US official enjoys fake India report: ভারত ধাক্কা খেয়েছে শুনেই আনন্দে লাফিয়ে উঠেছিলেন শীর্ষ মার্কিন কর্তা। যদিও যে খবর দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছিলেন, তা আদতে ভুয়ো এবং বিভ্রান্তিকর ছিল। এমনকী যে পোস্ট রিটুইট করে তিনি নিজের আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন, তাতেই ‘কমিউনিটি নোট’ জুড়ে দেওয়া হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের লিঙ্ক যোগ করে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে যে আদতে ওটা ভুয়ো খবর ছিল। আর তারপরই কটাক্ষের মুখে পড়েছেন মার্কিন কর্তা ইনস্পেক্টর জেনারেল অ্যান্টনি ডি'এসপোসিটো।
গ্রিন কার্ড সংক্রান্ত কঠোর পদক্ষেপ ট্রাম্পদের

আসলে বৃহস্পতিবার রাতে (ভারতীয় সময় অনুযায়ী) মার্কিন প্রশাসনের তরফে জানানো হয় যে আমেরিকার পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম (পিইআরএম) থেকে টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (টিসিএস), ইনফোসিস, কগনিজেন্ট, মাইক্রোসফট-সহ আটটি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাকে আপাতত বরখাস্ত করা হচ্ছে। যা এইচ-১বি ভিসাধারীদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ছিল।
ভারতকে নিয়ে ভুয়ো খবর
আর ট্রাম্প প্রশাসনের সেই সিদ্ধান্তের ফলে স্বভাবতই ধাক্কা খান ভারতীয়রা। কারণ এইচ-১বি ভিসাধারীদের একটা বড় অংশই ভারত থেকে আমেরিকায় যান। সেই পরিস্থিতিতে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে এক ইউজার দাবি করেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নয়া সিদ্ধান্তের পরই ভারতীয় শেয়ার বাজার ধসে গিয়েছে। এমনকী ওই ব্যক্তি বলেন, 'ওদের (ভারতের) পুরো অর্থনীতি কি আমাদের দেশকে প্রতারিত করার উপরই ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল?‘
আরও পড়ুন: প্রসঙ্গে গ্রিনকার্ড প্রোগ্রাম! TCS, ইনফোসিস সহ একঝাঁক IT ফার্মের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ ট্রাম্পের USর
সেই পোস্টের প্রেক্ষিতেই ডি'এসপোসিটো যে শব্দবন্ধ ব্যবহার করেন, সেটা টিটকিরির শামিল বলে মনে করছেন অনেকের। নেটিজেনদের মতে, ভারতীয় শেয়ার বাজারে রক্তক্ষরণ হয়েছে শুনে আসলে আনন্দ প্রকাশ করে সেই মন্তব্য করেন মার্কিন প্রশাসনের ওই শীর্ষকর্তা।
ততক্ষণে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন ভারতীয় শেয়ার বাজারের অফিসাররা
{{/usCountry}}সেই পোস্টের প্রেক্ষিতেই ডি'এসপোসিটো যে শব্দবন্ধ ব্যবহার করেন, সেটা টিটকিরির শামিল বলে মনে করছেন অনেকের। নেটিজেনদের মতে, ভারতীয় শেয়ার বাজারে রক্তক্ষরণ হয়েছে শুনে আসলে আনন্দ প্রকাশ করে সেই মন্তব্য করেন মার্কিন প্রশাসনের ওই শীর্ষকর্তা।
ততক্ষণে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন ভারতীয় শেয়ার বাজারের অফিসাররা
{{/usCountry}}যদিও যে রিপোর্টের ভিত্তিতে ডি'এসপোসিটো ওই মন্তব্য করেন, সেটাই ভুয়ো। কারণ বৃহস্পতিবার রাতে যখন ট্রাম্প প্রশাসনের তরফে সেই ঘোষণা করা হয়েছে, ততক্ষণে ভারতের শেয়ার বাজার বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এতটাই দেরি হয়ে গিয়েছিল যে শেয়ার বাজারের সঙ্গে যুক্ত কেউ-কেউ ওই সময় ঘুমোতেও চলে গিয়েছিলেন আজ সকালে উঠতে হবে বলে। তার জেরে স্বভাবতই কটাক্ষের মুখে পড়েছেন মার্কিন কর্তা।
ভারতের বাজারের উত্থান হয়েছে আজ, চড়েছে TCS-র শেয়ার
এমনিতে বৃহস্পতিবার ভারতের শেয়ার বাজারের রক্তক্ষরণ হয়েছিল। ১,০৪৫ পয়েন্ট পড়েছিল সেনসেক্স। ২১ মাসের সর্বনিম্ন স্তরে নেমে গিয়েছিল নিফটি। আর সেটার নেপথ্যে ছিল অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি এবং বিশ্বের আর্থিক অবস্থা। তার সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের গ্রিন কার্ড সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের কোনও যোগই ছিল না।
বরং সেই সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরে আজ যখন ভারতীয় শেয়ার বাজার খুলেছে, তখন বরং কিছুটা উঠে দাঁড়িয়েছে গ্রাফ। বৃহস্পতিবারের থেকে প্রায় ৮০০ পয়েন্ট চড়েছে সেনসেক্স। নিফটি চড়েছে ২৬২ পয়েন্টের মতো। আবার টিসিএসের শেয়ারের উত্থান তো পাঁচ শতাংশের বেশি হয়েছে।