UPSC Civil Services Success Tips: কোচিং ছাড়াই UPSC সিভিল সার্ভিসেসে ষষ্ঠ স্থান! কোন ৩ মন্ত্রে সাফল্য পেলেন কমল?
UPSC Civil Services Success Tips: কোচিং ছাড়াই ইউপিএসসি ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন( সিভিল সার্ভিসেসে ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছেন। কোন তিনটি মন্ত্রে সাফল্য পেলেন কমল পুনিয়া? কীভাবে সাফল্য অর্জন করলেন তিনি?
UPSC Civil Services Success Tips: ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস হল এক স্বপ্নের পরীক্ষা। আর সেই স্বপ্নের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আইএএস বা আইপিএস হওয়ার জন্য অনেকেই বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে ভরতি হন। দিল্লির মতো বড় শহরে গিয়ে লাখ-লাখ টাকা খরচ করে নামীদামী কোচিং সেন্টারে ভর্তি হন। কিন্তু উত্তরপ্রদেশের প্রত্যন্ত গ্রামের মেয়ে কোমল পুনিয়া প্রমাণ করে দিলেন যে সাফল্যের জন্য সবসময় কোচিং সেন্টারের প্রয়োজন নেই। নিজের জেদ, সঠিক কৌশল আর আত্মবিশ্বাসের ওপর ভর করে তিনি মেধাতালিকায় নিজের নাম খোদাই করেছেন। ইউপিএসসি (ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন) সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় কোমল পুনিয়া সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে ষষ্ঠ স্থান অর্জন করে এক অভাবনীয় নজির তৈরি করেছেন।
অনুপ্রেরণা কোমল পুনিয়া
উত্তরপ্রদেশের এক অতি সাধারণ কৃষক পরিবারে জন্ম কোমলের। তিনি প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেছিলেন গ্রামেরই একটি সাধারণ স্কুল থেকে। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও পরিকাঠামোগত অনেক খামতি ছিল। কিন্তু কোমলের এই রূপকথার মতো সাফল্য আজ কোটি-কোটি মধ্যবিত্ত ও পিছিয়ে পড়া যুবসমাজের কাছে এক বিশাল অনুপ্রেরণা। তিনি প্রমাণ করেছেন, বাহ্যিক সম্পদের অভাব থাকলেও যদি মনের ভিতর অদম্য ইচ্ছাশক্তি থাকে, তবে যে কোনও বাধা অতিক্রম করা সম্ভব।
দামি কোচিংকে ‘না’: সাফল্যের মূল চাবিকাঠি যখন ‘সেলফ স্টাডি’
১) সীমিত এবং নির্দিষ্ট সিলেবাস: কোমল বাজারচলতি শত-শত বইয়ের পিছনে না ছুটে নিজের পড়ার টেবিলকে গোছানো রেখেছিলেন। তিনি দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত থাকা এনসিইআরটি বইগুলিতে ফোকাস করেছিলেন। একই বই বারবার রিভিশন দেওয়াকেই তিনি শ্রেয় মনে করতেন।
২) ডিজিটাল বিপ্লব ও ইন্টারনেটের সঠিক ব্যবহার: কোচিং সেন্টারের অভাব তিনি পূরণ করেছিলেন ইন্টারনেট দিয়ে। কঠিন বিষয়গুলো সহজে বোঝার জন্য তিনি ইউটিউব এবং বিভিন্ন ফ্রি অনলাইন প্ল্যাটফর্মের সাহায্য নিয়েছিলেন। এছাড়া প্রতিদিনের কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স বা সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর জন্য তিনি নিয়মিত অনলাইন তথ্য যাচাই করতেন।
৩) কঠোর নিয়মানুবর্তিতা ও মক টেস্ট: তিনি প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পড়াশোনা করতেন। নিজেকে যাচাই করার জন্য কোমল কোনও বড় ইনস্টিটিউটে না গিয়ে অনলাইনেই নিয়মিত 'মক টেস্ট' দিতেন এবং নিজের ভুলগুলো সংশোধন করতেন।
ভবিষ্যৎ ইউপিএসসি পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে কোমলের পরামর্শ
নতুন প্রজন্মের পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দিতে গিয়ে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মন্ত্র শেয়ার করেছেন। কোমল বলেন, ‘সাফল্য পাওয়ার জন্য কোনও বড় শহরে যাওয়া বা লাখ-লাখ টাকা খরচ করে নামী কোচিংয়ে ভর্তি হওয়া বাধ্যতামূলক নয়। যদি আপনার মনের মধ্যে দৃঢ় সংকল্প থাকে এবং নিজের ভুলগুলো থেকে প্রতিনিয়ত শেখার মানসিকতা থাকে, তবে আপনি আপনার ঘরের একটা ছোট কোণে বসেই ইতিহাস তৈরি করতে পারেন।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


