Firhad on Abhishek asset row: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি বিতর্কে ফের বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। বুধবার বিধানসভায় সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের সম্পত্তি বিতর্ক নিয়ে প্রশ্নের জবাবে কলকাতার মেয়র বলেন, ‘ওঁর পার্সোনাল ব্যাপারে আমি কোনও কথা বলতে পারব না। কারণ আমি কারও ইজারা নিইনি। আমার কেএমসির নিয়মটা বলার দরকার ছিল, সেটা বলে দিলাম।’ সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই ব্যাপারে আমার কোনও নলেজ নেই। আর থাকার কথাও নয়। কেএমসি বিল্ডিং বিভাগ কাকে নোটিশ দেবে, কাকে দেবে না, কোন নোটিশের কী সেকশন, সেটা আমাদের পলিসি ম্যাটার নয়। এটা আমার এক্তিয়ারের মধ্যে নয়। এই ঘটনা নিয়ে ওয়াকিবহল নই।'
আর শুধু আজ নয়, অভিষেকের সম্পত্তি নিয়ে কলকাতা পুরনিগমের তরফে যে নোটিশ পাঠানো হয়েছে, তা নিয়ে মঙ্গলবারই দায় ঝেড়ে ফেলেছিলেন ফিরহাদ। দাবি করেছিলেন যে স্রেফ নীতি নির্ধারক (পলিসি মেকার) তিনি। আজও সেই যুক্তিতে অনড় থাকেন ফিরহাদ। অভিষেকের কোর্টে বল ঠেলে দিয়ে তিনি দাবি করেন, তিনি স্রেফ নীতি নির্ধারণ করেন। নির্বাহী কাজের দায়িত্বে থাকেন পুর কমিশনাররা।
তারইমধ্যে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর এই প্রথম কোনও আন্দোলন কর্মসূচিতে রাস্তায় নামার চেষ্টা করেছে তৃণমূল। কিন্তু প্রথম দিনেই বড় ধাক্কা খেল ঘাসফুল শিবির। বুধবার বিধানসভা চত্বরে আয়োজিত দলের প্রথম ‘মেগা’ প্রতিবাদ কর্মসূচিতে দেখা মিলল না সিংহভাগ তৃণমূল বিধায়কেরই। নির্বাচনের পর দলের এই প্রথম সমন্বিত আন্দোলনে বিপুলসংখ্যক বিধায়কের গরহাজিরাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, ঠিক এক দিন আগেই যেখানে কালীঘাটের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ‘বন্ধ ঘরের রাজনীতি’ ছেড়ে ‘রাস্তার আন্দোলনে’ ফেরার পরামর্শ দিয়েছিলেন বিধায়করা, সেখানে ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই এই ধরণের দৃশ্য দলের জন্য বেশ অস্বস্তিকর।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো চেনা মুখেরা। কিন্তু গোল বাধল সংখ্যাতত্ত্বে। বর্তমানে বিধানসভায় তৃণমূলের মোট বিধায়ক সংখ্যা ৮০। কিন্তু এ দিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ৩৫ জন। অর্থাৎ, দলের প্রথম বড় রাজনৈতিক কর্মসূচিতেই গরহাজির থাকলেন প্রায় ৪৫ জন বিধায়ক। এই বিপুল অনুপস্থিতি কি দলের অভ্যন্তরীণ ফাটলের ইঙ্গিত? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে কলকাতার রাজনৈতিক অলিন্দে।
অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা:
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা:
নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা:
অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।