UPSC Civil Services Prelims Strategy: ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা ভারতের কঠিনতম পরীক্ষাগুলোর মধ্যে একটি। প্রতি বছর লাখ-লাখ প্রার্থী এই পরীক্ষায় বসেন। কিন্তু প্রিলিমিনারি উত্তীর্ণ হতে পারে মাত্র কয়েক হাজার পরীক্ষার্থী। আর সেক্ষেত্রে প্রিলিমসের সি-স্যাট (CSAT) পেপারটি আতঙ্কের হয়ে দাঁড়ায় অনেকের কাছে। আর্টস (কলা বিভাগের) স্ট্রিমের পড়ুয়াদের কাছে ব্যাপারটা আরও কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এই কঠিন পথেই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তৈরি করেছেন মহারাষ্ট্রের কুণাল আর. বীরুলকর। তিনি টানা আটবার ইউপিএসসি প্রিলিমস পাস করার এক অভাবনীয় রেকর্ড গড়েছেন। ৫ বার ইন্টারভিউ রাউন্ডে পৌঁছানো কুণাল সম্প্রতি শেয়ার করেছেন তাঁর সাফল্যের গোপন কৌশল।
সি-স্যাটে সাফল্য অর্জনের তিনটি পদ্ধতি

১) ইংরেজি কমপ্রিহেনশন (২৭টি প্রশ্ন)
২) রিজনিং (২৭টি প্রশ্ন)
৩) কোয়ান্টিটেটিভ অ্যাপটিটিউড (২৬টি প্রশ্ন)
কমপ্রিহেনশন সমাধানের বিশেষ ট্রিক: কুণাল বলেন, প্যাসেজ পড়ার আগে প্রশ্নগুলো এবং চারটি অপশন একবার দেখে নিতে হবে। এতে প্যাসেজটি পড়ার সময় উত্তরের সূত্রগুলো দ্রুত ধরা পড়ে। তাঁর মতে, প্রথম ৪০-৪৫ মিনিটের মধ্যে ইংরেজির অংশটি শেষ করা উচিত।
রিজনিং ও অঙ্ক: ইংরেজির পর রিজনিং ধরা উচিত। কারণ এতে কম সময়ে বেশি নম্বর তোলা যায়। অঙ্কের সহজ প্রশ্নগুলো সমাধান করতে হবে। কুণালের দাবি, এই পদ্ধতিতে চললে দু'ঘণ্টায় অনায়াসেই ৬০টির বেশি সঠিক উত্তর দেওয়া সম্ভব, যা সি-স্যাট কোয়ালিফাই করার জন্য যথেষ্ট।
জিএস (GS Paper 1) পেপার সামলানোর ৩-রিডিং ফর্মুলা
{{/usCountry}}জিএস (GS Paper 1) পেপার সামলানোর ৩-রিডিং ফর্মুলা
{{/usCountry}}১) প্রথম রিডিং: যে প্রশ্নগুলোর উত্তর নিয়ে ১০০ শতাংশ নিশ্চিত, সেগুলো সরাসরি ওএমআর শিটে পূরণ করে ফেলুন।
২) দ্বিতীয় রিডিং: যে প্রশ্নগুলির উত্তরের ক্ষেত্রে ফিফটি-ফিফটি চান্স আছে (অর্থাৎ দুটি অপশন বাদ দেওয়া গিয়েছে), সেখানে ঝুঁকি নিতে হবে। এই স্তরে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে অনুমান করা বা 'এডুকেটেড গেসিং' জরুরি।
৩) তৃতীয় রিডিং: যদি দেখা যায় প্রথম দুই ধাপে প্রশ্ন সংখ্যা ৭০-এর নিচে থাকছে, তবেই তৃতীয় দফায় ২৫ শতাংশ নিশ্চিত, এমন প্রশ্নে হাত দেওয়া উচিত। তবে যদি ৮০-র বেশি প্রশ্ন নিশ্চিতভাবে করা হয়ে যায়, তবে আর ঝুঁকি না নেওয়াই ভালো।
ভুল এড়াতে কুণালের গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
কুণাল মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, ইতিহাস বা স্ট্যাটিক বিষয়ের ক্ষেত্রে স্মৃতিশক্তির ওপর ভরসা করতে হয়, তাই সেখানে সাবধানে উত্তর দেওয়া উচিত। অন্যদিকে ভূগোল, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, পরিবেশ বিজ্ঞান এবং অর্থনীতির মতো বিষয়ে কনসেপ্ট পরিষ্কার থাকলে বেশি নম্বর পাওয়া যায়। প্রতিটি প্রশ্ন অন্তত দু'বার ভালো করে পড়ার পর গোল করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। তাঁর সাফ কথা, যে প্রশ্ন সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা নেই, নেতিবাচক নম্বরের ভয়ে তা এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।