Jaishankar-Iran FM talk: ইরানের ফোন পেলেন জয়শঙ্কর, ট্রাম্পের হুমকির মধ্যেই হল কথা, হরমুজে বহাল উত্তেজনা
এস জয়শঙ্করের কাছে আসা এই ফোন কলটি প্রমাণ করে যে, বিশ্ব যখন যুদ্ধের কিনারে দাঁড়িয়ে থাকে, তখন শান্তির পথ খুঁজতে সবাই ভারতের দিকেই তাকিয়ে থাকে। আগামীর দিনগুলোতে ভারত কীভাবে এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রাখে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ 'হরমুজ প্রণালী' নিয়ে তৈরি হওয়া সংকট এখন এক নতুন মোড় নিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রণালীকে কেন্দ্র করে ইরানকে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বা ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছেন। ট্রাম্পের এই কড়া বার্তার পরই ইরানের পক্ষ থেকে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের কাছে ফোন আসে। ফোন করেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তবে সেই ফোনালাপে কী কথা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি জয়শঙ্কর। তিনি শুধু বলেছেন, 'ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির থেকে ফোন পেলাম। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হল।' আলোচনায় হরমুজ প্রণালী উঠে এসেছে কিনা, তা স্পষ্ট নয়।

আরও পড়ুন: ফের উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য! ইরানের আকাশে 'রহস্যময় বস্তু', US পাইলটদের উদ্ধার অভিযানে নিহত ৫
ট্রাম্পের ডেডলাইন ও হরমুজ প্রণালীর গুরুত্ব
হরমুজ প্রণালী হল বিশ্বের তেলের বাণিজ্যের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ধমনী। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহ এবং এলপিজি সরবরাহ বড় অংশ এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ইরান যদি এই পথে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে কোনও প্রকার বিঘ্ন ঘটায়, তবে তার ফল হবে অত্যন্ত ভয়াবহ। ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারি ইরানকে কোণঠাসা করার এক বড় প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী দিয়েছেন কলকাতায় হানার হুমকি!'বলি দেব,আয়'… ‘ধুরন্ধর’ মিমের বন্যা
কেন ভারতকে ফোন করল ইরান?
ইরান জানে যে, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে ভারত একটি প্রভাবশালী দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। একদিকে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ কৌশলগত সম্পর্ক, অন্যদিকে ইরানের সঙ্গে ভারতের ঐতিহাসিক ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ—এই ভারসাম্য ভারতকে এক অনন্য মধ্যস্থতাকারীর আসনে বসিয়েছে। ইরানের বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের সঙ্গে ফোনালাপে বর্তমান সংকট নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং ভারতের সহযোগিতা বা অন্ততপক্ষে এক নিরপেক্ষ মধ্যস্থতার প্রত্যাশা করেছেন।
ভারতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ
ভারতের জন্য এই পরিস্থিতি 'শাঁখের করাত'-এর মতো। ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তার একটি বড় অংশ এই হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরশীল। যদি কোনও কারণে এই পথে যুদ্ধ বা অস্থিরতা শুরু হয়, তবে ভারতে তেলের দাম আকাশছোঁয়া হতে পারে, যা দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরণের প্রভাব ফেলবে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


