Married daughter compassionate appointment: বাবা-মা মারা গেলে বিবাহিত মেয়েদের চাকরি মিলবে? নিয়োগ হবে? বলল সুপ্রিম কোর্ট

Married daughter compassionate appointment: বাবা-মা মারা গেলে বিবাহিত মেয়েরা কি সহানুভূতির ভিত্তিতে চাকরি পাবেন? এই নিয়ে বড় রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্ট যে মামলার প্রেক্ষিতে এমন রায় দিয়েছে, তা এলাহাবাদ হাইকোর্টের নির্দেশের ভিত্তিতে। 

Published on: Jun 02, 2026 2:13 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Married daughter compassionate appointment: বাবা বা মায়ের মৃত্যুর পরে সন্তানকে যে চাকরি দেওয়া হয়, তা থেকে বঞ্চিত করা যাবে না বিবাহিতা মেয়েকে। জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায় খারিজ করে শীর্ষ আদালতের বিচারপতি পিএস নরসীমা এবং বিচারপতি অলোক আরাধের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, বম্বে হাইকোর্ট এবং কর্ণাটক হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিল, সেটার সঙ্গে একমত পোষণ করা হচ্ছে। ওই দুটি হাইকোর্ট বলেছিল যে যোগ্য মেয়েকে সমাজকল্যাণমূলক সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার ক্ষেত্রে বৈবাহিক অবস্থা কোনও ভিত্তি হতে পারে না।

বাবা-মা মারা গেলে বিবাহিত মেয়েদের নিয়োগ হবে, বলল সুপ্রিম কোর্ট। (ছবিটি প্রতীকী, ন্যানো ব্যানানা দিয়ে তৈরি করা)
বাবা-মা মারা গেলে বিবাহিত মেয়েদের নিয়োগ হবে, বলল সুপ্রিম কোর্ট। (ছবিটি প্রতীকী, ন্যানো ব্যানানা দিয়ে তৈরি করা)

হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহিলা

তবে সুপ্রিম কোর্ট যে মামলার প্রেক্ষিতে এমন রায় দিয়েছে, তা এলাহাবাদ হাইকোর্টের নির্দেশের ভিত্তিতে। এই মামলায় আবেদনকারী বিবাহিত মেয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। ২০১৯ সালে সরকারের জারি করা একটি নির্দেশিকাকে (বিবাহিত কন্যাদের 'পরিবার'-এর সংজ্ঞা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল) চ্যালেঞ্জ করে ওই মহিলা দাবি করেন, বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও তিনি পরিবারের সঙ্গে থাকতেন। বিশেষভাবে সক্ষম বোনের দেখাশোনা করতেন। মায়ের সঙ্গে একটি ন্যায্যমূল্যের দোকান চালাতেন। মা মারা যাওয়ার পরে ওই দোকানের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছিলেন। কিন্তু সেটি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল বলে দাবি করেন মহিলা।

আরও পড়ুন: Tapas Paul wife on Mamata: তাপসকে মৃত্যুর দিকে ঠেলার সময় মমতার বিবেক কোথায় ছিল? বিস্ফোরক অভিযোগ স্ত্রী'র

অতীতের রায় ও এলাহাবাদ হাইকোর্ট

মহিলার আবেদনের প্রেক্ষিতে অতীতে বিভিন্ন মামলার বিচার করেছিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। ২০১৫ সালের বিমল শ্রীবাস্তব বনাম উত্তরপ্রদেশ সরকারের মামলায় রায় বিচার করেছিল। ওই রায়ে বলা হয়েছিল যে বিবাহিত মেয়েদের পরিবারের সংজ্ঞা থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়টি অসাংবিধানিক। আর ভারতীয় সংবিধানের ১৪ এবং ১৫ ধারার বিরোধী। সেইসঙ্গে পরিবারের সংজ্ঞা অবিবাহিত শব্দও বাদ দিয়েছিল এলাহাবাদ হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।

আরও পড়ুন: Bypass Metro Latest Update: বাইপাস মেট্রোর 'শূন্যস্থান' পূরণের কাজ শুরু RVNL-র, দেড় মাসের কাজের পরে হবে লাভ

সুপ্রিম কোর্টে বিষয়টি পাঠায় এলাহাবাদ হাইকোর্ট

যদিও এই নয়া মামলার ক্ষেত্রে বিমল শ্রীবাস্তব বনাম উত্তরপ্রদেশ সরকার কেসের যুক্তি প্রয়োজ্য হবে না বলে মনে করেছে এলাহাবাদ হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ জানায়, ২০১৯ সালে রাজ্য সরকারের জারি করা নির্দেশিকায় যে 'অবিবাহিত মেয়ে' শব্দবন্ধ ব্যবহার করা হয়েছে, তা বৈষম্যমূলক নয়। তবে অতীতের ভিন্ন-ভিন্ন রায় বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে পাঠায় এলাহাবাদ হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ।

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More