UPSC Success Story: ৩৫ সরকারি চাকরির পরীক্ষায় ফেল, তাতেও হার মানেননি, শেষে IAS অফিসার হলেন সেই বিজয়
UPSC Success Story: একটা-দুটি নয়, টানা ৩৫টি সরকারি চাকরির পরীক্ষায় কাঙ্খিত সাফল্য পাননি। আর পাঁচজন হলে হয়তো সেখানেই সব আশা ছেড়ে দিতেন। তবে হাল না ছেড়ে লড়াই চালিয়ে যেতে থাকেন। ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষায় বাজিমাত করে প্রথমে আইপিএস হন। তারপর হলেন আইএএস।
UPSC Success Story: আইএএস হওয়ার স্বপ্ন ছিল। তবে প্ল্যান বি'ও ছিল। আর সেই প্ল্যান বি'র অঙ্গ হিসেবে ৩৫টি সরকারি চাকরির পরীক্ষা দেন। তাতে অবশ্য সাফল্য মেলেনি। শেষপর্যন্ত ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষা ক্র্যাক করেন। কিন্তু আইএএস হতে পারেননি। হন আইপিএস অফিসার। সেখানেই হাল ছাড়েননি হরিয়ানার সিরসার ছেলে বিজয় বর্ধন। আবার ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস ক্র্যাক করে হয়েছেন আইএএস অফিসার। করেছেন নিজের স্বপ্নপূরণ।

ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বি.টেক ডিগ্রি
বিজয়ের যাত্রাটা শুরু হয়েছিল সিরসা থেকে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পড়াশোনা শেষ করার পরে ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বি.টেক ডিগ্রি অর্জন করেন। তারপরই ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেসের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন।
UPSC-র প্রস্তুতির মধ্যে SSC CGL, CDS-র মতো পরীক্ষা দেন
দিল্লিতে এসে ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেসের প্রস্তুতি শুরুর পরেই কঠিন লড়াইয়ের আঙিনায় পা রাখেন বিজয়। 'প্ল্যান বি' হিসেবে বিভিন্ন সরকারি চাকরির পরীক্ষা দিতে শুরু করেন। হরিয়ানা পাবলিক সার্ভিস কমিশন, উত্তরপ্রদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন, স্টাফ সিলেকশন কমিশন কম্বাইনড গ্র্যাজুয়েট লেভেল (SSC CGL), কম্বাইনড ডিফেন্স সার্ভিসেসের (CDS) মতো পরীক্ষা দিতে থাকেন। কিন্তু তাতে সাফল্য মেলেনি। মোট ৩৫টি পরীক্ষায় কাঙ্খিত সাফল্য আসেনি।
আরও পড়ুন: Success Story: ৩ বার প্রিলিতে ‘ফেল’, খোঁচা দিতেন আত্মীয়রা, সেই মেয়েই UPSC ক্লিয়ার করে হলেন IAS
UPSC ক্র্যাক করে IPS অফিসার হন
আর সেই পরিস্থিতিটা মোটেও সহজ ছিল না। বন্ধুবান্ধব ও সহ-প্রার্থীরা যখন চাকরি পেয়ে গিয়ে ‘সেটল’ হয়ে যাচ্ছিলেন, তখন একের পর এক ব্যর্থতার সম্মুখীন হচ্ছিলেন বিজয়। কিন্তু লড়াই ছাড়েননি। আর সেই নাছোড়াবান্দা মনোভাবের ফল মেলে। ২০১৮ সালের ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষায় বাজিমাত করে পান আইপিএস ক্যাডার।
IPS অফিসার হয়ে IAS অফিসার হলেন
আইপিএস হয়ে গেলেও বিজয়ের সব স্বপ্নপূরণ হয়নি তখনও শেষপর্যন্ত ২০২১ সালের ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষা দিয়ে সেই স্বপ্নপূরণ হয়। দেশের মধ্যে ৭০ তম স্থান অধিকার করেন। আর আইএএস অফিসার হন বিজয়। সেইসঙ্গে দেশের লাখ-লাখ চাকরিপ্রার্থীর কাছে হয়ে উঠেছেন অনুপ্রেরণা। পরপর ব্যর্থতার পরেও যাঁরা পিছিয়ে আসতে বাধ্য হন বিভিন্ন চাপে, তাঁদের আরও অনুপ্রেরণা জোগান।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


