...
...
Next Story

Mahadev's Favourite Zodiacs: মহাদেবের প্রিয় রাশি কী কী? আপনার রাশি কি আছে এই তালিকায়? মহাশিবরাত্রিতে জেনে নিন

১২টি রাশির মধ্যে বিশেষ কয়েকটি রাশির ওপর ভোলেনাথের আশীর্বাদ একটু বেশিই থাকে। আপনার রাশি কি সেই তালিকায় আছে? জেনে নিন আজই।

Published on: Feb 15, 2026, 21:20:38 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

দেবদাদিদেব মহাদেব হলেন মহাজগতের অধিপতি। শাস্ত্র মতে, তিনি সকল জীবের প্রতি সমান দয়ালু। তবে জ্যোতিষশাস্ত্রের গভীর বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১২টি রাশির মধ্যে বিশেষ কয়েকটি রাশির ওপর ভোলেনাথের আশীর্বাদ একটু বেশিই থাকে। এই রাশির জাতকদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এবং গ্রহের অবস্থান মহাদেবের শক্তির সাথে একাত্ম হওয়ায় তারা সহজেই শিবের কৃপা লাভ করেন।

মহাদেবের প্রিয় রাশি কী কী? আপনার রাশি কি আছে এই তালিকায়? মহাশিবরাত্রিতে জেনে নি
মহাদেবের প্রিয় রাশি কী কী? আপনার রাশি কি আছে এই তালিকায়? মহাশিবরাত্রিতে জেনে নি

২০২৬ সালের মহাশিরাত্রির প্রাক্কালে কোন কোন রাশি মহাদেবের অত্যন্ত প্রিয়, তা জেনে নিন।

মহাদেবের প্রিয় রাশি: শিবের বিশেষ কৃপা থাকে যাঁদের ওপর

জ্যোতিষশাস্ত্রে প্রতিটি গ্রহের একজন অধিদেবতা থাকেন। ভগবান শিব স্বয়ং মহাকাশ ও সময়ের (কাল) নিয়ন্ত্রক। কিছু নির্দিষ্ট রাশির অধিপতি গ্রহের সাথে শিবের সম্পর্ক অত্যন্ত মধুর, যার ফলে সেই রাশির জাতকরা প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও শিবের কৃপায় রক্ষা পান।

১. মেষ রাশি (Aries)

মেষ রাশির অধিপতি হলো মঙ্গল। জ্যোতিষশাস্ত্রে মঙ্গলকে শিবের তেজ থেকে উৎপন্ন বলে মনে করা হয়। মেষ রাশির জাতকরা সাহসী এবং স্পষ্টবক্তা হন। মহাদেব এই রাশির জাতকদের ওপর সর্বদা প্রসন্ন থাকেন। বিশেষ করে মহাশিরাত্রিতে মেষ রাশির জাতকরা যদি শিবলিঙ্গে লাল চন্দন বা গঙ্গাজল অর্পণ করেন, তবে তাদের জীবনের সমস্ত বাধা দূর হয়।

২. কর্কট রাশি (Cancer)

কর্কট রাশির অধিপতি হলো চন্দ্র। আমরা জানি, মহাদেব নিজের মস্তকে চন্দ্রকে ধারণ করেছেন, তাই তিনি 'চন্দ্রশেখর'। কর্কট রাশির জাতকরা আবেগপ্রবণ এবং ভক্তিপরায়ণ হন। চন্দ্রের রাশি হওয়ার কারণে এই জাতকদের মন সরাসরি শিবের সাথে যুক্ত থাকে। সোমবার বা মহাশিবরাত্রিতে এরা শিবের আরাধনা করলে অভাবনীয় মানসিক শান্তি ও সাফল্য লাভ করেন।

৩. বৃশ্চিক রাশি (Scorpio)

৪. মকর ও কুম্ভ রাশি (Capricorn & Aquarius)

এই দুই রাশির অধিপতি হলো শনিদেব। পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, শনিদেব মহাদেবের পরম শিষ্য। তাই শনির সাড়ে সাতি বা ধাইয়া চলাকালীন এই দুই রাশির জাতকরা যদি শিবের শরণাপন্ন হন, তবে শনির প্রকোপ থেকে তারা মুক্তি পান। মহাদেব কুম্ভ ও মকর রাশির জাতকদের নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের পূর্ণ ফল দান করেন।

কেন এই রাশিগুলি শিবের প্রিয়? জ্যোতিষতত্ত্ব

জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, শিব হলেন 'আশুতোষ'—যিনি দ্রুত সন্তুষ্ট হন। কিন্তু ওপরে উল্লিখিত রাশিগুলির জাতকদের মধ্যে ত্যাগের মানসিকতা এবং একাগ্রতা বেশি থাকে। মহাদেব বৈরাগ্যের দেবতা, আর এই রাশিগুলির জাতকদের আধ্যাত্মিক চেতনা অন্যান্যদের তুলনায় সহজে জাগ্রত হয়। গ্রহের অবস্থান অনুযায়ী, এদের আজ্ঞাচক্র ও হৃদচক্র মহাদেবের 'ওঙ্কার' ধ্বনির প্রতি বেশি সংবেদনশীল।

মহাশিবরাত্রিতে আশীর্বাদ পাওয়ার উপায়

আপনার রাশি এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত হোক বা না হোক, মহাশিবরাত্রির রাতে শিবের আশীর্বাদ পেতে নিচের নিয়মগুলি পালন করা জরুরি:

  • জলাভিষেক: শুদ্ধ মনে শিবলিঙ্গে জল ও কাঁচা দুধ অর্পণ করুন।
  • মন্ত্র জপ: 'ওঁ নমঃ শিবায়' বা 'মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র' জপ করলে গ্রহদোষ খণ্ডন হয়।
  • সেবা: শিবের প্রিয় হওয়ার শ্রেষ্ঠ পথ হলো জীবের সেবা করা, কারণ শিব সর্বভূতে বিরাজমান।

মহাদেব কোনো ভেদাভেদ করেন না। তবে জ্যোতিষশাস্ত্রীয় গণনা অনুযায়ী, মেষ, কর্কট, বৃশ্চিক, মকর ও কুম্ভ রাশির জাতকরা জন্মগতভাবেই শিবের প্রতি এক ধরণের আকর্ষণ অনুভব করেন। ২০২৬ সালের মহাশিরাত্রিতে এই রাশির জাতকদের জন্য সৌভাগ্যের নতুন দ্বার খুলতে চলেছে। ভক্তি ও বিশ্বাসের সাথে শিবের আরাধনা করলে যেকোনো মানুষই তাঁর পরম আশীর্বাদ লাভ করতে পারেন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe