Indian Army Bharat Rice: ভারতীয় সেনার জওয়ানদের জন্য বিশেষ ‘ভারত রাইস’ চালু করা হল। জওয়ানরা যে চাল খান, তার গুণগত মান আরও বাড়ানোর জন্যই সেই বিশেষ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, সেই কর্মসূচির মাধ্যমে লাদাখ, উত্তর-পূর্ব ভারতের দুর্গম এলাকা-সহ ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে সেনার সাপ্লাই ডিপোয় সরাসরি উচ্চমানের চাল পৌঁছে যাবে। এতদিন ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার (এফসিআই) গুদামে চাল পাঠানো হত। সেখান থেকে চাল নিয়ে যাওয়া হত সেনার সাপ্লাই ডিপোর তরফে। এখন সেই ধারা পালটে যাচ্ছে।
ভারতীয় সেনা জওয়ানদের জন্য বিশেষ চাল

আর সেই 'ভারত রাইস'-র মাধ্যমে সেনা জওয়ানদের রেশনের গুণগত মান আরও বাড়ানো হচ্ছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, জওয়ানদের মতামতের ভিত্তিতে সেই কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। জওয়ানদের জন্য নির্ধারিত মানদণ্ড মেনে সেই চালের প্রক্রিয়াজাত করা হবে। গুণগত মান পরীক্ষা করা হবে সেই চালের। কাঁকড়ের মতো কোনও অবাঞ্চিত বস্তু বা ভেজাল থাকবে না। ভাঙা চালও একেবারে যাতে না থাকে, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে।
আরও পড়ুন: Delhi protest: দিল্লির বিক্ষোভের মাঝে সক্রিয় আইনজীবীরা! আন্দোলনকারীদের হদিস পেতে জারি এসওপি, নজর...
অপারেশন সিঁদুর-সহ অন্যান্য অপারেশনের কথা মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত
সেই রেশ ধরে ভারতীয় সেনা এবং এফসিআইয়ের মধ্যে একটি মউও স্বাক্ষর করা হয়েছে। সেখানে হাজির ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং খাদ্যমন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী। চুক্তি অনুযায়ী, প্রয়োজনে এফসিআইয়ের পরিকাঠামো ব্যবহার করতে পারবে সেনা। ফলে ভবিষ্যতে কোনও অপারেশনের সময় সেনার হাত আরও মজবুত হবে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, অপারেশন সিঁদুর-সহ বিভিন্ন অপারেশন বা অভিযানের সময় যে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করা হয়েছে, সেটা মাথায় রেখেই এমন পদক্ষেপ করা হয়েছে। এরকম অপারেশনের সময় দেখা গিয়েছে যে অল্প সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় জোগানের প্রয়োজন হয়। দীর্ঘদিন ধরে সেই জোগান চালু রাখতে হতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে এফসিআইয়ের গুদামের পরিকাঠামো ব্যবহার করতে পারবে সেনা।
{{/usCountry}}প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, অপারেশন সিঁদুর-সহ বিভিন্ন অপারেশন বা অভিযানের সময় যে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করা হয়েছে, সেটা মাথায় রেখেই এমন পদক্ষেপ করা হয়েছে। এরকম অপারেশনের সময় দেখা গিয়েছে যে অল্প সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় জোগানের প্রয়োজন হয়। দীর্ঘদিন ধরে সেই জোগান চালু রাখতে হতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে এফসিআইয়ের গুদামের পরিকাঠামো ব্যবহার করতে পারবে সেনা।
{{/usCountry}}ভয়ংকর কঠিন পরিবেশে ডিউটি জওয়ানদের, তাঁদের কল্যাণে জোর
বিষয়টি নিয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জানিয়েছেন, 'ভারত রাইস' কর্মসূচির মাধ্যমে জওয়ানদের নির্ধারিত মান অনুযায়ী উৎকৃষ্ট চাল সরবরাহ করা হবে। ব্যবহার করা হবে ব্যবহার-বান্ধব প্যাকেজ। খালি চোখে এটা নেহাতই ছোটো সিদ্ধান্ত মনে হলেও দুর্গম এবং প্রতিকূল অঞ্চলের জওয়ানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা পদক্ষেপ। কারণ কত উন্নত অস্ত্র বা প্রযুক্তি আছে, তা দিয়ে শুধুমাত্র বোঝা যায় না যে জওয়ানরা কতটা তৈরি আছেন, বরং সেটা নির্ভর করে তাঁর শারীরিক অবস্থা, মানসিক অবস্থা, মনোবল ও সহনশক্তির উপরে।
তিনি জানান, পৃথিবীর সবথেকে প্রতিকূল অঞ্চলগুলির মধ্যে দাঁড়িয়ে জওয়ানরা দেশের সেবা করে চলেছেন। তাই জওয়ানদের কল্যাণ নিশ্চিত করা কোনও মামুলি বিষয় নয়। সেটা জাতীয় সুরক্ষা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পুষ্টিকর খাবার, উন্নতমানের সরঞ্জাম এবং পূর্ণাঙ্গ প্রশিক্ষণ জওয়ানদের মনোবল বৃদ্ধি করে। যা তাঁদের যে কোনও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও দেশরক্ষার জন্য প্রস্তুত করে তোলে।