NEET UG 2026 Topper Vaishnavi Das: মন্দিরের সামনেই পান সুখবর, একাদশ শ্রেণিতে ইনস্টাগ্রাম বন্ধ করে দেন NEET ‘টপার’
NEET UG 2026 Topper Vaishnavi Das: সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা নিট পরীক্ষায় ৭২০ নম্বরের মধ্যে ৭০০ নম্বর পেয়ে দেশে ২০ তম স্থান অধিকার করেছেন বৈষ্ণবী দাস। যিনি একাদশ শ্রেণিতে উঠেই ইনস্টাগ্রাম বন্ধ করে দেন।
NEET UG 2026 Topper Vaishnavi Das: সোশ্যাল মিডিয়ার নেশা এক মারাত্মক বিষয়। সোয়াইপ করতে-করতে যে কত সময় চলে যায়, তার ইয়ত্তা নেই। আর সেই বিষয়টি আগে থেকে অনুধাবন করে একাদশ শ্রেণিতেই সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরত্ব তৈরি করেন। জোর দেন সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকার (নিট) প্রস্তুতিতে। আর সেটার ফলও পেয়েছেন। নিটে ৭২০ নম্বরের মধ্যে ৭০০ নম্বর পেয়ে দেশে ২০ তম স্থান অধিকার করেছেন বৈষ্ণবী দাস। সংবাদমাধ্যম এএনআইয়ের সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, একাদশ শ্রেণিতে উঠেই ইনস্টাগ্রাম ডিঅ্যাক্টিভেট করে দেন। কারণ তাঁর মনে হয়েছিল যে সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় থাকলে মনোযোগের বিচ্যুত হতে পারে।

এমনিতে বৈষ্ণবী যখন অষ্টম শ্রেণিতে পড়তেন, তখনই নিজের জীবনের আসল লক্ষ্য স্থির করে ফেলেছিলেন - চিকিৎসক হতেই হবে। সেই স্বপ্নকে সত্যি করতেই মাধ্যমিকের পর থেকেই নিটের প্রস্তুতিতে মনোযোগ দিয়েছিলেন। একেবারে নিয়ম করে পড়াশোনা করতেন। আর সেটার ফল পেয়েছেন নিট পরীক্ষায়।
মন্দির পার হওয়ার পরেই নিটের রেজাল্ট ঘোষণা
ওই সাক্ষাৎকারে বৈষ্ণবী জানিয়েছেন, নিটের রেজাল্টের দিন রথযাত্রা দেখতে যাচ্ছিলেন। বাবা-মায়ের সঙ্গে গাড়িতে ছিলেন। একটি মন্দির পার হওয়ার পরই দেখেন যে নিটের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। দ্রুত রেজাল্ট দেখেন। সেখানেই দেখেন যে সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকায় ২০ তম স্থান অধিকার করেছেন বৈষ্ণবী।
আরও পড়ুন: Success Story: মা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, ছেলে প্রথমবারেই PSC পরীক্ষায় বাজিমাত করে হলেন মহকুমা শাসক
জুনিয়রদের কী পরামর্শ দিলেন বৈষ্ণবী?
আর সেই সাফল্যের পরে নিজের অভিজ্ঞতা থেকে ভবিষ্যতের প্রার্থীদের জন্যও বৈষ্ণবী বিশেষ টিপস দিয়েছেন। সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘নিট পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া জুনিয়রদের যদি একটি কথাই বলতে হয়, তবে বলব যে কোনওভাবেইই আশা হারিয়ে ফেলবে না। নিট কোনও স্বল্পমেয়াদী লক্ষ্য নয়; এটি এমন একটি সিদ্ধান্ত, যা সারাজীবনের দিক নির্দেশ করে। এটি এমন এক পেশা, যেখানে তোমরা মানুষের সেবায় নিজের জীবন উৎসর্গ করবে।’
কীভাবে পড়তে হবে? টিপস বৈষ্ণবীর
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পড়াশোনার সময় আমি সবসময়ই সিলেবাসের বিষয়গুলো শেষ করার জন্য নির্দিষ্ট লক্ষ্য (যেমন—দৈনিক বা সাপ্তাহিক লক্ষ্য) নির্ধারণ করতাম। তোমাদের লক্ষ্যগুলো একটি কাগজে লিখে পড়ার টেবিলের সামনে রেখে দাও। সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণের উপরে পুরোপুরি মনোযোগ দাও। পড়াশোনায় কত সময় লাগছে, তা নিয়ে কোনও দুশ্চিন্তা করবে না; কেবল পড়াশোনায় মন দাও।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


