মধ্যপ্রাচ্যে ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে দীর্ঘদিনের স্নায়ুযুদ্ধ এখন এক নতুন মোড় নিয়েছে। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বিস্ফোরক মন্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ইরানি জাহাজগুলোকে আটক করার চেয়ে সেগুলো ডুবিয়ে দেওয়া অনেক বেশি মজার বা আনন্দদায়ক। তাঁর এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে', যখন দুই দেশের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা চরম পর্যায়ে রয়েছে। ইরান তো হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে সংঘাত শুরু করেছে আমেরিকা। শেষ করবে ইরান।

ট্রাম্পের বক্তব্যের প্রেক্ষাপট
ডোনাল্ড ট্রাম্প বরাবরই ইরানের প্রতি কঠোর নীতি অবলম্বনের পক্ষপাতী। তাঁর শাসনকালে ইরান-মার্কিন সম্পর্ক বারবার খাদের কিনারে এসে দাঁড়িয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ট্রাম্প মনে করেন যে ইরানের পক্ষ থেকে আসা যে কোনও উস্কানির জবাব দিতে হলে নরম হওয়ার কোনও সুযোগ নেই। তিনি বুঝিয়েছেন যে, ইরানের নৌবাহিনীর গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে বা তাদের জব্দ করার চেয়ে সরাসরি ধ্বংস করে দেওয়াটাই আমেরিকার শক্তির সঠিক প্রদর্শন হবে। তাঁর এই মন্তব্যটি মূলত তাঁর আক্রমণাত্মক বিদেশনীতিরই একটি প্রতিফলন।
পারস্য উপসাগরে উত্তেজনার পারদ
পারস্য উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ। ইরান প্রায়ই এই এলাকায় মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে চ্যালেঞ্জ জানায়। অন্যদিকে, আমেরিকাও এই অঞ্চলে তাদের আধিপত্য বজায় রাখতে বিশাল নৌবহর মোতায়েন করে রেখেছে। ট্রাম্পের এই মন্তব্যের ফলে এখন আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, মার্কিন নৌবাহিনী আগের চেয়ে আরও বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারে। ইতিমধ্যে ইরানি রণতরীর উপরে হামলা চালিয়ে ডুবিয়ে দিয়েছে আমেরিকা। ট্রাম্প দাবি করেছেন, এখনও পর্যন্ত ইরানের নৌসেনার ৪৬টি জাহাজ ডুবিয়ে দিয়েছে মার্কিন বাহিনী।
{{/usCountry}}পারস্য উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ। ইরান প্রায়ই এই এলাকায় মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে চ্যালেঞ্জ জানায়। অন্যদিকে, আমেরিকাও এই অঞ্চলে তাদের আধিপত্য বজায় রাখতে বিশাল নৌবহর মোতায়েন করে রেখেছে। ট্রাম্পের এই মন্তব্যের ফলে এখন আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, মার্কিন নৌবাহিনী আগের চেয়ে আরও বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারে। ইতিমধ্যে ইরানি রণতরীর উপরে হামলা চালিয়ে ডুবিয়ে দিয়েছে আমেরিকা। ট্রাম্প দাবি করেছেন, এখনও পর্যন্ত ইরানের নৌসেনার ৪৬টি জাহাজ ডুবিয়ে দিয়েছে মার্কিন বাহিনী।
{{/usCountry}}ইরানের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া
ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর ইরানের পক্ষ থেকে কড়া প্রতিক্রিয়া আসার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। ইরান বারবার হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, তাদের জলসীমায় কোনও ধরনের অনুপ্রবেশ বা আক্রমণ সহ্য করা হবে না। তেহরান মনে করে, ট্রাম্পের এই ধরনের কথাবার্তা কেবল মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ নয়, বরং এটি আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্পের এই বক্তব্যে ইরানকে তাদের ড্রোন এবং মিসাইল কর্মসূচি আরও জোরদার করতে উৎসাহিত করতে পারে।