PM Modi creates history: দেশের ‘ধুরন্ধর’ হয়ে উঠলেন মোদী! নেপথ্যে ৮৯৩১-র অঙ্ক, ব্যাপারটা কী?
ইতিহাস গড়ে ফেললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যিনি ২০১৪ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার শপথগ্রহণ করেন। তারপর তাঁর নেতৃত্বেই বিজেপি ও এনডিএ জোট জিতেছে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচন। জিতেছে ২০২৪ সালের ভোট।
ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হল। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের প্রধান হিসেবে এক অভূতপূর্ব মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। তিনি টানা ৮,৯৩১ দিন (প্রায় ২৪ বছর ৫ মাস) সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে দীর্ঘতম মেয়াদের নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করলেন। এই দীর্ঘ যাত্রায় তিনি ভেঙে দিয়েছেন পবন চামলিংয়ের রেকর্ড। যিনি ৮,৯৩০ দিন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। আর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকার পরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শাসক জীবনের ২৫ তম বর্ষ চলচছে মোদীর।

গুজরাট থেকে দিল্লি: এক অবিস্মরণীয় যাত্রা
নরেন্দ্র মোদীর এই দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়েছিল ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর। যখন তিনি প্রথমবারের মতো গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেছিলেন। এরপর টানা তিন মেয়াদে তিনি গুজরাটের দায়িত্ব সামলান। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর পদার্পণ ঘটেছিল।
বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। আর ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেন মোদী। ২০১৪ সালের ২৬ মে ভারতের চতুর্দশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এরপর ২০১৯ এবং ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনেও তাঁর নেতৃত্বে এনডিএ জোট নিরঙ্কুশ বা সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে থাকার নিরিখে এখনও রেকর্ড নেহরুর হাতে
ভারতের ইতিহাসে (প্রধানমন্ত্রী হিসেবে) দীর্ঘতম সময় সরকার পরিচালনার রেকর্ড আছে জওহরলাল নেহরুর দখলে। ১৬ বছর ২৮৬ দিন (মোট ৬,১৩১ দিন) প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। অন্যদিকে ইন্দিরা গান্ধী ১৫ বছর ৯১ দিন এই পদে আসীন ছিলেন। মোদী ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হন। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৫ বছরের মেয়াদ পূরণ করবেন।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


