Chinese Loan for Bangladesh Port: মোংলা বন্দর নিয়ে চিনের সঙ্গে বড় অঙ্কের ঋণচুক্তি স্বাক্ষর করল বাংলাদেশ। বিভিন্ন মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, মোংলা বন্দরের আধুনিকীকরণ এবং সম্প্রসারণের জন্য চিনা ব্যাঙ্কের সঙ্গে ৩৩৫.৭৮ মিলিয়ন ডলারের (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩,৫৯২.৮৯৭৫ কোটি টাকা) ঋণচুক্তি স্বাক্ষর করেছে। আর যে মোংলা বন্দরের জন্য চিনা এক্সিম ব্যাঙ্কের (এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাঙ্ক অফ চায়না) সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ঢাকা, তা ভারতীয় সীমান্তের পশ্চিমে মেরেকেটে ৮০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
কী কী তৈরি করা হবে মোংলা বন্দরে?

ঋণচুক্তি অনুযায়ী, মোংলা বন্দরে দুটি কন্টেনার টার্মিনাল তৈরি করা হবে। গড়ে তোলা হবে ডেডিকেটেড কার্গো হ্যান্ডলিং ইয়ার্ড এবং একটি কন্টেনার ডেলিভারি ইয়ার্ড। সেইসঙ্গে চট্টগ্রামের পরে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বন্দরের পরিকাঠামো জোরদার করা হবে। বন্দরের আধুনিকীকরণের জন্য যা যা প্রয়োজনীয়, সেই কাজ করা হবে বলে একাধিক রিপোর্টে জানানো হয়েছে।
ভারতের ইকোনমিক জোন প্রকল্প বাতিল করেছিল বাংলাদেশ
আর সেই বিষয়টি সামনে এই মোংলা বন্দরের কাছেই ১১০ একর জমিতে ভারতের অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) তৈরির প্রকল্প বাতিল করে দেওয়ার বছরখানেক পরে। সেটি বাতিল করেছিল মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বধীন বাংলাদেশের প্রাক্তন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
২০১৫ সালে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির আওতায় ভারতের জন্য ওই জমি চিহ্নিত করে রাখা হয়েছিল। আর সেখানে অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরির জন্য ইভিটা কনস্ট্রাকশন প্রাইভেট লিমিটেডের আওতাধীন হিরানন্দানি গ্রুপকে নিযুক্ত করা হয়েছিল। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নাকি নির্মাণকাজ শুরু হয়নি বলে যুক্তি দর্শিয়ে সেই চুক্তি বাতিল করে দিয়েছিল ইউনুস সরকার। যে সরকার একদিকে চিন এবং অন্যদিকে পাকিস্তানের ‘প্রেমে’ হাবুডুবু খাচ্ছিল বলে কটাক্ষ করা হয় একটি মহলের তরফে।
{{/usCountry}}২০১৫ সালে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির আওতায় ভারতের জন্য ওই জমি চিহ্নিত করে রাখা হয়েছিল। আর সেখানে অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরির জন্য ইভিটা কনস্ট্রাকশন প্রাইভেট লিমিটেডের আওতাধীন হিরানন্দানি গ্রুপকে নিযুক্ত করা হয়েছিল। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নাকি নির্মাণকাজ শুরু হয়নি বলে যুক্তি দর্শিয়ে সেই চুক্তি বাতিল করে দিয়েছিল ইউনুস সরকার। যে সরকার একদিকে চিন এবং অন্যদিকে পাকিস্তানের ‘প্রেমে’ হাবুডুবু খাচ্ছিল বলে কটাক্ষ করা হয় একটি মহলের তরফে।
{{/usCountry}}বেজিংয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তারেক সরকারের, উদ্বেগ ভারতের
সেই ইউনুস সরকার বিদায় নেওয়ার পরে তারেক রহমানরা বেজিংয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বজায় রেখে চলেছেন। গত জুনে তারেক যখন বেজিংয়ে গিয়েছিলেন, সেইসময় বাংলাদেশ এবং চিনের মধ্যে যে সমঝোতা হয়েছিল, তারই অংশ হিসেবে ঋণচুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে। মোংলা বন্দরের জন্য যে চুক্তি করা হয়েছে, তাতে ২০ বছরের মেয়াদে ঋণ দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত আছে পাঁচ বছরের ছাড়ের মেয়াদও। সুদ দিতে হবে দু'শতাংশ।
আর পুরো বিষয়টি ভারতের জন্য যথেষ্ট চিন্তার। কারণ বাংলাদেশে চিনের উপস্থিতি ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষত ভারতীয় সীমান্তের কাছে একাধিক প্রকল্পে জুড়ে যাচ্ছে চিন। যা ভারতের সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত উদ্বেগের বলে মত সংশ্লিষ্ট মহলের।