Very Rare Mahagrahan Yog: এ এক অতি আশ্চর্যের ঘটনা! কুম্ভ রাশিতে বিরল মহাগ্ৰহণ যোগ! ৫ রাশির জীবনে তোলপাড় হবে
জ্যোতিষীদের মতে, এই সময়ে কুম্ভ রাশিতে সূর্য, চন্দ্র এবং রাহুর সংযোগে তৈরি হবে এক শক্তিশালী 'মহাগ্ৰহণ যোগ'। এছাড়া শনি ও বুধের বিশেষ অবস্থানের কারণে এই গ্রহণের প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী এবং তীব্র হতে পারে।
জ্যোতিষশাস্ত্রে সূর্যগ্রহণকে সবসময়ই একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ হিসেবে দেখা হয়। ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি কুম্ভ রাশিতে যে সূর্যগ্রহণ হতে চলেছে, তা সাধারণ কোনো ঘটনা নয়। জ্যোতিষীদের মতে, এই সময়ে কুম্ভ রাশিতে সূর্য, চন্দ্র এবং রাহুর সংযোগে তৈরি হবে এক শক্তিশালী 'মহাগ্ৰহণ যোগ'। এছাড়া শনি ও বুধের বিশেষ অবস্থানের কারণে এই গ্রহণের প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী এবং তীব্র হতে পারে।

এই মহাজাগতিক পরিস্থিতির ফলে দেশ-দুনিয়ায় যেমন বড় ধরণের রাজনৈতিক ও প্রাকৃতিক পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে, তেমনই ব্যক্তিগত জীবনেও এর গভীর প্রভাব পড়বে। বিশেষ করে নিচের ৫টি রাশির জাতক-জাতিকাদের এই সময়ে অত্যন্ত সাবধান থাকতে হবে।
আরও পড়ুন: ভারতীয় জ্যোতিষে ‘গণ’ কাকে বলে? বিবাহের আগে এর বিচার হয় কেন
মেষ রাশির জাতকদের জন্য এই সূর্যগ্রহণ কর্মক্ষেত্রে কিছুটা অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। আপনার আয়ের স্থানে এই গ্রহণ হওয়ায় আর্থিক লেনদেনে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন। কোনো নতুন বিনিয়োগ বা বড় ধরণের ঝুঁকি নেওয়া থেকে এই সময় বিরত থাকাই ভালো। হঠকারী কোনো সিদ্ধান্তের কারণে লোকসানের আশঙ্কা রয়েছে।
কর্কট রাশির জাতকদের জন্য এই সময়টি মানসিকভাবে কিছুটা চাপের হতে পারে। অষ্টম ভাবে গ্রহণের প্রভাব থাকায় শারীরিক স্বাস্থ্যের প্রতি যত্ন নিন। বিশেষ করে রক্তচাপ বা চোখের সমস্যায় ভোগার সম্ভাবনা রয়েছে। গাড়ি চালানোর সময় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন এবং বিতণ্ডা এড়িয়ে চলুন।
তুলা রাশির জাতকদের জন্য পঞ্চমে এই গ্রহণ সন্তান ও শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে উদ্বেগ তৈরি করতে পারে। প্রেমের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভুল বোঝাবুঝি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। যারা শেয়ার বাজারে কাজ করেন, তারা এই সময়ে বড় কোনো অর্থ লগ্নি করা থেকে দূরে থাকুন।
যেহেতু গ্রহণটি কুম্ভ রাশিতেই সংগঠিত হচ্ছে, তাই এই রাশির জাতকদের ওপর এর প্রভাব হবে সবচেয়ে বেশি। আপনার আত্মবিশ্বাস ও স্বাস্থ্যের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে। এই সময়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে ধৈর্য ধরুন, অন্যথায় প্রিয়জনের সাথে দূরত্ব বাড়তে পারে।
মীন রাশির জাতকদের দ্বাদশ ভাবে এই গ্রহণ হওয়ার ফলে অহেতুক খরচ বৃদ্ধি পাওয়ার যোগ রয়েছে। বিদেশে কর্মরত বা ব্যবসার সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনি জটিলতায় পড়ার আশঙ্কা থাকতে পারে। ঘুমের সমস্যা বা মানসিক অস্থিরতা আপনাকে ভোগাতে পারে।
আরও পড়ুন: ভয়ংকরী নন, বরং তিনি পরম সত্যের প্রকাশ! তবু কেন দেবী ভৈরবীকে সকলে ভয় পান
গ্রহণের অশুভ প্রভাব কাটাতে কী করবেন?
জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, গ্রহণের নেতিবাচক শক্তি থেকে বাঁচতে কিছু শাস্ত্রীয় নিয়ম মেনে চলা প্রয়োজন:
- মন্ত্র জপ: গ্রহণ চলাকালীন এবং পরে 'ওঁ নমঃ শিবায়' বা গায়ত্রী মন্ত্র জপ করুন।
- দান: গ্রহণের পর দরিদ্র ব্যক্তিদের কালো তিল, কম্বল বা অন্ন দান করা অত্যন্ত শুভ।
- স্নানাচার: গ্রহণ শেষ হওয়ার পর গঙ্গাজল মিশ্রিত জলে স্নান করা শরীরের নেতিবাচক শক্তি দূর করতে সাহায্য করে।
ABOUT THE AUTHORSuman Royসুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।Read More
E-Paper


