Tapas Paul wife on Mamata: তাপসকে মৃত্যুর দিকে ঠেলার সময় মমতার বিবেক কোথায় ছিল? বিস্ফোরক অভিযোগ স্ত্রী'র
Tapas Paul wife on Mamata: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন প্রয়াত তাপস পালের স্ত্রী নন্দিনী পাল। সরাসরি কুণাল ঘোষকে আক্রমণ শানিয়ে নাম না করে তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমোকে নিশানা করলেন তিনি। কী কী বললেন?
Tapas Paul wife on Mamata: তৃণমূল কংগ্রেস ‘বিরোধী’ বিধায়কদের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি বিবেকবান হওয়ার পরামর্শ দেন কুণাল ঘোষ। সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, যে তৃণমূল বিধায়করা আজ দলের বিরুদ্ধে যাচ্ছেন, তাঁদের মানুষ জিতিয়েছেন ঘাসফুল প্রতীক দেখেই। আর সেই বিষয়টি নিয়ে সরাসরি বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ককে আক্রমণ করলেন প্রয়াত তাপস পালের স্ত্রী নন্দিনী পাল। তিনি অভিযোগ করলেন, প্রয়াত অভিনেতাকে দরকারে ব্যবহার করে ছিবড়ে করে ফেলে দিয়েছিলেন মমতারা। তাঁকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তাপসের স্ত্রী।

শুধু মমতার মুখ দেখে তৃণমূল ভোট পেত? প্রশ্ন তাপসের স্ত্রী'র
তিনি বলেন, 'কুণাল ঘোষ মহাশয়, আপনাকে এক টিভি চ্যানেলে বলতে শুনলাম যে ৭১ বছর বয়সি এক নেত্রীর (পড়ুন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) প্রতি বিবেকবান হওয়া উচিত। আপনি এই কথাটি আপনার দলের কিছু বিধায়কের উদ্দেশ্যে বলছিলেন বোধহয়। সত্যি বলতে কী, আপনাদের মুখে বারবার বিবেকের কথা শুনে আমার একটু অস্বস্তি, একটু অশান্তি লাগল। তাই কয়েকটা প্রশ্ন মনে এল।'
সেই রেশ ধরে তাপসের স্ত্রী বলেন, 'যখন এই নেত্রীর ৫৫-৫৬ বা তার আশেপাশে বয়স ছিল, তখন তাঁর বিবেক কোথায় ছিল? ২০০১ সালে মানুষ কি একমাত্র তাঁর মুখ দেখেই তৃণমূলের প্রার্থীদের ভোট দিয়েছিলেন? ২০০৬ সালেও যে কয়েকজন তৃণমূল প্রার্থী জিতেছিলেন, মানুষ কি শুধুমাত্র তাঁর মুখ দেখেই তাঁদের ভোট দিয়েছিলেন? ২০০৯ সালেও কি একমাত্র তাঁর জনপ্রিয়তার ভিত্তিতেই তাঁর দলের যে কয়েকজন প্রার্থী জিতেছিলেন, মানুষ তাঁদের ভোট দিয়েছিল?
'তাপসকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার সময় মমতার বিবেক কোথায় ছিল?'
সেখানেই থামেননি তাপসের স্ত্রী। তিনি বলেন, ‘যখন তাপস পাল নামক একজন মানুষকে রাজনৈতিক প্রয়োজনে ব্যবহার করে শেষপর্যন্ত কার্যত ছিবড়ে করে ফেলা হয়েছিল, এবং দীর্ঘদিন ধরে মানসিক যন্ত্রণা দিয়ে তাঁকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল, তখন তাঁর সেই বিবেক কোথায় ছিল? বারবার একই ধরনের যুক্তি শুনতে-শুনতে বিরক্ত লাগে। তাই এবার একটু থামুন, দোহাই আপনাকে। বরং আমার মতো সাধারণ মানুষকে অন্য একটি বিষয় বুঝিয়ে বলুন।’
আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: 'বিধায়কদের ভয় দেখানো...,' BJP-কে হুঁশিয়ারি মমতার, বিস্ফোরক দুই বহিষ্কৃত নেতা
'আপনি তো মমতার বিরুদ্ধে অনেক কিছু বলেছিলেন', কটাক্ষ কুণালকে
তিনি আরও বলেন, ‘আপনি তো একসময় জেলে গিয়েছিলেন। সেই প্রসঙ্গে আমি বেশি কিছু বলতে চাই না। তবে এটুকু জানতে চাই, সেইসময় আপনি এই নেত্রীর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অনেক কথা বলেছিলেন, নানা অভিযোগও করেছিলেন। তারপর কী এমন ঘটল যে আজ আপনার সঙ্গে সেই নেত্রীর রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত রসায়ন সম্পূর্ণ বদলে গেল? এটা কি মতাদর্শের পরিবর্তন? নাকি পরিস্থিতির প্রয়োজন? নাকি অন্য কোনও কারণ? সেই পরিবর্তনের গল্পটাই বরং শুনতে চাই। কারণ রাজনীতিতে অবস্থান বদলানো অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু সেই পরিবর্তনের ব্যাখ্যা সাধারণ মানুষের জানার অধিকার আছে।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


