Trump waives Russia-related sanctions: কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ‘জাতীয় স্বার্থে’ রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা আইনের কয়েকটি বিষয়ের উপরে স্থগিতাদেশ চাপানোর জন্য কার্যনির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করলেন। আর তার ফলে রাশিয়ার থেকে তেল এবং গ্যাস কেনার জন্য ভারত এবং আরও চারটি দেশের আওতায় ‘শাস্তিমূলক’ শুল্ক চাপানো হচ্ছে না আপাতত। এক্ষেত্রে ওই দেশগুলিকে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে মার্কিন কংগ্রেসকে জানিয়েছেন ট্রাম্প।
মিড-টার্ম নির্বাচনের ভয় গ্রাস করেছে ট্রাম্পকে?

যদিও ট্রাম্পের সেই ‘জাতীয় স্বার্থের’ নেপথ্যে আদতে আমেরিকার মিড-টার্ম নির্বাচনের ভয় আছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। আগামী ৩ নভেম্বর আমেরিকায় সেই ভোট হবে। তার আগে আমেরিকানদের মন পেতে রাশিয়ার থেকে বিশাল পরিমাণে ডিজেল কেনার কথা ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যে ট্রাম্প রাশিয়ার থেকে তেল কেনার জন্য কয়েক ঘণ্টা আগেও হুঁশিয়ারি দিতেন, সেই তিনিই বিভিন্ন ইস্যুতে দেশের অন্দরে বেকায়দায় পড়ে যাওয়ায় রাশিয়ার থেকে ডিজেল কেনার কথা ঘোষণা করেন।
আর সেই ঘোষণার পরে তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েন ট্রাম্প। বিভিন্ন মহল থেকে ট্রাম্পের ‘ধান্দাবাজি’ নিয়েও আওতায় উঠতে থাকে। প্রশ্ন উঠতে থাকে, যিনি রাশিয়ার তেল কেনার জন্য অন্য দেশের উপরে ‘শাস্তিমূলক’ শুল্ক চাপাতে চান, তিনি কিনা নিজেই ভ্লাদিমির পুতিনদের থেকে ডিজেল কিনবেন?
সেই সমালোচনা এবং কটাক্ষের মুখেই ট্রাম্প জানালেন, রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা আইন আপাতত স্থগিত থাকছে। যে আইন কয়েক সপ্তাহ আগেই স্বাক্ষর করা হয়েছিল। তা নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়াও দিয়েছিল ভারত। তবে ট্রাম্পের নয়া সিদ্ধান্তের ফলে রাশিয়ার তেল কেনার জন্য ভারতের উপরে কোনও শুল্ক চাপানো হবে না আমেরিকার তরফে।
{{/usCountry}}সেই সমালোচনা এবং কটাক্ষের মুখেই ট্রাম্প জানালেন, রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা আইন আপাতত স্থগিত থাকছে। যে আইন কয়েক সপ্তাহ আগেই স্বাক্ষর করা হয়েছিল। তা নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়াও দিয়েছিল ভারত। তবে ট্রাম্পের নয়া সিদ্ধান্তের ফলে রাশিয়ার তেল কেনার জন্য ভারতের উপরে কোনও শুল্ক চাপানো হবে না আমেরিকার তরফে।
{{/usCountry}}ট্রাম্পের উপরে খেপে আগুন আমেরিকানদের বড় অংশ
এমনিতে মিড-টার্ম নির্বাচনের আগে যথেষ্ট বেকায়দায় আছেন ট্রাম্প। এই নির্বাচনে ট্রাম্পের কুর্সি যাবে না। কিন্তু নির্বাচনী ফলাফলের উপরে অনেকটাই নির্ভর করবে যে মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাত কতটা বাঁধা থাকবে। সেই আবহে গত ১ অক্টোবর সংবাদসংস্থা এপি এবং এনওআরসি সেন্টার ফর পাবলিক অ্যাফেয়ার্স রিসার্চের ভোটাভুটিতে দেখা যায় যে ট্রাম্পের উপরে খেপে আছেন আমেরিকানদের বড় অংশই। জিনিসপত্রের উচ্চমূল্যের জন্য তাঁরা ট্রাম্পকেই দুষেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট যেভাবে অর্থনীতি সামলাচ্ছেন, তা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
ইরান যুদ্ধের ‘বোমা’ পড়বে ট্রাম্পের কুর্সিতেই?
ওই ভোটাভুটিতে দেখা গিয়েছে, যেভাবে ইরান যুদ্ধ সামলেছেন ট্রাম্প, তা মোটেও পছন্দ হয়নি মার্কিন জনতার। এমনকী তাঁর ‘অ্যাপ্রুভাল রেটিং’ একেবারে তলানিতে ঠেকেছে। তাঁর সবথেকে পারফরম্যান্সের কাছে পৌঁছে গিয়েছে সেই রেটিং।