Union Education Minister Pralhad Joshi Profile: জাতীয় রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রশাসনিক রদবদল ঘটল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দেওয়ার পরে প্রবীণ বিজেপি নেতা তথা অভিজ্ঞ সংসদ সদস্য প্রহ্লাদ জোশীকে শিক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। যিনি বিজেপির অন্যতম অভিজ্ঞ এবং অত্যন্ত বিশ্বস্ত নেতাদের মধ্যে একজন। কর্ণাটকের ধারওয়াড় লোকসভা কেন্দ্র থেকে ২০২৪ সাল থেকে জয়ী হয়ে সাংসদ হয়েছেন। সংসদীয় নীতি, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং সাংগঠনিক কাঠামোর বিষয়ে তাঁর দক্ষতা সর্বদাই বিশেষ মূল্যায়ন পেয়ে এসেছে।
স্টপ-গ্যাপ বাছাই?

এর আগে নরেন্দ্র মোদী সরকারের বিভিন্ন মেয়াদে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রকের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রক সামলেছেন। বর্তমানে খাদ্য এবং ভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রক-সহ একাধিক মন্ত্রকের দায়িত্বে আছেন। বাড়তি দায়িত্ব হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে একটি মহলের তরফে প্রশ্ন উঠেছে যে প্রহ্লাদের হাতে এতগুলি মন্ত্রক থাকায় স্টপ-গ্যাপ হিসেবে এই মুহূর্তে তাঁকে শিক্ষা মন্ত্রকে বসানো হল?
RSS যোগ ও তৃণমূল স্তর থেকে উত্থান
বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আপাতত কিছু জানানো হয়নি। শুধু জানানো হয়েছে যে প্রহ্লাদ হচ্ছেন নয়া শিক্ষামন্ত্রী। যিনি একেবারে তৃণমূল স্তর থেকে উঠে এসেছেন। অল্প বয়স থেকেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) সঙ্গে যুক্ত হয়ে গিয়েছিলেন। তারপর ধাপে-ধাপে বিজেপির উপর দিকে উঠে এসেছেন। মোদী মন্ত্রিসভায় একাধিক মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছেন। কর্ণাটকে বিজেপির অন্যতম মুখ হয়ে উঠেছেন। তবে একাধিক মহলের তরফে দাবি করা হয়, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে নাকি বিএস ইয়েদুরাপ্পার সঙ্গে সংঘাত হয়েছিল। যা পরে মিটে গিয়েছিল।
‘ঝড়’-র পরে গুরুদায়িত্বে প্রহ্লাদ জোশী
{{/usCountry}}‘ঝড়’-র পরে গুরুদায়িত্বে প্রহ্লাদ জোশী
{{/usCountry}}আর সেই প্রবীণ নেতাকে এমন একটা সময় শিক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যখন নিটের প্রশ্নফাঁস বিতর্কে উত্তাল হয়েছে দেশ। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনে চাপেও পড়ে যায় বিজেপি সরকার। সেই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র। তাঁর ইস্তফাপত্র গৃহীতও হয়েছে। আর সেই টালমাটাল পরিস্থিতিতে অভিজ্ঞ মন্ত্রীকে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্ব দেওয়া হল।