Russian Plague Lab Bioweapon Theory: 'জৈবিক অস্ত্রে' মৃত্যু রাশিয়ার ল্যাব কর্মীর? হইচই, কোভিডের মতো মহামারীর ভয় আছে?
Russian Plague Lab Bioweapon Theory: 'জৈবিক অস্ত্রে' মৃত্যু হয়েছে রাশিয়ার সেই ল্যাব কর্মীর? সেই বিষয়টি নিয়ে হইচই শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। কোভিডের মতো মহামারীর ভয় আছে?
Russian Plague Lab Bioweapon Theory: রাশিয়ার প্লেগ ল্যাবরেটরিতে এক কর্মীর রহস্যজনক মৃত্যুর জেরে ছড়িয়েছে আতঙ্ক। এমনকী একটি মহলের তরফে তো ‘জৈবিক অস্ত্র’-র তত্ত্বও ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও সেই তত্ত্ব কার্যত খারিজ করে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংবাদসংস্থা এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওভাল অফিসে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে রাশিয়ার ঘটনার সঙ্গে কোনও ‘জৈবিক অস্ত্র’-র যোগসূত্র আছে কিনা। সেটার প্রেক্ষিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমাদের সেটা মনে হয় না। আমি শীঘ্রই সেটা খুঁজে বের করব। তবে (আপাতত) আমাদের সেটা মনে হয় না।’

কোভিডের সময় চিনও বেশি কিছু বলেনি, মুখ খুললেন ট্রাম্প
তবে ট্রাম্প জানিয়েছেন যে রাশিয়ার ঘটনা নিয়ে বিশেষ তথ্য প্রকাশ্যে আনা হয়নি। মস্কোর তরফে দাবি করা হয়েছে যে পুরো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আছে। কিন্তু অতীতে অন্যান্য বিষয়েও রাশিয়া এরকম মন্তব্য করেছে বলে দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেই রেশ ধরে কোভিড মহামারীর সময় প্রাথমিকভাবে চিনের প্রতিক্রিয়ার প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, ‘চিনও বেশি কিছু বলেনি। রাশিয়াও বেশি কিছু বলছে না। তবে ওরা (রাশিয়া) বলছে যে পুরো পরিস্থিতিটা ওদের নিয়ন্ত্রণে আছে।’
সাইবেরিয়ায় মহামারীর আশঙ্কা নেই, বলল রাশিয়া
তারইমধ্যে রাশিয়ার তরফে জানানো হয়েছে, দ্বিতীয় সম্ভাব্য সংক্রমণের যে দাবি করা হচ্ছে, তা পুরোপুরি ভিত্তিহীন। সংবাদসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাশিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার তরফে দাবি করা হয়েছে যে সাইবেরিয়ায় কোনও মহামারীর আশঙ্কা নেই।
'৫,০০০ ল্যাব টেস্টেও বিপজ্জনক প্যাথোজেনের হদিশ মেলেনি'
আসলে গত শুক্রবার সাইবেরিয়ার একটি প্লেগ গবেষণাকেন্দ্রের ২৮ বছরের কর্মী দারিয়া শিপিলোভার মৃত্যু হয়। তারপরই ছড়ায় আতঙ্ক। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে দারিয়ার সংস্পর্শে আসা প্রায় ২০০ জন কোয়ারান্টাইনে রাখা হয়। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাশিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রকের তরফে দাবি করা হয়েছে যে দারিয়ার মৃত্যুর পরে যাঁদের কোয়ারান্টাইনে রাখা হয়েছিল, তাঁদের ৯০ শতাংশকেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কারণ প্রায় ৫,০০০ ল্যাব টেস্টেও কোনওরকম বিপজ্জনক প্যাথোজেনের হদিশ মেলেনি। দারিয়ার আগে থেকেই টিকা নেওয়া ছিল। ফলে কোনও বিপজ্জনক সংক্রমণের আশঙ্কা ছিল না।
রাশিয়ার তরফে দাবি করা হয়েছে, দারিয়া নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। যার উৎসের বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে নিউমোনিয়ার প্রতিটি নির্দিষ্ট ঘটনার উৎস বা কারণ প্রায়শই নির্ধারণ করা সম্ভব হয় না।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


