SIP deducted from salary: PF-র মতোই স্যালারি থেকে কাটবে SIP-র টাকা? চাকরিজীবীদের জন্য বড় প্রস্তাব সেবির!
SIP deducted from salary: এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ডের (ইপিএফ) মতো হয়ে যাবে এসআইপি? এবার প্রতি মাসে আপনার বেতন বা স্যালারি অ্যাকাউন্ট থেকে সরাসরি কেটে নেওয়া হতে পারে এসআইপির টাকা, দেওয়া হল প্রস্তাব।
SIP deducted from salary: আপনি কি প্রতি মাসে মিউচুয়াল ফান্ডে সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান বা এসআইপি (SIP) করার কথা ভাবেন? কিন্তু মাস শেষে হাতে টাকা না থাকায় আর বিনিয়োগ করা হয়ে ওঠে না? চাকরিজীবীদের এই দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে চলেছে দেশের বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেবি। প্রভিডেন্ট ফান্ড (PF) বা জীবনবিমার প্রিমিয়ামের মতো এবার প্রতি মাসে আপনার বেতন বা স্যালারি অ্যাকাউন্ট থেকে সরাসরি কেটে নেওয়া হতে পারে এসআইপির টাকা। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে সম্প্রতি সেবি একটি নতুন ও যুগান্তকারী প্রস্তাব পেশ করেছে।

কী এই নতুন প্রস্তাব?
বর্তমানে নিয়ম অনুযায়ী, মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করতে হলে বিনিয়োগকারীকে তাঁর নিজস্ব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে হয়। থার্ড পার্টি বা তৃতীয় কোনও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই লেনদেন করা যায় না। জালিয়াতি এবং বেআইনি অর্থ লেনদেন রুখতেই সেবি এই কড়া নিয়ম চালু করেছিল। তবে বর্তমান বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে সেবি মনে করছে, নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে কড়া সুরক্ষাবিধি মেনে এই নিয়মে ছাড় দেওয়া যেতে পারে।
সেবির নতুন প্রস্তাব অনুসারে, কেউ যদি চান, তবে তিনি তাঁর পছন্দের মিউচুয়াল ফান্ড স্কিম বেছে নিতে পারবেন। এরপর তাঁর সম্মতির ভিত্তিতে নিয়োগকারী সংস্থা বা কোম্পানি প্রতি মাসে বেতন দেওয়ার সময়ই সেই নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা কেটে নিয়ে সরাসরি এসআইপিতে জমা করে দেবে। অর্থাৎ, প্রতি মাসের নির্দিষ্ট তারিখে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ব্যালেন্স রাখার দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পাবেন চাকরিজীবীরা।
বিনিয়োগকারীদের টাকা কি সুরক্ষিত থাকবে?
এই নতুন ব্যবস্থার কথা শুনে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে যে, কোম্পানির কাছে এই টাকা সুরক্ষিত থাকবে তো? সেবি এই বিষয়ে অত্যন্ত স্পষ্ট এবং কড়া বার্তা দিয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণরূপে সুরক্ষিত থাকবে। স্যালারি থেকে যে টাকা কাটা হবে, তা সরাসরি মিউচুয়াল ফান্ড হাউজে চলে যাবে। এর থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশ বা ফান্ড ভাঙানোর টাকা সরাসরি কর্মচারীর নিজস্ব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেই জমা হবে। নিয়োগকারী সংস্থা বা কোম্পানি কোনোভাবেই এই টাকায় হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।
কারা পাবেন এই সুবিধা?
১) শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত বা লিস্টেড কোম্পানি।
২) ইপিএফওয়ের অধীনে নথিভুক্ত বা রেজিস্টার্ড প্রতিষ্ঠান।
৩) অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি।
বিনিয়োগ কি বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে?
না, সেবি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক। কোনও কোম্পানির পক্ষ থেকেই কর্মচারীদের ওপর জোর করে এই নিয়ম চাপিয়ে দেওয়া যাবে না। যে সমস্ত চাকরিজীবী নিজের ইচ্ছায় এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিনিয়োগ করতে রাজি হবেন এবং লিখিত সম্মতি দেবেন, কেবল তাঁদের ক্ষেত্রেই এই সুবিধা কার্যকর হবে। এছাড়া পুরো প্রক্রিয়ায় কেওয়াইসি (KYC) বাধ্যতামূলক করা হবে এবং প্রতিটি লেনদেন ডিজিটাল রেকর্ড রাখা হবে, যা আর্থিক তছরূপ-বিরোধী আইন মেনে চলবে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


