Schools Holiday for FIFA WC Final 2026: বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখবে তো! সোমবার মর্নিং স্কুলে ছুটি দেওয়া যাবে, ছাড়পত্র রাজ্যের
Schools Holiday for FIFA WC Final 2026: রাতে বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখবে তো খুদেরা। তাই মর্নিং স্কুলকে ছুটি ঘোষণার ক্ষেত্রে ছাড়পত্র দিল রাজ্য সরকার। রাতে বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে স্পেন এবং আর্জেন্টিনা।
Schools Holiday for FIFA WC Final 2026: গভীর রাতে বিশ্বকাপ ফাইনাল। খেলা যদি এক্সট্রা টাইমে গড়ায়, তাহলে ফাইনাল শেষ হতে প্রায় ভোর হয়ে যাবে। তা সত্ত্বেও অনেকেই ফাইনাল ম্যাচটা মিস করতে চাইবে না। বিশেষত খুদেরা তো সেই পরিস্থিতিতে সোমবার যে সরকারি বা সরকার-পোষিত স্কুলগুলি সকালে (মর্নিং স্কুল) হয়, সেগুলিকে ছুটি ঘোষণা করার ছাড়পত্র দিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। রাজ্য সরকারের স্কুলশিক্ষা দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, '২০ জুলাই (ইংরেজি মতে) রাত ১২ টা ৩০ মিনিটে স্পেন এবং আর্জেন্টিনার মধ্যে ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল হওয়ায় যে স্কুলগুলি সকালে হয়, সেগুলি উপস্থিতির নিয়ম শিথিল করতে পারে বা ছুটি দিয়ে দিতে পারে।'

‘অফিসের লোকগুলোই বা কি দোষ করল?’
আর রাজ্যের সেই সিদ্ধান্তে হাসি ফুটেছে অনেকের মুখেই। কেউ-কেউ আবার মজার ছলে দুঃখ করে বলেছেন যে অফিসেও কেন এরকম করা হবে না। এক তরুণী বলেছেন, ‘রাত জেগে ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ দেখার জন্য পরের দিনের মর্নিং স্কুলের ছুটি। আমাদের স্কুলের সময় এরকম অপশন ছিল না কেন? আর অফিসের লোকগুলোই বা কি দোষ করল?’
জেলায়-জেলায় জায়ান্ট স্ক্রিনে খেলা দেখার আয়োজন
এমনিতে বিশ্বকাপ ফাইনালের জন্য রাজ্য সরকারের তরফে আগেই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি জেলায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে জায়ান্ট স্ক্রিনে বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দফতরের তরফে। সেজন্য বরাদ্দ করা হয়েছে অর্থও। তাছাড়া কলকাতার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র নন্দনে খেলা দেখার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। সেখানে খেলা দেখবেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
বেশি আবেগ মেসির ‘লাস্ট ডান্স’ নিয়ে
আর বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে কলকাতা-সহ বিশ্বের বিভিন্ন উন্মাচনা চরমে উঠেছে। পরপর দু'বার বিশ্বকাপ জয়ের মুখে দাঁড়িয়ে আছে আর্জেন্টিনা। সেটা হলে বিশ্বের তৃতীয় দল হিসেবে সেই নজির গড়বে। আবার ২০১০ সালের বিশ্বকাপের পরে প্রথমবার ফাইনালে উঠে ট্রফি জিততে মরিয়া স্পেনও। তবে সবকিছু ছাপিয়ে সকলের মন পড়ে আছে লিওনেল মেসির দিকে। অনেকের ধারণা, দেশের জার্সিতে সম্ভবত এটাই মেসির শেষ ম্যাচ হবে।
যদিও আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি আশার আলো দেখিয়েছেন মেসি ভক্তদের। বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে তিনি বলেছেন, ‘এই বিশ্বকাপই লিওর শেষ কিনা, তা আমি জানি না। সেটা কেই বা জানে। ওকেই জিজ্ঞাসা করতে হবে। ও আমাদের চমকে দিতে ছাড়ে না কখনও। তাই...।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


