LPG Gas Cylinder KYC: LPG গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে বড় নিয়ম! আধার ছাড়া মিলবে না, কীভাবে e-KYC করবেন?
সাধারণ মানুষের রান্নাঘরের বাজেটে বড়সড় প্রভাব ফেলতে চলেছে রান্নার গ্যাস সংক্রান্ত একটি নিয়ম। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে রান্নার গ্যাসের অপব্যবহার রুখতে এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে ভর্তুকি পৌঁছে দিতে আধার ই-কেওয়াইসি (e-KYC) বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সাধারণ মানুষের রান্নাঘরের বাজেটে বড়সড় প্রভাব ফেলতে চলেছে রান্নার গ্যাস সংক্রান্ত একটি নিয়ম। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে রান্নার গ্যাসের অপব্যবহার রুখতে এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে ভর্তুকি পৌঁছে দিতে আধার ই-কেওয়াইসি (e-KYC) বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আপনি যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আপনার গ্যাস কানেকশনের সঙ্গে বায়োমেট্রিক যাচাইকরণ বা ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন না করেন, তবে আগামিদিনে গ্যাস সিলিন্ডার বুকিং বা ভর্তুকি পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় সমস্যায় পড়তে পারেন।

কেন এই নতুন নিয়ম?
সরকারের লক্ষ্য হল 'এক ব্যক্তি, এক কানেকশন' নীতি নিশ্চিত করা। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, এক ব্যক্তির নামে একাধিক অবৈধ গ্যাস কানেকশন রয়েছে অথবা মৃত ব্যক্তির নামেও সিলিন্ডার তোলা হচ্ছে। এই কালোবাজারি রুখতে এবং সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ভর্তুকির টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ করতেই আধার ভিত্তিক বায়োমেট্রিক যাচাইকরণ জরুরি করা হয়েছে। তেল কোম্পানিগুলো ইতিমধ্যে ডিলারদের এই বিষয়ে কড়া নির্দেশ পাঠিয়েছে।
ই-কেওয়াইসি না করলে কী হবে?
যদি কোনও গ্রাহক ই-কেওয়াইসি না করান, তবে তার কানেকশনটি 'সাসপেন্ড' বা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। তার জেরে সিলিন্ডার বুকিং সুবিধা করতে পারবেন না। রান্নার গ্যাসের ওপর পাওয়া সরকারি ভর্তুকি বন্ধ হয়ে যাবে। বাজার দরে কিনতে হতে পারে গ্যাস সিলিন্ডার।
কীভাবে ই-কেওয়াইসি করতে হবে?
১) গ্যাসের দোকানে গিয়ে
আপনার যে কোম্পানির গ্যাস (ইন্ডেন, এইচপি বা ভারত গ্যাস), সেই কোম্পানির স্থানীয় ডিলার বা এজেন্সিতে যান। সঙ্গে নিয়ে যান আপনার আধার কার্ড, গ্যাস কনজিউমার বুক এবং আধার লিঙ্কে থাকা মোবাইল ফোনটি। সেখানে বায়োমেট্রিক মেশিনে আঙুলের ছাপ দিয়ে আপনি সহজেই কয়েক মিনিটের মধ্যে ই-কেওয়াইসি সম্পূর্ণ করতে পারেন।
২) মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে (অনলাইন)
বাড়িতে বসেও এখন ই-কেওয়াইসি করা সম্ভব। এর জন্য আপনাকে সংশ্লিষ্ট গ্যাস কোম্পানির অফিশিয়াল অ্যাপ (যেমন- Hello BPCL, IndianOil One বা HP Pay) ডাউনলোড করতে হবে। অ্যাপে লগ-ইন করে 'Re-KYC' অপশনে গিয়ে আধার ফেস অথেন্টিকেশন ব্যবহার করে আপনার মুখমণ্ডল স্ক্যান করে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন। তবে এর জন্য ফোনে 'AadhaarFaceRD' অ্যাপটি ইনস্টল থাকা প্রয়োজন।
কাদের জন্য ই-কেওয়াইসি জরুরি?
উজ্জ্বলা যোজনার গ্রাহক থেকে শুরু করে সাধারণ সাধারণ কানেকশন ০ প্রত্যেক গ্রাহকের জন্যই এই যাচাইকরণ প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক। বিশেষ করে যাদের কানেকশন অনেক পুরনো এবং যাদের আধার নম্বর এখনও ব্যাঙ্কিং বা গ্যাস অ্যাকাউন্টের সাথে সঠিকভাবে লিঙ্ক করা নেই, তাঁদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই কাজ সারতে হবে।
ডেলিভারি বয়দের মাধ্যমে যাচাইকরণ
অনেক ক্ষেত্রে তেল কোম্পানিগুলো ডেলিভারি বয়দেরও এই দায়িত্ব দিচ্ছে। গ্যাস সিলিন্ডার ডেলিভারি দেওয়ার সময় তাঁরা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে গ্রাহকের বায়োমেট্রিক বা ফেস স্ক্যান করে কেওয়াইসি আপডেট করে দিচ্ছেন। তবে জালিয়াতি থেকে বাঁচতে সতর্ক থাকবেন - ব্যাঙ্ক ডিটেইলস বা ওটিপি শেয়ার করার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন যে ব্যক্তিটি প্রকৃতই আপনার গ্যাস এজেন্সির কর্মী কিনা।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


