Rinku Singh Father Death: প্রয়াত রিঙ্কু সিংয়ের বাবা, ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই শেষ, ইডেনে কি খেলবেন তারকা?

ক্যানসারে ভুগছিলেন রিঙ্কু সিংয়ের বাবা। গ্রেটার নয়ডার একটি হাসপাতালে ভরতি ছিলেন। শুক্রবার সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, ফোর্থ স্টেজের ক্যানসারে ভুগছিলেন রিঙ্কুর বাবা। রিঙ্কুর জীবনে বাবার অবদান অপূরণীয়।

Published on: Feb 27, 2026, 08:58:26 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

রিঙ্কু সিংয়ের জীবনে নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। দীর্ঘ সময় ধরে মারণব্যাধি লিভার ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করার পরে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন রিঙ্কুর বাবা খাচন্দ্র সিং। উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ে নিজ বাসভবনে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা ক্রিকেট বিশ্ব। ​পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন ধরেই লিভার ক্যানসারে ভুগছিলেন রিঙ্কুর বাবা। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসকদের আপ্রাণ চেষ্টা সত্ত্বেও শেষরক্ষা হয়নি।

চেন্নাইয়ের ম্যাচে রিঙ্কু সিং। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে ফেসবুক)
চেন্নাইয়ের ম্যাচে রিঙ্কু সিং। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে ফেসবুক)

রিঙ্কুর কঠিন সময় পাশে আছি, বার্তা KKR-র

​খাচন্দ্রের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই), কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) টিম ম্যানেজমেন্টের তরফে গভীর শোকপ্রকাশ করা হয়েছে। রিঙ্কুর আইপিএল দল কলকাতা নাইট রাইডার্স সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বার্তায় জানিয়েছে, ‘রিঙ্কু এবং তাঁর পরিবারের এই কঠিন সময়ে আমরা তাঁদের পাশে আছি। খাচন্দ্র সিংয়ের ত্যাগ সবসময় স্মরণে থাকবে।' অনেক ক্রিকেট অনুরাগী রিঙ্কুকে সান্ত্বনা জানিয়ে লিখেছেন, 'তোমার বাবা তোমার এই আকাশছোঁয়া সাফল্য দেখে গর্বিত হয়েছেন।’

আরও পড়ুন: অভিষেকের কামব্যাক ম্যাচে জয়ে ফিরল ভারত! দানবীয় ব্যাটিং সংহারে ৭২ রানে জয় সূর্যদের

বাবাকে গর্বিত করেছেন রিঙ্কু

আর সত্যিই বাবাকে গর্বিত করেছেন রিঙ্কু। সেই জায়গায় পৌঁছানোর জন্য এবং এই আকাশচুম্বী সাফল্যের পিছনে তাঁর বাবার অবদান অনস্বীকার্য। খাচন্দ্র পেশায় একজন এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহকারী ছিলেন। অভাব-অনটনের সংসার চালিয়েও তিনি কখনও চাননি সন্তানরা দারিদ্র্যের জাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে থাক। আলিগড়ের সরু গলিতে সাইকেলে করে ভারী গ্যাস সিলিন্ডার বয়ে নিয়ে যাওয়া সেই মানুষটিই ছিলেন রিঙ্কুর আসল হিরো। রিঙ্কু যখন ক্রিকেটে পা রাখছেন, তখন সংসারের হাল ধরতে তাঁকেও একসময় ঘর মোছার কাজ করতে হয়েছিল। কিন্তু খাচন্দ্র সবসময়ই চাইতেন তাঁর ছেলে যেন নিজের স্বপ্নপূরণ করেন।

আরও পড়ুন: মাঝে মাত্র ২ দিন! হোলি ২০২৬র আগেই চালু হচ্ছে ‘রেল ওয়ান’ অ্যাপ, সুবিধার লিস্ট দেখে নিন

রিঙ্কু প্রায়ই তার সাক্ষাৎকারে বলতেন, বাবার পরিশ্রম আর ত্যাগই তাকে আজ এই জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে। সমর্থকদের বক্তব্য, খাচন্দ্র হয়তো সশরীরে আজ নেই। কিন্তু রিঙ্কুর প্রতিটি রানের মধ্যে, প্রতিটি জয়ের উল্লাসের মধ্যে তার বাবার সেই পরিশ্রমের গল্প অমর হয়ে থাকবে। রিঙ্কুর কোটি-কোটি ভক্ত এখন শুধু প্রার্থনা করছেন যাতে এই তরুণ ক্রিকেটার শোক কাটিয়ে দ্রুত মাঠে ফিরে দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে পারেন। তিনি মানসিকভাবে অত্যন্ত শক্ত। বাবার অপূর্ণ স্বপ্নগুলো পূরণ করতেই তিনি মাঠে আরও বেশি আগ্রাসী হয়ে উঠবেন বলে ভক্তদের বিশ্বাস।

আরও পড়ুন: আসিম মুনির ‘খুন করতে চান..’, পাকিস্তানের তাবড় রাজনীতিবিদকে নিয়ে বোন উদ্বিগ্ন! কী ঘটেছে?

রিঙ্কু কি বাড়ি ফিরবেন?

এমনিতে ​২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ভারতীয় দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে রিঙ্কুকে। কিন্তু বাবার অসুস্থতার জন্য তড়িঘড়ি ভারতীয় শিবির ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। তবে বৃহস্পতিবার জিম্বাবোয়ে ম্যাচের আগে চেন্নাইয়ে ভারতীয় দলের সঙ্গে যোগ দেন। যে ম্যাচে প্রথম একাদশে জায়গা পাননি রিঙ্কু। আগামী ১ মার্চ ইডেনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে নামবে ভারত। তার আগে রিঙ্কু বাড়ি ফিরবেন কিনা, সে বিষয়ে আপাতত কিছু জানানো হয়নি।

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More