Terrorists ‘working’ for Pakistan: পাকিস্তানি হ্যান্ডলার এবং আইএসআইয়ের হয়ে কাজ করার অভিযোগে দুই জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হল উত্তরপ্রদেশে। সূত্রের খবর, ধৃতদের মধ্যে তুষার চৌহান ওরফে হিজবুল্লা আলি খান মীরাটের বাসিন্দা। অপর ধৃত সমীর খান দিল্লিতে থাকত। বৃহস্পতিবার নয়ডা থেকে তাদের গ্রেফতার করেছে উত্তরপ্রদেশের অ্যান্টি-টেররিস্ট স্কোয়াডের (এটিএস) একটি টিম। উদ্ধার করা হয়েছে একটি পিস্তল, পাঁচটি কার্তুজ এবং একটি ছুরি। ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, অস্ত্র আইন এবং বেআইনি কার্যকলাপ বিরোধী আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা রুজু করা হয়। সূত্রের খবর, ধৃতদের জেরা করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও যোগসূত্র সামনে এসেছে।
সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে পাকিস্তানি স্লিপার সেল তৈরি

আর সেই পুরো বিষয়টি সামনে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে গড়ে ওঠা স্লিপার সেল নিয়ে উত্তরপ্রদেশের এটিএসের তদন্তের সময়। এটিএস জানতে পারে যে পাকিস্তানি হ্যান্ডলারের সঙ্গে ওই দুই যুবকের সরাসরি যোগাযোগ আছে। আর 'একটি বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টিকারী কর্মকাণ্ডের ছক কষছে' বলেও জানা যায়।
ভারতের যুব প্রজন্মের মগজধোলাইয়ের চেষ্টা
উত্তরপ্রদেশের অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল (আইন-শৃঙ্খলা) অমিতাভ যশ জানিয়েছেন, গোয়েন্দা সূত্রে খবর মিলেছিল যে ইনস্টাগ্রাম এবং অন্যান্য সোশ্য়াল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে স্লিপার সেল তৈরি করা হয়েছে। তদন্তের সময় উঠে আসে যে আর্থিক লোভ দেখিয়ে ভারতের অভ্যন্তরীণ শান্তি বিনষ্ট করতে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের অঙ্গুলিহেলনে ভারতের যুব প্রজন্মের মগজধোলাইয়ের চেষ্টা করছে পাকিস্তানি গ্যাংস্টার শেহজাদ ভাট্টি, আবিদ জাঠ, উগ্রবাদী পাকিস্তানি ইউটিউবরা।
তিনি বলেছেন, ‘ওরা ভারতীয় যুব প্রজন্মকে সংবেদনশীল স্থানগুলোর রেকি করতে এবং ওদের অঙ্গুলিহেলনে জঙ্গি হামলা চালাতে মগজধোলাই করত। অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করে ইসলাম ধর্মত্যাগকারী নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তু বানাতেও তাদের উসকানি দিচ্ছিল ওরা।’
{{/usCountry}}তিনি বলেছেন, ‘ওরা ভারতীয় যুব প্রজন্মকে সংবেদনশীল স্থানগুলোর রেকি করতে এবং ওদের অঙ্গুলিহেলনে জঙ্গি হামলা চালাতে মগজধোলাই করত। অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করে ইসলাম ধর্মত্যাগকারী নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তু বানাতেও তাদের উসকানি দিচ্ছিল ওরা।’
{{/usCountry}}জেরায় তুষার ও সমীরের বিষয়ে কী কী জানা গেল?
প্রাথমিক তদন্তে তুষার স্বীকার করে নিয়েছে যে ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে শেহজাদ এবং আবিদের সঙ্গে যোগসূত্র তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীতে ভয়েস এবং ভিডিয়োর মাধ্যমেও তৈরি হয়েছিল যোগসূত্র। অভিযোগ উঠেছে, শেহজাদের আস্থা অর্জন করতে নিজের নামেই একাধিক ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট তৈরি করেছিল। একটি ব্লকও হয়ে গিয়েছিল। পরবর্তীতে শেহজাদের ফোন নম্বরও পেয়েছিল। তারইমধ্যে পাকিস্তানি গ্যাংস্টার নির্দেশ দিয়েছিল যে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের উপরে গ্রেনেড হামলা চালাতে হবে। সেজন্য অগ্রিম বাবদ দেওয়া হবে ৫০,০০০ টাকা। কাজ শেষ হলে ২.৫ লাখ টাকা দেওয়া হবে। সেইসঙ্গে দুবাই হয়ে পাকিস্তানে যাওয়ার সুযোগ মিলবে।
আবার অপর ধৃত যুবক সমীরের সঙ্গে তুষার সোশ্য়াল মিডিয়ার মাধ্যমে যোগাযোগ করেছিল বলে সূত্রে খবর। এটিএস সূত্রে খবর, দেওয়ালে 'তেহরিক-ই-তালিবান হিন্দুস্তান' লেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সমীরকে। পাকিস্তানি গ্যাংস্টারদের হয়ে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের খুনের হুমকি দিয়েছিল। একাধিকবার কনফারেন্সের মধ্যে