Indian Diplomat Petal Gahlot to Pakistan: পাকিস্তানি সেনার পুতুল থেকে হিপোক্রিট (ভণ্ড)- রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে পাকিস্তানকে পুরোপুরি ধুয়ে দিল ভারত। আর রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের মঞ্চে সেই কাজটা যিনি করলেন, তিনি হলেন কূটনীতিবিদ পেটাল গেহলট। যিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের যেন ত্রাস হয়ে উঠেছেন। কারণ ২০২৫ সালেও শেহবাজের ভাষণের কড়া জবাব দিয়েছিলেন রাষ্ট্রসংঘে। এবারও ঠিক সেটাই হল। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের প্রত্যুত্তরে ভারতীয় কূটনীতিবিদ একেবারে কড়া ভাষায় বলেন, ‘বছরের পর বছর ধরে মিথ্যা কথা বলতে থাকলেেই সেটা সত্যি হয়ে যায় না। পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদ, জোচ্চুরি এবং ছলনা - কোনওটাই না নিজের কাজে আসবে, না বিশ্বের কাজে আসবে।’
কারা গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়েে জ্ঞান দিচ্ছে! কটাক্ষ ভারতের

আর তিনি সেই মন্তব্য করেছেন ভারতের প্রত্যুত্তরের অধিকারের ভিত্তিতে। প্রাথমিকভাবে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যে ভাষণ দেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, তাতে ভারতকে টেনে আনেন দেশে নিজের কুর্সি বাঁচাতে। তারই পালটা হিসেবে ভারতীয় কূটনীতিবিদ বলেন, ‘আমরা এমন একচি শাসনের থেকে গণতান্ত্রিক অধিকার ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে ভণ্ডসুলভ বয়ান শুনলাম, যাদের রাজধানীকে ঠিক এই মুহূর্তে দুর্গে পরিণত করা হয়েছে নিজেদের জনগণের বিরুদ্ধেই।'
শেহবাজ শরিফরা পাকিস্তানি সেনার হাতের পুতুল
সেই রেশ ধরে ভারতীয় কূটনীতিবিদ বলেন, 'এমনটা ঘটার কারণ হল- এটা সেনার, সেনার দ্বারা এবং সেনার জন্য পরিচালিত একটি সরকার। তাদের হাতের পুতুলরা (এক্ষেত্রে শেহবাজ শরিফ) হয়তো আসবে আর যাবে। কিন্তু প্রকৃত ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ কার হাতে আছে, তা নিয়ে আমাদের যেন কোনও ভ্রান্ত ধারণা না থাকে।’
ইউরোপ থেকে রাষ্ট্রসংঘ- পেটাল একজন অভিজ্ঞ কূটনীতিবিদ
ভারতের অত্যন্ত অভিজ্ঞ কূটনীতিবিদ হলেন পেটাল গেহলট। ২০১৫ সালের আইএফএস (ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিসেস) অফিসার তিনি। ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। ২০২০ সালের জুন থেকে ২০২৩ সালের জুলাই পর্যন্ত ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের ইউরোপিয়ান ওয়েস্ট ডিভিশনের আন্ডার-সেক্রেটারি ছিলেন। তারপর ২০২৩ সালের জুলাইয়ে রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী মিশনে যোগ দেন ফার্স্ট সেক্রেটারি হিসেবে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্রসংষে উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত হন।
{{/usCountry}}ভারতের অত্যন্ত অভিজ্ঞ কূটনীতিবিদ হলেন পেটাল গেহলট। ২০১৫ সালের আইএফএস (ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিসেস) অফিসার তিনি। ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। ২০২০ সালের জুন থেকে ২০২৩ সালের জুলাই পর্যন্ত ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের ইউরোপিয়ান ওয়েস্ট ডিভিশনের আন্ডার-সেক্রেটারি ছিলেন। তারপর ২০২৩ সালের জুলাইয়ে রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী মিশনে যোগ দেন ফার্স্ট সেক্রেটারি হিসেবে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্রসংষে উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত হন।
{{/usCountry}}রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ফরাসি সাহিত্য থেকে ভাষা- সবেতেই অবাধ বিচরণ
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির রিপোর্ট অনুযায়ী, পলিটিক্যাল সায়েন্স, সোশিয়োলজি এবং ফরাসি সাহিত্যে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন পারুল। তারপর দিল্লির লেডি শ্রীরাম কলেজ ফর উইমেন থেকে পলিটিক্যাল সায়েন্সেই স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন (২০১০ সাল থেকে ২০১২ সাল)। পরবর্তীতে আমেরিকার মন্টেরির মিডলবেরি ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ থেকে ‘ল্যাঙ্গুয়েজ ইন্টারপ্রিটেশন অ্যান্ড ট্রান্সলেশন’-এ আরও একটি স্নাতকোতর ডিগ্রি অর্জন করেন ভারতীয় কূটনীতিবিদ (২০১৮ সাল থেকে ২০২০ সাল)।
দুঁদে কূটনীতিবিদের পাশাপাশি দক্ষ সঙ্গীতশিল্পী
আর দুঁদে কূটনীতিবিদ হওয়ার পাশাপাশি পেটাল অত্যন্ত দক্ষ সঙ্গীতশিল্পী। সোশ্যাল মিডিয়ায় মাঝেমধ্যেই সেইসব ভিডিয়ো শেয়ার করেন। গিটারে বিভিন্ন গান বাজিয়ে থাকেন। যা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভালোমতো জনপ্রিয়।