ওসমান হাদির খুনের ঘটনায় জামায়াতে ইসলামি এবং বিএনপির হাত থাকতে পারে। এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ফয়জল করিম মাসুদ। শুধু তাই নয়, হাদিকে জামায়াতের ‘প্রোডাক্ট’ এবং ‘জঙ্গি’ বলেও আক্রমণ করেছেন। রবিবার বিধাননগর আদালতে পেশ করার পরে যখন ফয়জলকে জেলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, সেইসময় ফয়জল বলেন, 'আমি এসব কাজের সঙ্গে জড়িত নই। আমি খুন করিনি। এটা জামায়াতে এবং বিএনপির চাল হতে পারে। আপনারা যে হাদি-হাদি করছেন, বাংলাদেশের মানুষ যে হাদি-হাদি করছেন, হাদি তো আসলে একটা জামায়তের প্রোডাক্ট। ও তো একটা জঙ্গি।'

আরও পড়ুন: Global Terrorism Index: সন্ত্রাসবাদ সূচকে শীর্ষে পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশ এই তালিকায় কত নম্বরে?
হাদিকে খুন, মৃত্যু, অভিযুক্তদের গ্রেফতার পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের
আর ফয়জল সেই মন্তব্য করেছেন এমন একটা দিনে, যেদিন তাঁকে জেরা করার জন্য আদালতে আবেদন জানিয়েছে ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকায় হাদিকে গুলি করা হয়েছিল। মৃত্যু হয়েছিল ১৮ ডিসেম্বর। তারপর চলতি বছরের ৮ মার্চ বনগাঁও থেকে দুই অভিযুক্ত ফয়জল এবং তাঁর সহযোগী আলমগির হোসেনকে (৩৪) গ্রেফতার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)।
NIA-কে জেরা করার অনুমতি দিয়েছে আদালত
তারপর রবিবার ফয়জল এবং আলমগিরকে বিধাননগর আদালতে পেশ করা হয়। ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরে তাঁদের আগামী ২ এপ্রিল পর্যন্ত জেলে পাঠানো হয়েছে। সেইসঙ্গে দমদম সংশোধনাগারে গিয়ে তাঁদের জেরা করার জন্য এনআইকে অনুমতি দিয়েছে আদালত। সেইসঙ্গে তাঁদের বিরুদ্ধে বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইনের ১৬ নম্বর ধারা এবং ১৮ নম্বর ধারা প্রয়োগ করার যে আবেদন জানায় এসটিএফ, তাও মঞ্জুর করেছেন বিচারক।
{{/usCountry}}তারপর রবিবার ফয়জল এবং আলমগিরকে বিধাননগর আদালতে পেশ করা হয়। ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরে তাঁদের আগামী ২ এপ্রিল পর্যন্ত জেলে পাঠানো হয়েছে। সেইসঙ্গে দমদম সংশোধনাগারে গিয়ে তাঁদের জেরা করার জন্য এনআইকে অনুমতি দিয়েছে আদালত। সেইসঙ্গে তাঁদের বিরুদ্ধে বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইনের ১৬ নম্বর ধারা এবং ১৮ নম্বর ধারা প্রয়োগ করার যে আবেদন জানায় এসটিএফ, তাও মঞ্জুর করেছেন বিচারক।
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: ভারত থেকে বছরে কত পরিমাণ ডিজেল আমদানি করে বাংলাদেশ? দিল্লির ওপর কতটা নির্ভরশীল ঢাকা?
আমি গুলি করিনি, দাবি ফয়জলের
আর আদালতের সেই নির্দেশের পরে জেলে নিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ফয়জল দাবি করেন, তিনি হাদিকে খুন করেননি। পালটা সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন যে সিসিটিভি ফুটেজে তো তাঁকেই দেখা যাচ্ছে। তখন হাদির খুনে অন্যতম অভিযুক্ত বলেন, ‘সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়নি যে আমি গুলি করেছি। আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না।’