Vastu Shastra: ঠাকুরের বেদীর কাছে শাঁখ কীভাবে রাখা শুভ? ঘরে সমৃদ্ধি আনতে কিছু বাস্তু টিপস রইল
শাঁখ নিয়ে বাস্তুটিপস দেখে নিন।
হিন্দুশাস্ত্রমতে শাঁখে ফু দিয়ে যে তরঙ্গ তৈরি হয়, তা সেই এলাকার অশুভ শক্তিকে দূর করে। শাঁখ বাড়িতে ইতিবাচকতাকে সঙ্গে নিয়ে রাখে। এই শাঁখকে বাড়িতে সঠিক জায়গায় রাখলে তা খুবই শুভ ফল দিয়ে থাকে বলে মনে করা হয়। তবে শাঁখ যদি সঠিক স্থানে না রাখা হয়, তাহলে তা শুভ ফল দিতে ব্যর্থ হয়। দেখে নেওয়া যাক, শাঁখকে বাড়িতে কোন জায়গায় রাখা শুভ, বাস্তুশাস্ত্রমতে।

মূলত, দুই ধরনের শাঁখ হয়। একটি ধরনের শাঁখকে পুজো করা হয়, যেমন দক্ষিণাবর্ত শঙ্খ। অন্য় ধরনের শাঁখ পুজোয় ব্যবহার হয়। সেই শঙ্খধ্বনিতে পুজোর নানান পর্ব চলে।
শাঁখকে কোথায় কীভাবে রাখবেন?
শাঁখ সর্বদাই বাড়ির ঠাকুর ঘরে রাখা শুভ বলে মনে করা হয়। পুজোর ঘর বা পুজোর বেদীর কাছের অংশকে খুবই পবিত্র বলে মনে করা হয়। সেই কারণেই এই জায়গায় রাখা হয় শাঁখ। লাল বা হলুদ কাপড়ে শাঁখকে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পুজো হয়ে গেলে শাঁখ ঢেকে রাখার কথাও বলা হচ্ছে। শাঁখ ঠাকুরের বোদীর কাছে বিষ্ণু, লক্ষ্মী বা শ্রীকৃষ্ণের দিকে রাখা শুভ।
( Lucky Zodiac Signs: মঙ্গল ও বুধ জুটি ২০২৬-র জানুয়ারিতেই বর্ষণ করবে সৌভাগ্য, লাকির লিস্টে কারা?)
শাঁখ মাটিতে নয়
কোনও মতেই শাঁখ বাজিয়ে তা মাটিতে রাখা হয়না। পুজো হয়ে গেলে নির্দিষ্ট স্থানে শাঁখকে রাখা উচিত। এছাড়াও দক্ষিণাবর্ত শাঁখকে পুজোর বেদীতে রেখে সাদা ফুল দিয়ে পুজোর নিয়ম রয়েছে।
শাঁখ আর গঙ্গাজল
বাড়িতে আর্থিক কষ্ট যদি ক্রমেই জাঁকিয়ে বসে, তাহলে পুজোর পর শাঁখকে গঙ্গাজলে পূর্ণ করে নিন। এরপর শাঁখের ওই গঙ্গাজল গোটা বাড়িতে ছিটিয়ে নিন। তাতে দেবী লক্ষ্মীর আশীর্বাদ আসে বলে বিশ্বাস করা হয়।
শাঁখের মুখ থাকবে কোনদিকে?
শাঁখের মুখ কখনোই নিচের দিকে রাখবেন না। তাতে সংসারে পজিটিভ এনার্জি আসেনা। ফলত, শাঁখের মুখ যেন উপরের দিকে থাকে, সেদিকে নজর রাখতে হবে।
বাড়ির কোন দিকে রাখা উচিত শাঁখ?
সর্বদাই বাড়ির পূর্ব দিকে শাঁখ রাখা উচিত। পূর্ব দিক বাদে, বাড়ির উত্তর পশ্চিম দিকেও রাখতে পারেন শাঁখ। বাড়ির ঠাকুর যদি পূর্ব দিকের ঘরে থাকেন, তাহলে শাঁখও সেখানে থাকলে, সংসারে উন্নতি আসতে পারে।
(এই প্রতিবেদন মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা। )
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


