Jaishankar visit to Azerbaijan: পাকিস্তানের ‘বন্ধু’ দেশে যাচ্ছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। বৃহস্পতিবার ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, শুক্রবার সরকারি সফরে বিদেশমন্ত্রী আজারবাইজানে যাচ্ছেন। সেই ঝটিকা সফরে আজারবাইজানের বিদেশমন্ত্রী জেহুন বায়রামভের সঙ্গে বৈঠক করবেন। দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনাও করা হবে বলে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে।
অপারেশন সিঁদুরের পরে ২ দেশের সম্পর্ক ধাক্কা খেয়েছিল

যে সফরের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। কারণ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ইস্যুতেই পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়ে এসেছে আজারবাইজান। বিশেষত ২০২৫ সালের অপারেশন সিঁদুরের পরে যেভাবে খোলাখুলি পাকিস্তানের সমর্থন করে ভারতের নিন্দা করেছিল আজারবাইজান, তারপর নয়াদিল্লি এবং বাকুর সম্পর্ক একেবারে তলানিতে ঠেকেছিল। দু'দেশের সম্পর্কে এমনিতেই কোনওদিন আহামরি ছিল না। অপারেশন সিঁদুরের পরে মুখ থুবড়ে পড়েছিল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক।
সম্পর্ক মেরামতির কাজ, মোদীর মেগা বৈঠক
তবে পরবর্তীতে ছবিটা কিছুটা পালটাতে থাকে। এমনকী সপ্তাহকয়েক আগে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) সম্মেলনের ফাঁকেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। সেইসঙ্গে চলতি বছরের গোড়ার দিকে বাকুতে দু'দেশের বিদেশ মন্ত্রকের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও হয়।
ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছিল, আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাস নিয়েও কথা হয়েছে। যা ভারতের নিরিখে খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ ভারতের ক্ষেত্রে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাস বলতে পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গি কার্যকলাপের বিষয়টিই উঠে আসে। আর ইসলামাবাদের একটি ‘বন্ধু’ দেশই পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদ নিয়ে কথা বলেছে, তা ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
{{/usCountry}}ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছিল, আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাস নিয়েও কথা হয়েছে। যা ভারতের নিরিখে খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ ভারতের ক্ষেত্রে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাস বলতে পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গি কার্যকলাপের বিষয়টিই উঠে আসে। আর ইসলামাবাদের একটি ‘বন্ধু’ দেশই পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদ নিয়ে কথা বলেছে, তা ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
{{/usCountry}}মালদ্বীপের সঙ্গে 'প্রেমে' মশগুল হওয়ার চেষ্টা পাকিস্তানের
সেই রেশ ধরে এবার সোজা আজারবাইজানেই যাচ্ছেন জয়শংকর। যে বিষয়টি পাকিস্তানের জন্য যথেষ্ট অস্বস্তির। সংশ্লিষ্ট মহলের বক্তব্য, আপাতত মালদ্বীপের সঙ্গে 'প্রেমে' মশগুল হওয়ার চেষ্টা করছে ইসলামাবাদ। মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু পাকিস্তানে গিয়ে প্রতিরক্ষা, সামুদ্রিক সুরক্ষা-সহ ২০টি মউ স্বাক্ষর করেছেন। দু'বছরে বাণিজ্যের পরিমাণ ১৪ গুণেরও বেশি বাড়ানোর বিষয়ে রাজি হয়েছেন।
ওই বিষয়টি ভারতের জন্য যথেষ্ট অস্বস্তিকর ছিল। কারণ ভারতের মহাসাগর ঘেঁষে অবস্থিত মালদ্বীপ ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়াও বছরের পর বছর ধরে মালদ্বীপকে অপরিসীম সাহায্য করে এসেছে। পরিকাঠামো করে তুলতে সহায়তা করেছে। সহায়তা করেছে অর্থনীতিকে দাঁড় করাতে। সেই দেশের সঙ্গে পাকিস্তানের ‘দহরম-মহরম’ একেবারেই ভালো নয় ভারতের জন্য।