Vastu shastra: বাড়িতে তুলসী গাছ রাখার সঠিক দিকটি জানেন তো? রইল বাস্তুশাস্ত্র টিপস
তুলসী গাছ নিয়ে বাস্তুশাস্ত্রমতটি দেখে নিন।
তুলসী গাছ শুধুমাত্র ধার্মিকভাবেই গুরুত্বপূর্ণ, এমনটা নয়। এর ঔষধি গুণও এই গাছকে জনপ্রিয় করেছে। এদিকে, বাস্তুশাস্ত্রমত বলছে, বাড়িতে তুলসী গাছ যদি সঠিক দিকে রাখা যায়, তাহলে তা সংসারে সুখ সমৃদ্ধি বয়ে নিয়ে আসে।বিশ্বাস করা হয়, ভগবান বিষ্ণু এবং দেবী লক্ষ্মীর আশীর্বাদ প্রাপ্ত হয় সেই বাড়ি, যেখানে তুলসী গাছকে পুজো করা হয়। দেখে নিন তুলসী গাছ নিয়ে বাস্তুশাস্ত্রমত কী বলছে?

বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার তুলসী গাছ লাগানো সবচেয়ে শুভ বলে মনে করা হয়। বৃহস্পতিবার ভগবান বিষ্ণুর উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত, এবং শুক্রবার দেবী লক্ষ্মীর উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত। অতএব, উভয় দিনেই তুলসী গাছ লাগানো শুভ বলে মনে করা হয়। বাস্তু অনুসারে, তুলসী গাছটি বাড়ির উত্তর, উত্তর-পূর্ব বা পূর্ব দিকে লাগানো উচিত। এই দিকে তুলসী গাছ লাগালে ইতিবাচক শক্তি এবং ঘরে দেবী লক্ষ্মীর উপস্থিতি নিশ্চিত হয়। প্রতিদিন তুলসী গাছের নিচে একটি প্রদীপ জ্বালানো উচিত। বিশ্বাস করা হয়, এটি বাড়িতে সুখ, সমৃদ্ধি এবং সুস্বাস্থ্য বয়ে আনে। বলা হচ্ছে, খেয়াল রাখতে হবে, বাড়ির দক্ষিণ অংশে তুলসী গাছ কখনও লাগানো উচিত নয়, কারণ এটি বাস্তু ত্রুটি তৈরি করে। এটি আর্থিক অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টি করে এবং মানসিক উদ্বেগের কারণ হয়। রবিবার এবং একাদশীতে তুলসী পাতা ছিঁড়ে ফেলা উচিত নয়। এই দিনগুলিতে তুলসী পাতা স্পর্শ করাও অশুভ বলে মনে করা হয়। সোমবার, রবিবার, বুধবার এবং একাদশীতে তুলসী গাছ লাগানো উচিত নয়।
( সন্দেহে পাকিস্তান যোগ! উত্তর পূর্ব থেকে একাধিক ধরপাকড়, ধৃত Ex IAF অফিসারও)
মনে করা হয় যে, বাস্তু অনুসারে, ঘরে তুলসী লাগানোর অনেক উপকারিতা রয়েছে, বিশ্বাস করা হয় যে এটি পারিবারিক বিবাদ কমায়। এছাড়াও বলা হয়, কর্মস্থলে উন্নতির জন্য বৃহস্পতিবার একটি তুলসী গাছ হলুদ কাপড়ে বেঁধে কর্মস্থলে রাখলে, তা সুখ সমৃদ্ধি বৃদ্ধি করে।ফলত, তুলসীগাছ বাড়িতে রাখার আগে, এই পরামর্শগুলি বিবেচনার বার্তা দিচ্ছে বাস্তুশাস্ত্রমত।
(এই প্রতিবেদনের তথ্য সম্পূর্ণ মান্যতা নির্ভর। এর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা।)
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


