Maldives President in Pakistan Update: পাকের সঙ্গে ২০ মউ মালদ্বীপের, কয়েকদিন আগেই ভারতের থেকে নেয় ৩,০০০ কোটির সাহায্য
Maldives President in Pakistan Update: প্রতিরক্ষা, সামুদ্রিক সুরক্ষা-সহ পাকিস্তানের সঙ্গে ২০টি মউ স্বাক্ষর করল মালদ্বীপ। তিনদিনের সফরে পাকিস্তানে গিয়েছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু। সেখানেই একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
Maldives President in Pakistan Update: পাকিস্তানের সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ২০টি মউ স্বাক্ষর করল মালদ্বীপ। ইসলামাবাদের তরফে জানানো হয়েছে, প্রতিরক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তি, সাইবার সুরক্ষা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা, কৃষি, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, পর্যটন-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করার লক্ষ্যেই সেইসব মউ স্বাক্ষর করা হয়েছে। সেইসঙ্গে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জুর সঙ্গে সাক্ষাতের পরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ দাবি করেছেন, আগামী দু'বছরের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ একলপ্তে ১৩.৯ মিলিয়ন ডলার থেকে বাড়িয়ে ২০০ মিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে দু'দেশ। অর্থাৎ দু'বছরেই পাকিস্তান এবং মালদ্বীপের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ১৪ গুণের বেশি বাড়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

১১ বছর পরে পাক সফরে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট
এমনিতে মুইজ্জু যে ইসলামাবাদে গিয়েছেন, তা ১১ বছর পরে মালদ্বীপের কোনও প্রেসিডেন্ট প্রথম পাকিস্তান সফর। যে সফরে মালদ্বীপ এবং পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ৬০ বছর পূর্তিরও উদযাপন করা হচ্ছে।
তাতে দু'দেশের মধ্যে যে ‘মাখো-মাখো’ সম্পর্ক দেখা গিয়েছে, তা ভারতের জন্য কিছুটা হলেও উদ্বেগের বিষয়। কারণ ভারত মহাসাগরে অবস্থিত মালদ্বীপ কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় আছে। সমুদ্রপথে ভারতের সুরক্ষা, বাণিজ্যের মতো কারণে মালদ্বীপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দেশ। যে দেশকে বরাবর ব্যাপকভাবে সহায়তাও করে এসেছে ভারত।
মালদ্বীপকে ব্যাপক মাত্রায় সহায়তা করে এসেছে ভারত
আর সুরক্ষা, অর্থনীতি, পরিকাঠামো-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মালদ্বীপকে নয়াদিল্লি এতটাই সাহায্য করে যে ভোটে জেতার সময় ‘ভারত-বিরোধী’ ডাক দিয়েও ক্ষমতায় আসার কয়েকদিন পরই সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা করতে থাকেন খোদ মুইজ্জু। তিনি একটা সময় কার্যত চিনের হাতের পুতুল হিসেবে পরিচিত হলেও কুর্সিতে বসে বুঝতে পারেন যে ভারতই প্রকৃত বন্ধু। তারপর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ঠিক করারও চেষ্টা করেন। দিনকয়েক আগেই তাঁর সরকার ভারতকে ধন্যবাদ জানিয়েছে, কারণ মালদ্বীপের অনুরোধে সাড়া দিয়ে ৩,০০০ কোটি টাকার মুদ্রা বিনিময় সুবিধার প্রথম রোলওভারের অনুমোদন দিয়েছে নয়াদিল্লি।
ভারতকে ছাড়া বাঁচা সম্ভব নয় মালদ্বীপের, জানান প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি
এমনকী খোদ মালদ্বীপের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি মহম্মদ নাশেদ ভারতকে ছাড়া তাঁদের দেশের বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। তাঁর কথায়, ‘আপনি যখন সরকারে আসতে চান, তখন আপনি যা খুশি বলে যেতে পারেন। কিন্তু একবার সরকারে এসে যাওয়ার পরে আপনি অনুভব করেন যে এগুলো বলা যাবে না। আপনাকে বিধান মেনে চলতে হবে। আমার মনে হয় যে আমরা ভারতকে ছাড়া বাঁচতে পারব না। আমাদের অবশ্যই সেটা বুঝতে হবে এবং তাতে স্বীকৃতি দিতে হবে।’
তারপরও মুইজ্জু যে পাকিস্তানের সঙ্গে ‘মাখো-মাখো প্রেম’ দেখালেন, সেটা ভারতের দুশ্চিন্তা কিছুটা বাড়াবে। যদিও একাংশের ধারণা, পাকিস্তান যে যে ক্ষেত্রে মউ স্বাক্ষর করেছে, তার অধিকাংশ খাতেই নিজেদের কোনও মুরোদ নেই। চিনের মুখাপেক্ষী হয়ে চলতে হয়। ফলে পাকিস্তানকে নিয়ে বাড়তি চিন্তা হয়তো করতে হবে না নয়াদিল্লিকে। বরং চিন্তাটা মূলত চিনকে নিয়েই।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


