Hindu vote effect on BJP Bengal win: 'শুধু হিন্দুদের ভোট একজোট হওয়ায় বাংলায় BJP জেতেনি', আসল রহস্য ফাঁস ভোটকুশলীর
Hindu vote effect on BJP Bengal win: শুধু হিন্দুদের ভোট একজোট হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জেতেনি, দাবি করলেন ভোটকুশলী তথা বিশ্লেষক অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার প্রধান প্রদীপ গুপ্তা। তাহলে কীভাবে জিতল বাংলায়?
Hindu vote effect on BJP Bengal win: এতদিন যে হিন্দু ভোট একজোট হচ্ছিল না, সেটাই বিজেপির বাংলা জয়ের প্রধান কারণ? অনেকে সেরকম মনে করলেও সেই তত্ত্বে বিশ্বাসী নন অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার প্রদীপ গুপ্তা। বরং তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, অনেকেই যা ভাবছেন - অর্থাৎ শুধুমাত্র হিন্দু ভোটের মেরুকরণের কারণে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি জিতেছে, তা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। বরং তৃণমূলের দীর্ঘ বছরের 'অপশাসন', রাজ্যে তৈরি হওয়া 'ভয়ের পরিবেশ', প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ব্যক্তিগত ক্যারিশমা এবং অমিত শাহ ও আরএসএসের নিখুঁত সাংগঠনিক দক্ষতাই বিজেপিকে বাংলায় ক্ষমতায় এনেছে।

সুশাসনই বিজেপির সাফল্যের আসল কারণ, মত প্রদীপ গুপ্তার
সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের সাক্ষাৎকারে প্রদীপ দাবি করেছেন, নির্বাচনে জয় বা পরাজয়ের পিছনে হিন্দু-মুসলিম ইস্যু বড় ফ্যাক্টর বয় না। যখন কেউ বিজেপির এই আধিপত্যকে কেবল হিন্দু ভোটের একজোট হওয়ার ফল বলে দাবি করেন, তখন আসলে সেই রাজ্যে হওয়া ভালো কাজ ও উন্নয়নকে ছোটো করে দেখা হয়। ধর্মীয় মেরুকরণ নয়, বরং সুশাসনের ওপর ভর করেই বিজেপি একের পর এক রাজ্যে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে সফল হচ্ছে। বাংলার মানুষও ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠে সুশাসনকে বেছে নিয়েছেন বলে মনে করছেন অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার প্রধান।
আরও পড়ুন: Abhishek-Sayani Flat: স্বামী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, স্ত্রী সায়নী ঘোষ- সেই ফ্ল্যাটে যেতেই ফাঁস রহস্য
‘পুজোর চেয়ে বড় হল পেটের ভাত’
বাংলার মাটিতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা বোঝাতে গিয়ে প্রদীপ তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘পূজা সে জ্যাদা মহত্ব পেট কা হ্যায়, অউর পেট সে বড়া মহত্ব জান কা হ্যায়’ (মানুষের কাছে পুজোর চেয়ে বড় হল পেটের ভাত, আর পেটের ভাতের চেয়েও বড় হল নিজের জীবন)।
বাংলায় বিজেপির জয়ের আসল কারণ কী?
এই মন্তব্যের সূত্র ধরে অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার প্রধান জানান, তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনকালে বাংলায় একটি চরম ভয়ের আবহ তৈরি হয়েছিল। ভোটগ্রহণের পরে যখন অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার সমীক্ষকেরা মাঠে নেমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলতে যান, তখন এক অদ্ভুত পরিস্থিতি তৈরি হয়। অধিকাংশ মানুষ সমীক্ষকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে বা কোনও মন্তব্য করতে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। ভোটারদের এই চরম নীরবতাই ছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে নীরব বিপ্লবের সবচেয়ে বড় প্রমাণ। মানুষ যে তৃণমূলের থেকে মুখ ফিরিয়ে বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন, তা তাঁদের এই ভয় ও নীরবতার মধ্য দিয়েই স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল বলে মনে করছেন প্রদীপ।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


