UPSC Success Story: বিহারে নিট আন্দোলনের মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। 'জেন-জি' আন্দোলনের মধ্যেই সেই ভিডিয়োয় যুবপ্রজন্মের আইপিএস অফিসারকে দেখা যায়। চরম উত্তেজনার মাঝেও মাথা ঠান্ডা রেখে এমন প্রশাসনিক পরিপক্কতা দেখে নেটিজেনরা মুগ্ধ হয়ে যান। রাতারাতি সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চার কেন্দ্রে চলে আসেন। নেটিজেনরা তাঁর নাম দিয়েছেন ‘জেন জি লেডি সিংঘম’। তিনি আদতে ২০২১ সালের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় সর্বভারতীয় স্তরে ৮৩তম র্যাঙ্ক অর্জনকারী যুবতী আইপিএস অফিসার শৈলজা দাস।
ছোটোবেলা থেকেই মেধাবী শৈলজা দাস

১৯৯৭ সালের ৭ নভেম্বর বিহারের সহরসা জেলার কায়স্থ টোলায় শৈলজা জন্মগ্রহণ করেন। আধুনিক প্রজন্মের প্রতিনিধি শৈলজা ছোটবেলা থেকেই অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার শুরুটা হয়েছিল সহরসাতেই। ২০১৩ সালে সহরসার বুধা পাবলিক স্কুল থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।
উচ্চমাধ্যমিকে দারুণ রেজাল্ট, দিল্লির নামী কলেজে ভর্তি
উচ্চমাধ্যমিক দেন দিল্লির আর. কে. পুরমের দিল্লি পাবলিক স্কুল থেকে। সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষায় ৯৬.৮ শতাংশ পান। তারপর দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত সেন্ট স্টিফেনস কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকেই স্নাতক স্তরের পড়াশোনা শেষ করেন। শুরু করেন ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষার প্রস্তুতি।
আরও পড়ুন: Success Story: রেললাইন দেখভাল করতেন, PSC পরীক্ষায় ৭২ তম স্থানে সেই ছেলে, হলেন সরকারি অফিসার
UPSC সিভিল সার্ভিসেস ভারতে ৮৩ তম স্থান অধিকার
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: Success Story: রেললাইন দেখভাল করতেন, PSC পরীক্ষায় ৭২ তম স্থানে সেই ছেলে, হলেন সরকারি অফিসার
UPSC সিভিল সার্ভিসেস ভারতে ৮৩ তম স্থান অধিকার
{{/usCountry}}২০২০ সালে ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেসের প্রথম অ্যাটেম্পটেই প্রিলিমস ও মেইনস পরীক্ষার ধাপ পার করে ইন্টারভিউয়ের স্তরে পৌঁছে গিয়েছিলেন শৈলজা। সামান্য কয়েক নম্বরের জন্য চূড়ান্ত তালিকায় জায়গা পাননি। কিন্তু ভেঙে পড়েননি শৈলজা। বরং দ্বিগুণ উদ্যমে দ্বিতীয় অ্যাটম্পেটের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছিলেন।
আরও পড়ুন: Success Story: ১৪ বার চাকরির পরীক্ষায় 'ফেল' করেও হার মানেননি, PSC দিয়ে SDM হলেন আস্থা
সেটার ফলাফলও আসে ২০২১ সালের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায়। ভারতের মধ্যে ৮৩ তম স্থান অধিকার করেন শৈলজা। সর্বভারতীয় স্তরে এই দুর্দান্ত ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে নিজের হোম ক্যাডার অর্থাৎ বিহার ক্যাডারেই আইপিএস অফিসার হন। ২৫ বছর হতে না হতেই আইপিএস অফিসার হন।