Traffic Challan Dues Clearance: ট্র্যাফিক ফাইন মেটাননি? বিদ্যুতের বিল বেশি আসবে! উপায় বলে দিল সুপ্রিম কোর্ট
Traffic Challan Dues Clearance: ট্র্যাফিক ফাইন মেটাননি? বিদ্যুতের বিল বেশি দিতে হবে! উপায় বলে দিল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনের ডিভিশন বেঞ্চ। সেইসঙ্গে আরও একগুচ্ছ প্রস্তাব দেওয়া হল।
Traffic Challan Dues Clearance: ট্র্যাফিক ফাইনের টাকা দেওয়া হয়নি? তাহলে সেটা বিদ্যুতের বিলের সঙ্গে যুক্ত করে আদায়ের প্রস্তাব দিল সুপ্রিম কোর্ট। সংবাদমাধ্যম বার অ্যান্ড বেঞ্চের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চ বলেছে যে ‘যদি মানুষ ট্র্যাফিক চালানের টাকা না দেন, তাহলে সেই অঙ্কটা বিদ্যুতের বিলের সঙ্গে যোগ করে দিন। তাঁদের তো বিদ্যুতের বিল দিতেই হবে। নাহলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। একটা উপায় বের করুন। এই দেশে আপনাকে উপায় খুঁজে বের করতে হবে।’

ট্র্যাফিক চালানের ৪৫,০০০ কোটি টাকা বকেয়া ছিল
আর সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি বিশ্বনাথনের ডিভিশন বেঞ্চ সেই উপায় বাতলে দিয়েছে একটি পরিসংখ্যানের প্রেক্ষিতে। শীর্ষ আদালতকে জানানো হয়েছিল যে ই-চালানের ক্ষেত্রে রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ৪৫,০০০ কোটি টাকা আদায় করতে হত। এখনও পর্যন্ত ২৫,০০০ কোটি টাকা আদায় করা হয়েছে।
পলিউশন সার্টিফিকেট বন্ধ থেকে কালোতালিকাভুক্ত গাড়ি
সেই পরিস্থিতিতে ট্র্যাফিক ফাইনের টাকা আদায় করতে একাধিক উপায় নিয়ে আলোচনা করেছে সুপ্রিম কোর্ট। যা কার্যকর করে বকেয়া অর্থ আদায় করা যাবে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, শীর্ষ আদালত জানিয়েছে যে চালানের বকেয়া টাকা মিটিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের রিনিউয়াল বন্ধ করে রাখা হোক। বন্ধ করে দেওয়া হোক ডুপ্লিকেট সার্টিফিকেট প্রদান। মালিকানার তথ্যও পরিবর্তন করতে না দেওয়া হোক। যে গাড়ির ট্র্যাফিক ফাইন দেওয়া হয়নি, সেটা কালোতালিকাভুক্ত করে দেওয়ারও প্রস্তাব দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
তাছাড়াও পলিউশন সার্টিফিকেট না দেওয়ার মতো প্রস্তাব দিয়ে শীর্ষ আদালত জানিয়েছে যে ট্র্যাফিক ফাইন না দিলে বিদ্যুতের বিলের সঙ্গে যোগ করে সেই টাকা আদায় করারও বিষয়টি বিবেচনা করা হোক। আর সেইসব যে কড়া পদক্ষেপ করা হবে, সেগুলি কঠোরভাবে প্রণয়ন করারও নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি বিশ্বনাথনের ডিভিশন বেঞ্চ।
আরও পড়ুন: SRFTI Incident: 'স্বামীজির অপমান বরদাস্ত নয়!' SRFTI কাণ্ডে কড়া প্রতিক্রিয়া উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর
'ই-চালান জারি করলেই হবে না, আদায় করতে হবে টাকা'
শীর্ষ আদালত বলেছে, ‘শুধুমাত্র ই-চালান দেওয়াই যথেষ্ট নয়। পুলিশ এরকম হাজার-হাজার, লাখ-লাখ ই-চালান ধরাতে পারে। আসল বিষয়টা হল ই-চালানের মাধ্যমে আরোপিত জরিমানা আদায়ের ব্যাপার।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


