Maldives on Indian Help: ভারতকে ছাড়া আমরা বাঁচতে পারব না- বাংলাদেশে দাঁড়িয়ে তারেক রহমান সরকারকে আয়না দেখাল ছোট্ট মুসলিম দেশ। ঢাকায় 'বে অফ বেঙ্গল কনভারসেশন'-এ যোগ দিতে এসে মালদ্বীপের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি মহম্মদ নাশেদ দাবি করেন, ভারতকে ছাড়া তাঁদের দেশের বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। সুরক্ষা এবং নিরাপত্তার জন্য ভারতকে মালদ্বীপের প্রয়োজন বলেও জানান নাশেদ। সেইসঙ্গে ভারত এবং বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে তিনি পরামর্শ দিয়েছেন যে ‘প্যাচ-আপ’ করে নেওয়া হোক দ্রুত। অর্থাৎ মেরামত করে নেওয়া হোক সম্পর্ক।
‘আমাদের ভারতকে প্রয়োজন’

আর ভারত কতটা গুরুত্বপূর্ণ মালদ্বীপের জন্য, সেটা ব্যাখ্যা করে সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের সাক্ষাৎকারে দ্বীপরাষ্ট্রের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি বলেছেন, 'আপনারা জানেন, আমাদের সকলেরই ভূমিকা আছে। তবে আমাদের আলাদা-আলাদা ভূমিকা আছে। সুরক্ষা এবং নিরাপত্তার জন্য আমাদের ভারতকে প্রয়োজন।'
ভারতীয় আধিকারিকদের প্রশংসায় মালদ্বীপের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি
সেইসঙ্গে তিনি বলেছেন, 'আমি সবসময় দেখেছি, যে কোনও ভারতীয় অফিসারকে যা খুশি বলতে পারি, তাঁরা আমার কথা মন দিয়ে শোনেন। আমরা খুব, খুব ছোটো দেশ। তারপরও ওঁরা (আমাদের) কথা শোনেন। নিজের সুরক্ষা, নিজের নিরাপত্তার জন্য কত অর্থ খরচ করতে পারে (মালদ্বীপ)? মানে আমি বলছি যে মিলিটারির জন্য কত অর্থ খরচ করতে পারে (মালদ্বীপ)? খুব বেশি নয়।'
বিরোধী হিসেবে অনেক কিছু বলা যায়, মুইজ্জুকে নিশানা
অথচ তাঁর দেশের রাষ্ট্রপতির কুর্সিতে যে মহম্মদ মুইজ্জু বসে আছেন, তিনি প্রচারের সময় ‘ইন্ডিয়া আউট’ বলে ঝড় তুলেছিলেন। চিনের সঙ্গেও প্রবল দহরম-মহরম ছিল। তবে শেষপর্যন্ত রাষ্ট্রপতির কুর্সিতে বসার পরে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছেন মুইজ্জু।
{{/usCountry}}অথচ তাঁর দেশের রাষ্ট্রপতির কুর্সিতে যে মহম্মদ মুইজ্জু বসে আছেন, তিনি প্রচারের সময় ‘ইন্ডিয়া আউট’ বলে ঝড় তুলেছিলেন। চিনের সঙ্গেও প্রবল দহরম-মহরম ছিল। তবে শেষপর্যন্ত রাষ্ট্রপতির কুর্সিতে বসার পরে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছেন মুইজ্জু।
{{/usCountry}}সেই বিষয়টি ব্যাখ্যা করে মালদ্বীপের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি বলেছেন, ‘আপনি যখন সরকারে আসতে চান, তখন আপনি যা খুশি বলে যেতে পারেন। কিন্তু একবার সরকারে এসে যাওয়ার পরে আপনি অনুভব করেন যে এগুলো বলা যাবে না। আপনাকে বিধান মেনে চলতে হবে। আমার মনে হয় যে আমরা ভারতকে ছাড়া বাঁচতে পারব না। আমাদের অবশ্যই সেটা বুঝতে হবে এবং তাতে স্বীকৃতি দিতে হবে।’
আর তিনি যখন সেই মন্তব্য করেছেন, তখন ভারত এবং বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে কিছুটা টানাপোড়েন চলছে। বিভিন্নরকমের বার্তা দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশ থেকে। সেই আবহে মালদ্বীপের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি আদতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক এবং পারিষদকে আয়না দেখালেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।