...
...
Next Story

UPSC Success Story: ডিউটির সময় ভাইরাল ‘লেডি সিংঘম’-র ভাষণ! ২৫ বছর হতে না হতেই হয়েছেন IPSC অফিসার

UPSC Success Story: 'লেডি সিংঘম' তকমা পেলেন শৈলজা দাস। ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষা ক্র্যাক করে ২৫ বছর হতে না হতেই আইপিএস অফিসার হন তিনি। ভারতের মধ্যে ৮৩ তম স্থান অধিকার করেন। নিট আন্দোলনের মধ্যে তাঁর ভাষণ ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।

Published on: Jul 31, 2026, 20:41:57 IST
Advertisement

UPSC Success Story: বিহারে নিট আন্দোলনের মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। 'জেন-জি' আন্দোলনের মধ্যেই সেই ভিডিয়োয় যুবপ্রজন্মের আইপিএস অফিসারকে দেখা যায়। চরম উত্তেজনার মাঝেও মাথা ঠান্ডা রেখে এমন প্রশাসনিক পরিপক্কতা দেখে নেটিজেনরা মুগ্ধ হয়ে যান। রাতারাতি সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চার কেন্দ্রে চলে আসেন। নেটিজেনরা তাঁর নাম দিয়েছেন ‘জেন জি লেডি সিংঘম’। তিনি আদতে ২০২১ সালের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় সর্বভারতীয় স্তরে ৮৩তম র‍্যাঙ্ক অর্জনকারী যুবতী আইপিএস অফিসার শৈলজা দাস।

ছোটোবেলা থেকেই মেধাবী শৈলজা দাস

আইপিএস অফিসার শৈলজা দাস। (ফাইল ছবি)
আইপিএস অফিসার শৈলজা দাস। (ফাইল ছবি)

১৯৯৭ সালের ৭ নভেম্বর বিহারের সহরসা জেলার কায়স্থ টোলায় শৈলজা জন্মগ্রহণ করেন। আধুনিক প্রজন্মের প্রতিনিধি শৈলজা ছোটবেলা থেকেই অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার শুরুটা হয়েছিল সহরসাতেই। ২০১৩ সালে সহরসার বুধা পাবলিক স্কুল থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।

আরও পড়ুন: Kolkata Girl becomes Global Topper: 'বিশ্বসেরা' হলেন কলকাতার ছাত্রী, সুযোগ লন্ডনের কলেজে, ‘টপার’ হয়েছেন আরও ২ পড়ুয়া

উচ্চমাধ্যমিকে দারুণ রেজাল্ট, দিল্লির নামী কলেজে ভর্তি

উচ্চমাধ্যমিক দেন দিল্লির আর. কে. পুরমের দিল্লি পাবলিক স্কুল থেকে। সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষায় ৯৬.৮ শতাংশ পান। তারপর দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত সেন্ট স্টিফেনস কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকেই স্নাতক স্তরের পড়াশোনা শেষ করেন। শুরু করেন ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষার প্রস্তুতি।

২০২০ সালে ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেসের প্রথম অ্যাটেম্পটেই প্রিলিমস ও মেইনস পরীক্ষার ধাপ পার করে ইন্টারভিউয়ের স্তরে পৌঁছে গিয়েছিলেন শৈলজা। সামান্য কয়েক নম্বরের জন্য চূড়ান্ত তালিকায় জায়গা পাননি। কিন্তু ভেঙে পড়েননি শৈলজা। বরং দ্বিগুণ উদ্যমে দ্বিতীয় অ্যাটম্পেটের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছিলেন।

আরও পড়ুন: Success Story: ১৪ বার চাকরির পরীক্ষায় 'ফেল' করেও হার মানেননি, PSC দিয়ে SDM হলেন আস্থা

সেটার ফলাফলও আসে ২০২১ সালের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায়। ভারতের মধ্যে ৮৩ তম স্থান অধিকার করেন শৈলজা। সর্বভারতীয় স্তরে এই দুর্দান্ত ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে নিজের হোম ক্যাডার অর্থাৎ বিহার ক্যাডারেই আইপিএস অফিসার হন। ২৫ বছর হতে না হতেই আইপিএস অফিসার হন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe