Dharmendra Pradhan Paper Leak Protest: নিটের (সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা) প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ চলছে। দিল্লিতে আন্দোলনের ঝাঁঝ সবথেকে বেশি। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) সংসদ অভিযান করেছে। বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দলের সদস্যদের পাশাপাশি আন্দোলনকারীরা দাবি তুলেছেন যে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে (তাঁর আমলে একাধিক পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে) ইস্তফা দিতে হবে। যতক্ষণ না ইস্তফা দেবেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী, ততক্ষণ চলবে আন্দোলন।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে পথে নেমেছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান

আর সেই ধর্মেন্দ্র প্রধানই নাকি এককালে প্রশ্নপত্র ফাঁস-কাণ্ডে প্রতিবাদ করে আক্রান্ত হয়েছিলেন। সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এডেক্স লাইভের (প্রকাশের তারিখ দেখাচ্ছে ২০২১ সালের ১৬ জুলাই) প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভুবনেশ্বরের আরএমডি ডিগ্রি কলেজের তৎকালীন প্রিন্সিপাল প্রশান্ত রাউত জানিয়েছিলেন যে ১৯৯৭ সালে ওড়িশা প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার জন্য সরকারের বিরুদ্ধে পথে নেমেছিলেন ধর্মেন্দ্র।
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রশান্ত নাকি উৎকল বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমান কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর জুনিয়র ছিলেন। ১৯৯৭ সালের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে যখন প্রতিবাদে নেমেছিলেন ধর্মেন্দ্র, তখন তিনি এবিভিপির জাতীয় সম্পাদক ছিলেন। ওড়িশা সচিবালয়ের সামনে আয়োজিত সেই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে প্রায় ১,৫০০ পড়ুয়া যোগ দিয়েছিলেন।
'ধর্মেন্দ্রকে বেধড়ক মারধর, হয়েছিল ফ্র্যাকচারও'
প্রশান্তকে উদ্ধৃত করে ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়, শান্তিপূর্ণভাবে তাঁরা প্রতিবাদ কর্মসূচি চালানো হলেও পুলিশ ‘অ্যাকশন’ নিয়েছিল। ধর্মেন্দ্রকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছিল। এমনই মারা হয়েছিল যে বর্তমান কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর কয়েকটি ফ্র্যাকচারও হয়েছিল বলে দাবি করেন প্রশান্ত।
{{/usCountry}}প্রশান্তকে উদ্ধৃত করে ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়, শান্তিপূর্ণভাবে তাঁরা প্রতিবাদ কর্মসূচি চালানো হলেও পুলিশ ‘অ্যাকশন’ নিয়েছিল। ধর্মেন্দ্রকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছিল। এমনই মারা হয়েছিল যে বর্তমান কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর কয়েকটি ফ্র্যাকচারও হয়েছিল বলে দাবি করেন প্রশান্ত।
{{/usCountry}}'ধর্মেন্দ্র মনে করতেন ভিন্নমত পোষণ করা স্বাভাবিক'
সেই প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রশান্ত দাবি করেন যে ধর্মেন্দ্র মনে করতেন যে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পড়ুয়াদের মনোভাব ব্যক্তি করা স্বাভাবিক। তাঁদের প্রতিবাদ করা বা ভিন্নমত পোষণ করার অধিকার আছে। কিন্তু সেই প্রতিবাদ হতে হবে অহিংস এবং গণতান্ত্রিক। তাই ধর্মেন্দ্ররা বিক্ষোভ দেখালেও কখনও হিংসায় উস্কানি দিতেন না বলে দাবি করেন প্রশান্ত।
পড়ুয়াদের স্বার্থরক্ষায় বদ্ধপরিকর সরকার, বার্তা শিক্ষামন্ত্রীর
আর সেই ধর্মেন্দ্র এখন প্রবল চাপের মধ্যে আছেন। যদিও তিনি অভিযোগ করেছেন, নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থেই পড়ুয়াদের স্রেফ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন বিরোধীরা। সরকার পড়ুয়াদের স্বার্থ সুরক্ষিত করতে বদ্ধপরিকর। তাঁর কথায়, 'নেহাতই ক্ষোভ প্রকাশের থেকেও পড়ুয়াদের কাছে বেশি কিছু করার দায়বদ্ধতা রয়েছে আমাদের। তাঁদের কাছে আমাদের দায়বদ্ধতা হল—জবাব দেওয়া, সংস্কার সাধন এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা। আর ঠিক এই বিষয়গুলোই বাস্তবায়নে আমাদের সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’