UPI Payment Fee Rollout Delay Chances: পুজোয় UPI হবে আগের মতোই? ২,০০০ টাকার বেশি পেমেন্টে এখনই নয়া চার্জ বসছে না সম্ভবত
UPI Payment Fee Rollout Delay Chances: পুজোয় ইউপিআই হবে আগের মতোই? ২,০০০ টাকার বেশি পেমেন্টে এখনই নয়া চার্জ বসছে না সম্ভবত। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। কবে থেকে নয়া চার্জ বসতে পারে?
UPI Payment Fee Rollout Delay Chances: দু'হাজার টাকার বেশি ইউপিআই পেমেন্টে নতুন চার্জ বসানোর সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত রাখছে কেন্দ্রীয় সরকার? সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম মানিকন্ট্রোলের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পুজো-সহ উৎসবের মরশুমের কথা মাথায় রেখে ইউপিআই লেনদেনের ক্ষেত্রে মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট (এমডিআর) চালু করার বিষয়টি পিছিয়ে দেওয়া হবে কিনা, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করে দেখা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকেই একেবারে নয়া চার্জ চালু করা হতে পারে। যদিও এখনও চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

ষষ্ঠীর ঠিক আগে থেকেই নয়া চার্জ বসার কথা
এমনিতে এখনও পর্যন্ত ঠিক আছে যে ১৫ অক্টোবর থেকে ২,০০০ টাকার বেশি ইউপিআই পেমেন্টে এমডিআর বসানো হবে। যেদিন থেকে সেই নয়া নিয়ম কার্যকর হওয়ার কথা আছে, তার পরদিনই দুর্গাপুজোর ষষ্ঠী। তাছাড়া দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নবরাত্রি চলবে। তারপরই কালীপুজো বা দীপাবলি, জগদ্ধাত্রী পুজো, ভাইফোঁটা, ছটপুজো, খ্রিস্টমাসের মতো একের পর এক উৎসব আসবে।
আর দেশ যখন উৎসবের মরশুমের তুঙ্গে থাকবে (স্বভাবতই গ্রাহকরা খরচও বেশি করবেন), সেইসময় থেকেই নয়া চার্জ না বসানোর বিষয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, নয়া যে চার্জ চালু হচ্ছে, তার প্রভাব গ্রাহক বা ব্যক্তিগত লেনদেনের উপরে পড়বে না। ইউপিআইয়ের মাধ্যমে হওয়া কয়েকটি নির্দিষ্ট ব্যবসায়িক লেনদেনের ক্ষেত্রে মাশুল বসানো হচ্ছে। ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে লেনদেনের অঙ্কটা যদি ২,০০০ টাকার বেশি হয়, তাহলে ০.৪ শতাংশ হারে মাশুল দিতে হবে। প্রতি লেনদেনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মাশুলের মূল্য হবে ৩০০ টাকা।
'খুশি হবেন দোকানদাররাও'
তবে গ্রাহকদের উপরে সরাসরি প্রভাব না পড়লেও নয়া চার্জ চালু করার সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়া নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে। সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ভরা উৎসবের মরশুমের মধ্যেই নয়া চার্জ না বসানোর ফলে পেমেন্ট সংস্থাগুলি নিজেদের পরিকাঠামো আরও মজবুত করার সময় পেয়ে যাবে। খুচরো এবং পাইকারি দোকানদাররাও খুশি হবেন। নয়া কাঠামো যে কিছুটা ধন্দ রয়ে গিয়েছে, সেটাও দূর হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে শীঘ্রই
শেষপর্যন্ত অবশ্য নয়া চার্জ বসানোর বিষয়টি পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে কিনা, সে ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার (এনপিসিআই) তরফে। সূত্র উদ্ধৃত করে ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আগামী দু'দিনে বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তারপরই নেওয়া হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


