Note Exchange Rule: ৫০০ টাকার নোট পালটানোর নয়া নিয়ম জারি করল RBI? ভোটের মুখে জানাল কেন্দ্র
Note Exchange Rule: পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আবহে একটি মহলের তরফে ৫০০ টাকার নোট নিয়ে একটি দাবি ছড়িয়ে পড়েছে। তা নিয়ে মুখ খুলল কেন্দ্রীয় সরকার।
Note Exchange Rule: সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে যে কোনও খবর মুহূর্তের মধ্যে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে আর্থিক বিষয় সংক্রান্ত খবর সাধারণ মানুষকে দ্রুত প্রভাবিত করে। সম্প্রতি ইন্টারনেটে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি খবর তীব্র গতিতে ভাইরাল হয়েছিল। যেখানে দাবি করা হয়েছে যে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (আরবিআই) পুরনো ৫০০ এবং ১,০০০ টাকার নোট বদলানোর জন্য নতুন নিয়ম জারি করেছে। কিন্তু আসল সত্যটি হল, এই খবরটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং ভুয়ো।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো বিভ্রান্তি
গত কয়েকদিনে হোয়াটসঅ্যাপ এবং ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্মে একটি বার্তা ঘুরে বেড়াচ্ছিল, যাতে দাবি করা হয়েছিল যে, সাধারণ মানুষ এখন তাঁদের কাছে থাকা পুরোনো ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট ব্যাঙ্কে গিয়ে জমা দিয়ে নতুন নোট নিতে পারবেন। এই খবরের সঙ্গে এমন কয়েকটি লিঙ্কও শেয়ার করা হচ্ছিল, যা মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য যথেষ্ট ছিল।
PIB ফ্যাক্ট চেকের সাফ জবাব
সাধারণ মানুষের এই বিভ্রান্তি দূর করতে এবং গুজবের সত্যতা যাচাই করতে আসরে নামে ‘প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো’ (PIB)-এর ফ্যাক্ট চেক টিম। পিআইবির তরফে স্পষ্টভাবে জানানো হয়, ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এমন কোনও নির্দেশিকা জারি করেনি। PIB তাদের অফিসিয়াল হ্যান্ডেল থেকে টুইট করে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, ভাইরাল হওয়া এই খবরটি পুরোপুরি মিথ্যা। আরবিরআইয়ের তরফে নোট বদল সংক্রান্ত কোনো নতুন নিয়ম বা সুযোগ দেওয়া হয়নি।
কেন ছড়ানো হয় এমন ভুয়ো খবর?
এই ধরণের খবর ছড়ানোর পেছনে একাধিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে। প্রথমত, কিছু ওয়েবসাইট ক্লিকবেট পাওয়ার জন্য বা ট্রাফিক বাড়ানোর জন্য এমন বিভ্রান্তিকর শিরোনাম ব্যবহার করে। দ্বিতীয়ত, এটি মানুষকে আর্থিক জালিয়াতির ফাঁদে ফেলার একটি নতুন কৌশল হতে পারে। অনেক সময় এই ধরণের খবরের নিচে দেওয়া লিঙ্কগুলোতে ক্লিক করলে ব্যক্তিগত তথ্য বা ব্যাঙ্কিং ডিটেইলস চুরি হওয়ার ভয় থাকে। তাই কোনো সরকারি নির্দেশিকা সরাসরি RBI-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (www.rbi.org.in) থেকে যাচাই না করে সেগুলোতে বিশ্বাস করা উচিত নয়।
কীভাবে সত্যতা যাচাই করবেন?
ডিজিটাল যুগে সচেতনতাই হল শ্রেষ্ঠ সুরক্ষা। কোনA আর্থিক সংক্রান্ত খবরের লিঙ্ক পেলে প্রথমেই দেখুন তা কোনো সরকারি ডোমেইন (.gov.in) থেকে এসেছে কিনা। যদি কোনও খবর অবিশ্বাস্য মনে হয়, তবে তৎক্ষণাৎ গুগলে গিয়ে সেই বিষয়টি সার্চ করুন। মনে রাখবেন, আরবিআই কোনও বড় সিদ্ধান্ত নিলে তা প্রতিটি সংবাদমাধ্যম এবং তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করা হয়। হুট করে কোনও হোয়াটসঅ্যাপ ফরওয়ার্ড মেসেজকে সত্য বলে মেনে নেবেন না।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


