UPI Payment Charges Explained: ইউপিআই (ইউনিফায়েড পেমেন্ট ইন্টারফেস) আর 'ফ্রি' থাকছে না। বরং ইউপিআইয়ের মাধ্যমে হওয়া কয়েকটি নির্দিষ্ট ব্যবসায়িক লেনদেনের ক্ষেত্রে মাশুল বসানো হচ্ছে। পুজোর আগে থেকেই সেই নয়া নিয়ম কার্যকর হচ্ছে। মঙ্গলবার ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার (NPCI) তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ১৫ অক্টোবর (যেদিন পঞ্চমী পড়েছে) থেকে সেই মাশুল ধার্য করা হবে। অর্থাৎ পুজোর ঠিক মুখেই কার্যকর হয়ে যাবে সেই নয়া নিয়ম। তবে সকলকেই সেই চার্জ দিতে হবে না। কাদের কাদের সেই চার্জ দিতে হবে, তা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে NPCI-র তরফে।
NPCI-র তরফে জানানো হয়েছে, ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে ২,০০০ টাকা পর্যন্ত লেনদেনের ক্ষেত্রে কোনও মাশুল গুনতে হবে না। যা ভারতে হওয়া মোট লেনদেনের ৯৫ শতাংশ। কিন্তু সেই লেনদেনের অঙ্কটা যদি ২,০০০ টাকার বেশি হয়, তাহলে ০.৪ শতাংশ হারে মাশুল দিতে হবে। প্রতি লেনদেনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মাশুলের মূল্য হবে ৩০০ টাকা। রেলওয়ে, বিমা, তেল, ইন্টারনেট পরিষেবার মতো ক্ষেত্রে ২,০০০ টাকার ঊর্ধ্বে লেনদেনের ক্ষেত্রে পাঁচ টাকা এমডিআর দিতে হবে।
গ্রাহকদের ক্ষেত্রে বাড়তি কোনও মাশুল বসানো হচ্ছে না। তাঁরা যেমন বিনামূল্যে লেনদেন করতে পারেন, সেরকমই করতে পারবেন। অর্থাৎ কেউ যদি ইউপিআইয়ের মাধ্যমে অপর কোনও ব্যক্তিকে টাকা পাঠান বা কেউ যদি দোকানে পেমেন্ট করেন, তাহলে তাঁদের বাড়তি কোনও মাশুল গুনতে হবে না।
ছোটো ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে মাসিক এক লাখ টাকার সীমা পর্যন্ত ছাড় থাকছে। NPCI-র তরফে জানানো হয়েছে, ইউপিআইয়ের কিউআর পেমেন্টের মাধ্যমে ছোটো ব্যবসায়ীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মাসিক এক লাখ টাকা পর্যন্ত ঢুকলে তাঁদের কোনও মাশুল গুনতে হবে না।
NPCI-র তরফে জানানো হয়েছে, ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড, ওয়ালেটের মতো অন্যান্য ডিজিটাল পেমেন্ট মাধ্যমের ক্ষেত্রে যে চার্জ গুনতে হয়, তার থেকে অনেকটাই কম মাশুল দিতে হচ্ছে ইউপিআইয়ের কয়েকটি নির্দিষ্ট ব্যবসায়িক লেনদেনের ক্ষেত্রে। রেলওয়ে, বিমা, তেলের মতো
অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা:
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা:
নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা:
অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।