধর্মীয় বিশ্বাস এবং সমাধির অধিকার নিয়ে ইসলামাবাদ যে ‘নাটক’ করে আসছে, তার প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানের মুখোশ খুলে দেন ভারতীয় কূটনীতিবিদ ভাবিকা মঙ্গলানন্দন। ১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধের সময় নিজেদের সৈন্যদেরই মৃতদেহ নিতে অস্বীকার করা পাকিস্তানকে আক্রমণ করে ভারতীয় কূটনীতিবিদ কড়া ভাষায় জানান, যে দেশে নিজের দেশের জওয়ানদের দেহ নিতে চায় না, তাদের মুখে জ্ঞান মানায় না।
'পাকিস্তানি সৈন্যদের সমাধিস্থ করেছিল ভারতীয় সেনাই'

তাঁর কথায়, ‘এটা অত্যন্ত বিচিত্র ব্যাপার, যে দেশ ১৯৯৯ সালে কার্গিলে যুদ্ধের সময় মৃত নিজেদের সৈন্যদের দেহ নিতে চায়নি, তারাই কিনা কোনও সংকোচ বা দ্বিধা বোধ না করে ধর্ম, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং মৃতদেহ সমাধিস্থ করার বিষয়ে অত্যন্ত জোরালো ভাষায় কথা বলছে। আমি আপনাদের স্মরণ করে দিতে চাই যে সামরিক মর্যাদায় এবং ইসলামিক রীতি মেনে পাকিস্তানি সেনার অনেক সৈন্যের কবর দিয়েছিল ভারতীয় সেনাই।’
জঙ্গিদের 'অধিকার' নিয়ে উন্মাদ পাকিস্তান
সেই রেশ ধরে জঙ্গিদের 'অধিকার' নিয়ে পাকিস্তান যে এত হইচই করে, তাও তুলে ধরেন ভারতীয় কূটনীতিবিদ। রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চ থেকে তিনি জানান, যাঁরা সন্ত্রাসবাদের শিকার হচ্ছেন, তাঁদের অধিকার নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই পাকিস্তানের। কিন্তু উন্মাদের মতো জঙ্গিদের অধিকারের ছুটে আসছে পাকিস্তান।
'জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের বিশাল মোহ', বিঁধলেন ভারতীয় কূটনীতিবিদ
{{/usCountry}}'জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের বিশাল মোহ', বিঁধলেন ভারতীয় কূটনীতিবিদ
{{/usCountry}}যে পাকিস্তানকে জম্মু ও কাশ্মীর ইস্যুতেও বিঁধেছেন ভারতীয় কূটনীতিবিদ। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, ‘ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীরে কী হচ্ছে, তা নিয়ে পাকিস্তানের যে মারাত্মক মোহ আছে, তার পরিবর্তে নিজেদের বেআইনিভাবে দখল করে রাখা জম্মু ও কাশ্মীরের একাংশে কী হচ্ছে, সেটার দিকে নজর দেওয়া উচিত (ইসলামাবাদের)।’ উদাহরণ হিসেবে রাওয়ালকোটের নামও উল্লেখ করেন ভারতীয় কূটনীতিবিদ।
এমনিতে রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে একাধিকবার পাকিস্তানের মুখোশ খুলে দিয়েছে ভারত। বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে যে মিথ্যে কথা বলে নিজেদের মুখ বাঁচানোর চেষ্টা করতে থাকে ইসলামাবাদ, তার পালটা হিসেবে একেবারে বাস্তব চিত্রটা তুলে ধরে নয়াদিল্লি। জঙ্গিদের মদত দেওয়া হোক, সংখ্যালঘুদের উপরে অকথ্য অত্যাচার হোক অথবা বেআইনিভাবে অধিকৃত কাশ্মীরে নির্যাতন হোক - তা তুলে ধরা হয়।