Bhangar Election Result 2026 Live: ভাঙড়ে ‘ভাইজান’ নওশাদ সিদ্দিকীর জয়! 'মাছচোর' গানের জবাব দেওয়া হল না শওকত মোল্লার
Bhangar Assembly Election Result 2026 Live: নওশাদ সিদ্দিকী নাকি শওকত মোল্লা? ভাঙড়ে জোরদার লড়াই হবে বলে মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক সংঘর্ষের অন্যতম হটস্পট ভাঙড়ে তৃণমূল কংগ্রেস ও আইএসএফের ভোটগণনার আপডেট দেখে নিন।
Bhangar Assembly Election Result 2026 Live: তৃণমূল কংগ্রেস বনাম আইএসএফ, রাজনৈতিক সংঘর্ষ, হুমকি-পালটা হুমকি- ভাঙড় বিধানসভার কথা বললে এতদিন সেই কথাগুলোয় ভেসে উঠত। আর এবার সেটার সঙ্গে যোগ হয়েছে 'শওকত মাছ চোর' গানটা। নির্বাচনী প্রচারের অংশ হিসেবে আইএসএফের তৈরি করা সেই গান সোশ্যাল মিডিয়ায় পুরোপুরি ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। যা নিয়ে মুখ খুলেছেন স্বয়ং ভাঙড়ের তৃণমূল প্রার্থী শওকত মোল্লা এবং আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। সেই কথার লড়াইয়ের মধ্যেই ভোট-যুদ্ধে ভাঙড় বিধানসভা কেন্দ্রে কে বাজিমাত করবেন, তা জানতে ভোটগণনার লাইভ আপডেটে চোখ রাখুন। এখানেই ভাঙড় বিধানসভার ভোটগণনার প্রতি মুহূর্তের আপডেট দেখতে পাবেন।

চমক নওশাদের,তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলে বাজিমাত ভাঙড়
--- বিকেল ৪ টে ২০ মিনিট: নির্বাচন কমিশনের তরফে সরকারিভাবে এখনও ভাঙড়ের ফল ঘোষণা করা হয়নি। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আপাতত ভাঙড়ে ১২ রাউন্ডের গণনা শেষ হয়েছে। তাতে ২৮,৩১৬ ভোটে এগিয়ে নওশাদ সিদ্দিকী।
— দুপুর ৩ টে ৩০ মিনিট: ভাঙড়ে আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকী জিতে গেলেন। কবে
— দুপুর ১ টা ৩০ মিনিট: লিড বাড়ল নওশাদ সিদ্দিকীর। আইএসএফ প্রার্থী ৮,৬৫৭ ভোটে এগিয়ে আছেন।
— দুপুর ১ টা: ১,৯২৭ ভোটে পিছিয়ে গেলেন শওকত মোল্লা। ভাঙড়ে এগিয়ে দেলেন নওশাদ সিদ্দিকী।
— সকাল ১০ টা ৪৬ মিনিট: ভাঙড়ে এগিয়ে গেলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শওকত মোল্লা। পিছিয়ে আছেন আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকী। শওকত এগিয়ে আছেন ৫,২০০ ভোটে।
— ভাঙড়ে মাঝেমধ্যেই তৃণমূল ও আইএসএফের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। তবে এবার বিধানসভা নির্বাচন মোটের উপরে শান্তিপূর্ণভাবেই মিটেছে। মোটামুটি শান্তই ছিল ভাঙড়।
ভাঙড়ে নওশাদের উত্থান, ‘ভাইজান’-র জনপ্রিয়তা
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড়ে প্রায় ২৭,০০০ ভোটে জিতেছিলেন নওশাদ। তিনি পেয়েছিলেন ১,০৯,২৩৭টি ভোট। যা শতাংশের বিচারে ৪৫.১। আর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূলের রেজাউল করিম পেয়েছিলেন ৮৩,০৮৬টি ভোট (৩৪.৩১ শতাংশ)। অর্থাৎ ২৬,১৫১ ভোটে জিতেছিলেন নওশাদ। যদিও ভাঙড়ের অন্দরে কান পাতলে এখনও অভিযোগ ওঠে যে তৎকালীন তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলামই ঘাসফুল শিবিরকে হারিয়ে দিয়েছিলেন ভাঙড়ে। গোষ্ঠীকোন্দলের ফল ভুগতে হয়েছিল তৃণমূলের প্রার্থীকে। আর এবার সেই আরাবুল আইএসএফের টিকিটে ভোটে লড়েছেন।
ভাঙড়ের রাজনৈতিক ইতিহাস
এমনিতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বরাবরই একটি আলোচিত এবং অত্যন্ত স্পর্শকাতর কেন্দ্র। রাজনৈতিক ইতিহাস অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়, যেখানে বামপন্থীদের দীর্ঘ আধিপত্য থেকে শুরু করে তৃণমূলের উত্থান এবং বর্তমানে আইএসএফের শক্তঘাঁটি- সবই দেখেছে ভাঙড়। ষাটের দশকে কংগ্রেসের ভালো প্রভাব ছিল। একেএম ইশাকের মতো নেতারা এখান থেকে একাধিকবার জয়ী হয়েছিলেন।
সত্তরের দশক থেকে বামফ্রন্টের শক্তঘাঁটিতে পরিণত হয়েছিল ভাঙড়। তারপর ২০০৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজনৈতিক পালাবদল হয়েছিল। রাজ্যে ভরাডুবি হলেও সিপিআইএমের হাত ভাঙড় ছিনিয়ে নিয়েছিলেন তৃণমূলের আরাবুল। কিন্তু ২০১১ সালে রাজ্যে তৃণমূলের ঝোড়ো জয়ের সময়ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণে আরাবুল হেরে গিয়েছিলেন। পাঁচ বছর দলবদল করে আসা প্রাক্তন বাম মন্ত্রী আবদুর রেজ্জাক তৃণমূলের জন্য পুনরুদ্ধার করেছিলেন ভাঙড়।
কিন্তু ২০১৭-১৮ সালে ভাঙড়ে পাওয়ার গ্রিড বিরোধী আন্দোলন এলাকার রাজনৈতিক ফের সমীকরণ পালটে দেয়। মূলধারার রাজনীতির বাইরে জমি রক্ষা কমিটির আন্দোলন জন্ম দেয় এক নতুন শক্তির। আরও প্রকট হয়ে ওঠে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল। বাড়তে থাকে হিংসা। ঝরতে থাকে রক্ত। তারইমধ্যে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হন নওশাদ। যিনি বিধানসভা এলাকায় বেশ জনপ্রিয়। তৃণমূলের যে সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক, তাতে বড়সড় ভাঙন ধরিয়ে দিয়েছেন।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


