...
...
Next Story

Kalyan on argument with Mamata: ‘কথা কাটাকাটির’ জেরে মমতার হাত ছেড়ে দিচ্ছেন? মুখ খুললেন ‘খুব কষ্ট পাওয়া’ কল্যাণ

Kalyan on argument with Mamata: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাধিক বিশ্বস্ত সঙ্গী তাঁকে ছেড়ে চলে গিয়েছেন। কিন্তু কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সঙ্গে রয়ে গিয়েছেন। সেই কল্যাণকেই 'অপমানিত' হতে হল একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে। তা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ।

Published on: Jul 22, 2026, 09:25:19 IST
Advertisement

Kalyan on argument with Mamata: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ‘কথা কাটাকাটি’-র ঘটনায় মর্মাহত হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তা বলে যে মমতাপন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের হাত ছেড়ে দেবেন, সেই সম্ভাবনা কার্যত খারিজ করে দিলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে যেভাবে ‘অপমানিত’ হতে হল, তারপর তিনি মমতার হাত ছেড়ে দেবেন কিনা, সেই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে কিছুটা বিরক্ত হয়ে যান কল্যাণ। তিনি পালটা প্রশ্ন করেন, ‘এটা কী ধরনের প্রশ্ন?’

‘এরকম অপমান আমার প্রাপ্য নয়’, বললেন কল্যাণ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে 'কথা কাটাকাটির' ঘটনায় মর্মাহত, জানালেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। (ছবি সৌজন্যে, সমীর জানা/হিন্দুস্তান টাইমস এবং পিটিআই)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে 'কথা কাটাকাটির' ঘটনায় মর্মাহত, জানালেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। (ছবি সৌজন্যে, সমীর জানা/হিন্দুস্তান টাইমস এবং পিটিআই)

তবে একুশে জুলাইয়ের ঘটনায় যে তিনি ‘মর্মাহত’ হয়ে গিয়েছেন, তা গোপন করেননি কল্যাণ। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘আমি নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম করিনি। আমি যখন কথা বলছিলাম, তখন মঞ্চে ওঠে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ওঠে। তাই আমার ভাষণ থামিয়ে দিতে হয়। তারপর দিদি ঢোকে। তখন ফের আমি ভাষণ থামিয়ে দিই। আমি একেবারেই সময়সীমা অতিক্রম করে যাইনি। কিন্তু এরকম অপমান আমার প্রাপ্য নয়। এমন আচরণে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। যখন অন্যরা সবাই দল ছেড়ে চলে গিয়েছে, তখন আমি দলের জন্য এত কঠোর লড়াই করছি। আমি এটার যোগ্য নই।’

আরও পড়ুন: Bengal Metro and Kalyani Airport: কলকাতার মতো চলবে না দুর্গাপুর-শিলিগুড়ি মেট্রো! কল্যাণী বিমানবন্দরের জমি চিহ্নিত

সাড়ে ২২ মিনিট ধরে কথা বলেন কল্যাণ

আরও পড়ুন: Bengal Volvo Bus Routes in India: বাংলা থেকে ৩,০০০ ভলভো বাস চালু হবে! যাবে ভারতের বিভিন্ন রুটে, ঘোষণা ডিপো নিয়েও

কল্যাণকে দ্রুত ভাষণ শেষ করার নির্দেশ মমতার

তারইমধ্যে একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে চলে আসেন মমতা। মঞ্চে হাজির থাকা নেতারা দাবি করেছেন, কল্যাণের বক্তৃতার সময় এসে মমতা নির্দেশ দেন যে শ্রীরামপুরের সাংসদ যেন দ্রুত ভাষণ শেষ করে নেন। কিন্তু তারপরও ভাষণ চালিয়ে যেতে থাকেন কল্যাণ। সেই পরিস্থিতিতে বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষও তাঁকে ভাষণ থামানোর ইঙ্গিত করেন বলে ওই মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: Vande Bharat and Metro Coach Factory: হুগলিতে হচ্ছে নয়া কোচের কারখানা! তৈরি হবে বন্দে ভারত ও মেট্রো, নজর নতুন ট্রামেও

মমতার সঙ্গে 'কথা কাটাকাটি' হয় কল্যাণের

পরবর্তীতে কল্যাণের ভাষণ যখন শেষ হয়, তখন মমতা নাকি ক্ষোভপ্রকাশ করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মমতার সঙ্গে 'কথা কাটাকাটি' হয় কল্যাণের। তারপর রেগে চলে যান মঞ্চ ছেড়ে। শোনেননি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এবং মমতার ভাষণ।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe