Pakistan Army Latest Update: পাকিস্তান তোমার বাবাদের সম্পত্তি নয়! সেনাপ্রধান মুনিরদের হুঙ্কার মুসলিম নেতার
Pakistan Army Latest Update: পাকিস্তানি সেনার প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরদের সতর্ক করলেন জামিয়াত-উলেমা-ই-ইসলামের (এফ) প্রধান ফজলুর রহমান। কড়া ভাষায় জানিয়েছেন যে পাকিস্তান তাঁদের পারিবারিক সম্পত্তি নয়।
Pakistan Army Latest Update: পাকিস্তানি সেনাকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন ফজলুর রহমান। সেনাপ্রধান আসিম মুনিরদের সতর্ক করে জামিয়াত-উলেমা-ই-ইসলামের (এফ) প্রধান বলেছেন যে পাকিস্তানকে যেন নিজের পারিবারিক সম্পত্তি ভেবে না বসেন তাঁরা। আর লোভে পড়ে নিজেদের হাতে বেশি ক্ষমতা নিতে গেলে ১৯৭১ সালের পুনরাবৃত্তিও হতে পারে। যেভাবে ৯৩,০০০ পাকিস্তানি সৈন্যের আত্মসমর্পণের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল, সেই ক্ষতও খুঁচিয়ে দিয়েছেন জামিয়াত প্রধান।

পাকিস্তানকে ভেঙে টুকরো-টুকরো করার ছক মুনিরের?
তিনি সেই মন্তব্য করেছেন মুনিরদের নয়া পরিকল্পনা নিয়ে সামনে আসা একটি রিপোর্টের প্রেক্ষিতে। নয়া রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, মুনির নাকি নিজের হাতে ক্ষমতা রাখতে পাকিস্তানের চারটি বড় প্রদেশকে ভেঙে টুকরো-টুকরো করে ফেলতে চাইছেন, যাতে সেইসব অঞ্চলের মাথায় ‘খাস’ লোকেদের বসিয়ে ঘুরিয়ে নিজের হাতে ক্ষমতা রাখতে পারেন।
সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পঞ্জাব, সিন্ধ, খাইবার পাখতুনখাওয়া এবং বালোচিস্তানকে এক ডজন বা তারও বেশি, এমনকী ১৬০টি অংশেও ভেঙে ফেলার পরিকল্পনা চালাচ্ছেন পাকিস্তানি সেনাপ্রধান। একাংশের ধারণা, মুনির আসলে সব রাজনৈতিক দলকে তুলে দিতে চাইছেন। সামরিক শাসনেরও মধ্যে পঞ্জাব এবং সিন্ধ প্রদেশে কিছুটা নিজস্ব শাসনব্যবস্থা মাথা তুলে তাকাতে পারে। কিন্তু মুনির সেই সুযোগটাও বন্ধ করে দিয়ে নিজের হাতে পুরো ক্ষমতা নিয়ে নিতে চাইছেন।
নাগরিক সমাজ ও রাজনৈতিক মহল পরিণত হবে নেহাত পুতুলে?
সেই আবহে জামিয়াত-উলেমা-ই-ইসলামের (এফ) সতর্ক করে জানিয়েছেন যে পাকিস্তানি সেনার হাতে অতিরিক্ত ক্ষমতা থাকলে তাহলে দেশের রাজনৈতিক এবং নাগরিক সমাজ কার্যত পুতুলে পরিণত হবে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে স্রেফ দর্শক বানিয়ে রাখলে নাগরিক সমাজ বা রাজনৈতিক মহলের তরফে কোনওরকম সহায়তা আশা না করাই ভালো বলে পাকিস্তানি সেনাকে সতর্ক করে দিয়েছেন জামিয়াত-উলেমা-ই-ইসলামের (এফ) প্রধান।
'পাকিস্তানি সেনার স্বেচ্ছাচার ও নিজেদের পকেট ভরানো'
এমনিতে দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানের আসল ক্ষমতা আছে সেনার হাতেই। মুনির হোক বা তাঁর পূর্বসূরি- সকলেই সাধারণ পাকিস্তানিদের পায়ের তলায় পিষে মেরে নিজেদের ফায়দা লুটতে ব্যস্ত ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, পাকিস্তানের সাধারণ মানুষদের কী হল, সেটা নিয়ে বিন্দুমাত্র চিন্তিত নন মুনিররা। বরং নিজেদের হাতে ক্ষমতার কুক্ষিগত করে রেখে দেশে-বিদেশে রাজার হালে জীবনযাপন করে থাকেন বলে অভিযোগ ওঠে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


