সদ্য ঘোষিত হয়েছে শেখ হাসিনা-হীন বাংলাদেশে ভোটপর্বের দিনক্ষণ। এরপর থেকেই রক্তাক্ত বাংলাদেশ। সম্ভাব্য প্রার্থী হাদিকে টার্গেট করে গুলি চালনার ঘটনায় বাংলাদেশ জুড়ে চাঞ্চল্য। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ দেখেছে ছাত্র-জনমতা গণঅভ্যুত্থান। যার জেরে মসনদ থেকে পড়েছে শেখ হাসিনা সরকার। এরপর বাংলাদেশের তখতে এসেছে মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। ভারতের পড়শি দেশের এই রাজনৈতিক পালাবদল পর্বের মাঝে এবার ভারতের বিদেশমন্ত্রকের সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটির তরফে এল এক চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট।
সংসদীয় এই প্যানেলের নেতৃত্বে রয়েছেন শশী থারুর। রিপোর্টে উঠে আসা মূল্যায়ন বলছে, ঢাকার রাজনৈতিক অস্থিরতা নয়া দিল্লির মাথাব্যথার কারণ হতে পারে! বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের পর ভারতের জন্য অন্যতম বড় স্ট্র্যাটেজিক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠে আসতে পারে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশে চিন ও পাকিস্তানের মাথাচাড়া দেওয়া প্রভাব, ইসলামি শক্তিগুলির পুনরায় উত্থানের মতো বেশ কিছু ফ্যক্টরকে রিপোর্টে তুলে ধরা হয়েছে। শশী থারুরের নেতৃত্বাধীন এই কমিটি যে রিপোর্ট পেশ করেছে, সেখানে সরকারি ও বেসরকারি দুই তরফের বিশেষজ্ঞদের বার্তাই উঠে এসেছে বলে জানা গিয়েছে।
( Pakistan Beggars: বেইজ্জতির একশেষ! ৫৬ হাজার পাক ভিখারিকে পাকিস্তানে পাঠাল এই আরব দেশ, কী ঘটছে?)
( ‘এমনিতেই খুব টেনশন..’, ২৫ ডিসেম্বরের এক সপ্তাহ আগে কলকাতায় বড়দিনের উৎসবের সূচনায় কী বললেন মমতা?)
রিপোর্টে খুব প্রাসঙ্গিকভাবে বলা হয়েছে, যে ‘থ্রেট’ রয়েছে তা আর সামরিক বা অস্তিত্বগত নয়, তবে এটি আরও জটিল, স্থায়ী এবং দীর্ঘমেয়াদে সম্ভাব্য ক্ষতিকারক। রিপোর্ট বলছে, এখনই কোনও সেভাবে মাথাব্যথা উঠে না আসলেও, এর গভীর প্রভাবও থাকতে পারে। ঢাকায় কৌশলগত পুনর্বিন্যাসের ফলে এমন কিছু স্থায়ী চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে যা সময়ের সাথে সাথে ভারতের নিরাপত্তা এবং বিদেশ নীতির পরিবেশকে নতুন করে রূপ দিতে পারে, বার্তা রিপোর্টের। যা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে।
{{/usCountry}}রিপোর্টে খুব প্রাসঙ্গিকভাবে বলা হয়েছে, যে ‘থ্রেট’ রয়েছে তা আর সামরিক বা অস্তিত্বগত নয়, তবে এটি আরও জটিল, স্থায়ী এবং দীর্ঘমেয়াদে সম্ভাব্য ক্ষতিকারক। রিপোর্ট বলছে, এখনই কোনও সেভাবে মাথাব্যথা উঠে না আসলেও, এর গভীর প্রভাবও থাকতে পারে। ঢাকায় কৌশলগত পুনর্বিন্যাসের ফলে এমন কিছু স্থায়ী চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে যা সময়ের সাথে সাথে ভারতের নিরাপত্তা এবং বিদেশ নীতির পরিবেশকে নতুন করে রূপ দিতে পারে, বার্তা রিপোর্টের। যা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে।
{{/usCountry}}এছাড়াও বলা হচ্ছে, যেভাবে পাকিস্তান ও চিন নিজেদের প্রভাবের থাবা বাংলাদেশে জোরালো করছে, তাতে দিল্লির সঙ্গে ঢাকার দশক পুরনো ঐতিহ্যবাহী সম্পর্কে প্রভাব ফেলছে। এছাড়াও রিপোর্ট, ইসলামপন্থী গোষ্ঠীগুলির পুনরুত্থানের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে, এর সঙ্গে যুব নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী আবেগ একটি রাজনৈতিক শক্তি হিসাবে উঠে আসছে। এই সংমিশ্রণকে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার উপর প্রভাব ফেলতে পারে এমন একটি সম্ভাব্য অস্থিতিশীল কারণ হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে।
কমিটির প্রশ্ন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা কেন আগে থেকে আঁচ করা যায়নি? এক্ষেত্রে দিল্লি বলছে, বাংলাদেশের পরিস্থিতিকে ক্রমাগত নজরে রাখা হচ্ছে, আর তার মূল্যায়নও চলছে।