Maldives on India Action: 'ভারত মনে করলে কড়া মূল্য চোকাতে হবে', রাষ্ট্রপতির পাক সফরে ঘুম উড়ল এই মুসলিম দেশের
Maldives on India Action: মালদ্বীপের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি মহম্মদ নাশেদ প্রশ্ন তুললেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জুর বৈদেশিক নীতি নিয়ে। সম্প্রতি পাকিস্তান সফরে যান মুইজ্জু। তারপরই তাঁর বিদেশ নীতি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে।
Maldives on India Action: পাকিস্তানের সঙ্গে দহরম-মহরম বাড়াতে গিয়ে ঘরোয়া রাজনীতিতেই চাপের মুখে পড়লেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু। প্রশ্ন উঠে গিয়েছে তাঁর বৈদেশিক নীতি নিয়েও। বিরোধী দলগুলির মতে, ঠিকমতো বিবেচনা না করেই পাকিস্তান সফরে গিয়ে মালদ্বীপকে বেকায়দায় ফেলে দিয়েছেন মুইজ্জু। ভারত যদি মনে করে যে নিজেদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে, তাহলে মালদ্বীপকে মূল্য চোকাতে হতে পারে বলে আশঙ্কাপ্রকাশ করছেন মুইজ্জুর বিরোধীরা।

'ভারত ও পাকিস্তানের সংঘাতের মধ্যে জড়িয়ে গেল মালদ্বীপ'
মালদ্বীপের সংবাদমাধ্যম সান অনলাইনকে উদ্ধৃত ইন্ডিয়া টুডে'র প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দিনকয়েক আগেই ভারত মহাসাগরের ধারে অবস্থিত দেশের মূল বিরোধী দল মালদ্বীপ ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারপার্সন তথা প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মহম্মদ নাশেদ জানিয়েছেন যে মুইজ্জুর পাকিস্তান সফরের কারণে নয়াদিল্লি এবং মালের সম্পর্কে প্রভাব পড়তে পারে।
তাঁর মতে, ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে এমনিতেই সম্পর্ক খারাপ। দু'দেশের সংঘাতও চলছে। সেই পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদে গিয়ে মালদ্বীপকেও সংঘাতে জড়িয়ে দিলেন বলে দাবি করেছেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট। সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ভারত যদি মনে করে যে ওদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে, তাহলে মালদ্বীপকে অত্যন্ত তিক্ত পরিণতি ভুগতে হবে।’
ভারতের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি
যদিও বিষয়টি নিয়ে ভারতের তরফে আপাতত কোনও মন্তব্য করা হয়নি। মালদ্বীপের বিরোধী দলগুলির অবশ্য উদ্বেগে পড়ে যাওয়ায় যথেষ্ট কারণও আছে। ভারতের সহায়তা ছাড়া মালদ্বীপ যে কার্যত অচল, তা দিনকয়েক আগে কোনও রাখঢাক না করে স্বীকার করে নেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট নাশেদ। সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, ভারতকে ছাড়া তাঁদের দেশের বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। সুরক্ষা এবং নিরাপত্তার জন্য ভারতকে মালদ্বীপের প্রয়োজন বলেও জানিয়েছিলেন নাশেদ।
এমনিতে ভারত-বিরোধী প্রচারের মাধ্যমেই মুইজ্জু ক্ষমতায় আসেন। তিনি প্রচারের সময় ‘ইন্ডিয়া আউট’ বলে ঝড় তুলেছিলেন। চিনের সঙ্গেও প্রবল দহরম-মহরম ছিল। তবে শেষপর্যন্ত রাষ্ট্রপতির কুর্সিতে বসার পরে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছেন মুইজ্জু। ভারতও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। একাধিক ক্ষেত্রে সাহায্য করে যাচ্ছে।
ভারতের উপরে নির্ভরশীল মালদ্বীপ
তা নিয়ে মালদ্বীপের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি বলেছিলেন, ‘আপনি যখন সরকারে আসতে চান, তখন আপনি যা খুশি বলে যেতে পারেন। কিন্তু একবার সরকারে এসে যাওয়ার পরে আপনি অনুভব করেন যে এগুলো বলা যাবে না। আপনাকে বিধান মেনে চলতে হবে। আমার মনে হয় যে আমরা ভারতকে ছাড়া বাঁচতে পারব না। আমাদের অবশ্যই সেটা বুঝতে হবে এবং তাতে স্বীকৃতি দিতে হবে।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


