EC on Mamata's allegation: ‘লাথি মারার’ মনগড়া গল্প তৈরি করছেন মমতা, কড়া জবাব কমিশনের, 'জেদ করেন বলেই…..’
EC on Mamata's allegation: ‘লাথি মারার’ মনগড়া গল্প তৈরি করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় - কড়া জবাব দিলেন নির্বাচন কমিশন। সেইসঙ্গে সিসিটিভি বন্ধের অভিযোগও উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, মমতা 'জেদ করেন বলেই গণনা স্তব্ধ রাখা হয়েছিল।’
EC on Mamata's allegation: ‘লাথি মারার’ যে অভিযোগ তোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তা উড়িয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। কলকাতা দক্ষিণের জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (ডিইও) রণধীর কুমার যে বিবৃতি দেন, তাতে দাবি করা হয়, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মমতা যে অভিযোগ করেছেন, তা সম্পূর্ণ 'ভিত্তিহীন ও মনগড়া'। সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেছএন যে মমতার জেদের জন্যই কিছুক্ষণের জন্য গণনা প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে যা নিয়ম আছে, সেটা মেনেই মমতাকে জানিয়েই গণনা শুরু করা হয় বলে জানিয়েছেন কলকাতা দক্ষিণের জেলা নির্বাচনী আধিকারিক। যাঁর অধীনে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র পড়ে।

মমতার অভিযোগ খারিজ
আর সেই বিধানসভার গণনাকেন্দ্রের ভিতরে ‘আমার পেটে লাথি মেরেছে, আমার পিঠে লাথি মেরেছে। ‘ধাক্কা দিয়ে মেরে-মেরে বের করে দিয়েছে।’ আর সেইসময় সিসিটিভি বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ করেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
আরও পড়ুন: Mamata on resgination: ‘পদত্যাগ করব কেন? আমাদেরই নৈতিক জয় হয়েছে’, দাবি ‘মুখ্যমন্ত্রী’ মমতার
সিসিটিভি চালু ছিল সারাক্ষণ, সাফ কথা কমিশনের
যদিও সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন কলকাতা দক্ষিণের জেলা নির্বাচনী আধিকারিক। তাঁর বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, গণনাকেন্দ্রের প্রতিটি কোণ সিসিটিভি নজরদারিতে ছিল এবং তার ফুটেজ সংরক্ষিত আছে। সিসিটিভি কখনওই বন্ধ করা হয়নি।
সোমবারও মারধরের অভিযোগ মমতার
তবে শুধু আজ নয়, সোমবারও একইরকমভাবে মারধরের অভিযোগ করেন মমতা। শাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লসের গণনাকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘বিজেপি ১০০টিরও বেশি আসন লুট করেছে। নির্বাচন কমিশন বিজেপির কমিশন। আমি কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক এবং মনোজ আগরওয়ালের কাছেও অভিযোগ করেছি। কিন্তু তাঁরা কিছুই করছেন না। আপনারা কি মনে করেন এটা জয়? এটা একটা অনৈতিক বিজয়, নৈতিক বিজয় নয়। নির্বাচন কমিশন, কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিলে যা কিছু করেছে, তা সম্পূর্ণ বেআইনি। এটা শুধু লুট, লুট আর লুট। আমরা ঘুরে দাঁড়াব।’
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিকাল তিনটে থেকে ওরা আমাদের মারছে। আমি মার খেয়েছি। সিসিটিভি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আমাদের কোনও এজেন্টকেই (গণনা কেন্দ্রের) ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। ডিইও (জেলা নির্বাচনী আধিকারিক) আমায় আশ্বাস দিয়েছিলেন যে আমাদের এজেন্টদের ঢুকতে দেওয়া হবে। কিন্তু এরপর থেকে তাঁকে আর কোথাও পাওয়া যায়নি। আমি সব জায়গায় অভিযোগ করেছি।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


