IT Return Filing Conditions: আয়কর দিতে হবে না বলে ইনকাম ট্যাক্স (আইটি) রিটার্ন ফাইল করেন না? কিন্তু এমন ন'টি নিয়ম রয়েছে, যে যে ক্ষেত্রে আয়কর দিতে হোক বা না হোক, ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করতেই হবে। সেই ন'টি নিয়ম বিস্তারিতভাবে দেখে নিন, যেগুলি এতটাও পরিচিত নয়। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে ওই নিয়মগুলি প্রয়োজ্য হবে।

বিদেশি সম্পদ থাকলে ITR ফাইল করতে হবে
১) ভারতের বাইরে থাকা কোনও সম্পদের মালিক হলে
২) বিদেশি কোনও প্রতিষ্ঠানে আর্থিক স্বার্থ জড়িত থাকলে
৩) বিদেশি সম্পদের সুবিধাভোগী হলে
৪) বিদেশি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে স্বাক্ষর করার ক্ষমতা থাকলে
বিদেশ ভ্রমণে ২ লাখ টাকার বেশি খরচ হলে
কোনও ব্যক্তি যদি কোনও অর্থবর্ষে নিজেদের বা অন্য কোনও ব্যক্তির বিদেশ ভ্রমণের জন্য দু'লাখ টাকার বেশি ব্যয় করেন, তবে তাঁকে বাধ্যতামূলকভাবে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে। কর দিতে হোক বা না দিতে হোক- আয়কর রিটার্ন ফাইল করতেই হবে ওই ব্যক্তিদের। মূলত নির্দিষ্ট উচ্চমূল্যের লেনদেন যাতে নজরে থাকে, সেজন্যই এই নিয়ম চালু করা হয়েছে।
TDS বা TCS যদি নির্দিষ্ট সীমা পেরিয়ে যায়
{{/usCountry}}TDS বা TCS যদি নির্দিষ্ট সীমা পেরিয়ে যায়
{{/usCountry}}১) সাধারণ করদাতাদের ক্ষেত্রে ট্যাক্স ডিডাকটেড অ্যাট সোর্স (টিডিএস) এবং ট্যাক্স কালেক্টেড অ্যাট সোর্স (টিসিএস) মিলিয়ে যদি অঙ্কটা ২৫,০০০ টাকা পেরিয়ে যায়, তাহলে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে।
২) প্রবীণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে সেই সীমা হল ৫০,০০০ টাকা।
৩) এটি মূলত ফিক্সড ডিপোজিটে বিনিয়োগকারী, বেতনভোগী, উপদেষ্টাদের ক্ষেত্রে প্রয়োজ্য হয়।
সেভিংস অ্য়াকাউন্টে ডিপোজিট ৫০ লাখের বেশি
কোনও অর্থবর্ষে এক বা একাধিক সেভিংস ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে যদি ৫০ লাখ টাকার বেশি জমা দেন, তাহলে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ যাঁদের ডিপোজিটের অঙ্কটা ৫০ লাখ টাকার গণ্ডি পেরিয়ে যায়, তাঁদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রয়োজ্য হবে।
কারেন্ট অ্যাকাউন্টে ডিপোজিট ১ কোটির বেশি হলে
কোনও অর্থবর্ষে কারেন্ট অ্যাকাউন্টে (সবমিলিয়ে) ডিপোজিট করা মোট অর্থের পরিমাণ ১ কোটি টাকা অতিক্রম করে যায়, তাহলে বাধ্যতামূলকভাবে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে।
ব্যবসার টার্নওভার ৬০ লাখ টাকা পেরিয়ে গেলে
ব্যবসার সঙ্গে ব্যক্তিদের আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে, যদি কোনও অর্থবর্ষে তাঁদের মোট বিক্রি, টার্নওভার বা মোট প্রাপ্তি ৬০ লাখ টাকার গণ্ডি ছাড়িয়ে যায়।
পেশাগত আয় ১০ লাখ টাকা পেরিয়ে গেলে
চিকিৎসক, আইনজীবী, স্থপতি, উপদেষ্টা, ফ্রিল্যান্সার এবং অন্যান্য সেলফ-এমপ্লয়েড পেশাজীবীদের ক্ষেত্রে কোনও অর্থবর্ষে তাঁদের মোট পেশাগত আয় ১০ লাখ টাকা অতিক্রম করলে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক। যে সীমা নির্ভর করে মোট আয়ের উপরে।
বিদ্যুতের বিল ১ লাখ টাকার বেশি হলে
যে করদাতাদের বিদ্যুতের বিল বার্ষিক এক লাখ টাকার গণ্ডি ছাড়িয়ে যায়, তাঁদেরও আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে। বিষয়টি নিয়ে বেশি আলোচনা না হলেও এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ডিডাকশনের আগে আয়কর ছাড়ের সীমা পার
ডিডাকশনের আগে আয়কর ছাড়ের সীমার নিয়ম কার্যকর হওয়ার আগে আপনার আয় যদি বেশি হয়, তাহলে আইটি রিটার্ন দাখিল করতে হবে। ২০২৬-২৭ অ্যাসেসমেন্ট ইয়ারে নয়া আয়কর কাঠামোয় করছাড়ের সীমা হল চার লাখ টাকা। পুরনো আয়কর কাঠামোয় সেই সীমা ২.৫ লাখ টাকা (৬০ বছরের নীচে)। প্রবীণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে সেই সীমা হল তিন লাখ টাকা।